
ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তায় সরকারি নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে পুলিশের নির্দয় আক্রমণের শিকার হয়েছেন দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকশ শিক্ষার্থী। মঙ্গলবার জাকার্তার রাজপথে নেমে আসা এই বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ লাঠিচার্জ ও কঠোর অবস্থান গ্রহণ করে। এই তীব্র সংঘর্ষের পর ঘটনাস্থল থেকেই অন্তত ২১ জন ছাত্রকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম নিশ্চিত করেছে।
দেশের ৮১তম স্বাধীনতা দিবস পালনের ঠিক পরদিনই জাকার্তার রাজপথ এই উত্তাল বিক্ষোভে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে। সরকারি নানা সিদ্ধান্ত, অর্থনৈতিক সংকট এবং বিতর্কিত কিছু নীতিমালার প্রতিবাদে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ব্যানার-ফেস্টুন হাতে রাজপথে নামেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, আন্দোলনকারীরা শান্তিপূর্ণভাবে মিছিল নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবনের অভিমুখে যাত্রা শুরু করেছিলেন। তবে পুলিশ মাঝপথে ব্যারিকেড সৃষ্টি করে মিছিলটির গতি রোধ করে।
শিক্ষার্থীরা ব্যারিকেড অতিক্রম করার চেষ্টা করলে পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি ঘটে। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় এবং তাদের হটাতে কঠোর শক্তি প্রয়োগ করে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, টিয়ার গ্যাসের শেল ও লাঠিচার্জের মাধ্যমে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের বেদম প্রহার করা হয়। এতে বেশ কয়েকজন সাধারণ শিক্ষার্থী মারাত্মকভাবে আহত হন। ঘটনার এক পর্যায়ে পুলিশ অন্তত ২১ জনকে গ্রেপ্তার করে স্থানীয় থানায় নিয়ে যায়।
ছাত্র সংগঠনগুলোর অভিযোগ, সরকার তরুণ প্রজন্মের ন্যায়সংগত দাবি ও মতামতকে স্তব্ধ করতে চরম দমনপীড়নের পথ বেছে নিয়েছে। এক আন্দোলনকারী ছাত্রনেতা জানান, "স্বাধীনতার পর আজ দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ও বাকস্বাধীনতা হরণ করা হচ্ছে। সরকারের স্বৈরাচারী নীতি ও জনবিরোধী সিদ্ধান্তের প্রতিবাদেই আমরা রাজপথে নেমেছি। সহকর্মীদের গ্রেপ্তার করে এই ন্যায্য আন্দোলন দমন করা যাবে না।"
এদিকে বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন ইন্দোনেশিয়া সরকারের এই পুলিশি অ্যাকশনের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং গ্রেপ্তারকৃত তরুণ আন্দোলনকারীদের অবিলম্বে মুক্তির দাবি জানিয়েছে। তবে জাকার্তা পুলিশের দাবি, শহরের শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতেই তারা বাধ্য হয়ে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দিয়েছে। এই সংঘর্ষের পর জাকার্তার গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
দেশের ৮১তম স্বাধীনতা দিবস পালনের ঠিক পরদিনই জাকার্তার রাজপথ এই উত্তাল বিক্ষোভে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে। সরকারি নানা সিদ্ধান্ত, অর্থনৈতিক সংকট এবং বিতর্কিত কিছু নীতিমালার প্রতিবাদে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ব্যানার-ফেস্টুন হাতে রাজপথে নামেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, আন্দোলনকারীরা শান্তিপূর্ণভাবে মিছিল নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবনের অভিমুখে যাত্রা শুরু করেছিলেন। তবে পুলিশ মাঝপথে ব্যারিকেড সৃষ্টি করে মিছিলটির গতি রোধ করে।
শিক্ষার্থীরা ব্যারিকেড অতিক্রম করার চেষ্টা করলে পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি ঘটে। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় এবং তাদের হটাতে কঠোর শক্তি প্রয়োগ করে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, টিয়ার গ্যাসের শেল ও লাঠিচার্জের মাধ্যমে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের বেদম প্রহার করা হয়। এতে বেশ কয়েকজন সাধারণ শিক্ষার্থী মারাত্মকভাবে আহত হন। ঘটনার এক পর্যায়ে পুলিশ অন্তত ২১ জনকে গ্রেপ্তার করে স্থানীয় থানায় নিয়ে যায়।
ছাত্র সংগঠনগুলোর অভিযোগ, সরকার তরুণ প্রজন্মের ন্যায়সংগত দাবি ও মতামতকে স্তব্ধ করতে চরম দমনপীড়নের পথ বেছে নিয়েছে। এক আন্দোলনকারী ছাত্রনেতা জানান, "স্বাধীনতার পর আজ দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ও বাকস্বাধীনতা হরণ করা হচ্ছে। সরকারের স্বৈরাচারী নীতি ও জনবিরোধী সিদ্ধান্তের প্রতিবাদেই আমরা রাজপথে নেমেছি। সহকর্মীদের গ্রেপ্তার করে এই ন্যায্য আন্দোলন দমন করা যাবে না।"
এদিকে বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন ইন্দোনেশিয়া সরকারের এই পুলিশি অ্যাকশনের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং গ্রেপ্তারকৃত তরুণ আন্দোলনকারীদের অবিলম্বে মুক্তির দাবি জানিয়েছে। তবে জাকার্তা পুলিশের দাবি, শহরের শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতেই তারা বাধ্য হয়ে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দিয়েছে। এই সংঘর্ষের পর জাকার্তার গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

0 Comments