
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের নতুন মরশুমে খেতাব রক্ষার অভিযান দুর্দান্তভাবে শুরু করল আর্সেনাল। ঘরের মাঠ এমিরেটস স্টেডিয়ামে মরশুমের প্রথম ম্যাচে নবাগত কভেন্ট্রি সিটিকে ৩-০ গোলে হারিয়ে নিজেদের শক্তিমত্তার জানান দিল মিকেল আর্তেতার দল। খেতাব ধরে রাখার লড়াইয়ে নেমে প্রথম ম্যাচেই কাই হাভার্টজ, বুকায়ো সাকা এবং অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ডের গোল আর্সেনালকে এনে দিল এক দাপুটে জয়।
গত মে মাসে ক্রিস্টাল প্যালেসকে হারিয়ে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত প্রিমিয়ার লিগ ট্রফি ছোঁয়ার মাত্র ৮৯ দিন পর আবার লিগের লড়াইয়ে নামল আর্সেনাল। ১৯৩০-এর দশকের পর থেকে উত্তর লন্ডনের এই ঐতিহ্যবাহী ক্লাবটি কখনও পরপর দু'বার লিগ শিরোপা ধরে রাখতে পারেনি। তবে ম্যানেজার আর্তেতার শিষ্যরা যে এবারও ট্রফির জন্য কতটা ক্ষুধার্ত, তা ম্যাচের প্রথম মিনিট থেকেই স্পষ্ট ছিল। ৬০ হাজার গ্যালারি ভর্তি দর্শকের সামনে গানার্সরা শুরু থেকেই প্রতিপক্ষকে চেপে ধরে।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেই সুফল পায় আর্সেনাল। ১৫তম মিনিটে ডিফেন্ডার রিকার্ডো ক্যালাফিওরির বাড়ানো নিখুঁত ক্রস থেকে নিচু শটে গানার্সদের এগিয়ে দেন জার্মান ফরোয়ার্ড কাই হাভার্টজ। এর ঠিক ৮ মিনিট পর, ২৩তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন বুকায়ো সাকা। ডেক্লান রাইস, ওডেগার্ড ও নতুন গ্রিক উইঙ্গার ক্রিস্টোস জোলিসের চমৎকার বোঝাপড়ায় তৈরি হওয়া সুযোগ কাজে লাগিয়ে গোল করেন সাকা।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ম্যাচের ভাগ্য চূড়ান্ত করে ফেলে গানার্সরা। ৪৯তম মিনিটে সাকা ও বেন হোয়াইটের যৌথ আক্রমণ থেকে বক্সের ভেতর বল পেয়ে আর্সেনালের জয় সুনিশ্চিত করেন অধিনায়ক ওডেগার্ড। দীর্ঘ ২৩ বছর পর প্রিমিয়ার লিগে ফেরা ফ্রাঙ্ক ল্যাম্পার্ডের কভেন্ট্রি সিটি আর্সেনালের লাগাতার আক্রমণ ও প্রেসিংয়ের সামনে অসহায় আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়।
ম্যাচ শুরুর আগেই ক্লাবের নতুন সই হওয়া ইংলিশ ডিফেন্ডার এজরি কনসাকে সমর্থকদের সামনে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। অ্যাস্টন ভিলা থেকে ৫১ মিলিয়ন পাউন্ডে আর্সেনালে যোগ দিয়েছেন তিনি।
ম্যাচ শেষে গানার্স অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ড বলেন, "মরশুমের প্রথম ম্যাচ সবসময়ই কিছুটা স্নায়ুচাপের হয়। তবে আমরা দ্রুত ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিতে পেরেছি। পুরো দল আজ দারুণ খেলেছে, যদিও আমাদের আরও গোল করার সুযোগ ছিল।" আর্সেনালের পরবর্তী ম্যাচ আগামী ৩১ আগস্ট অ্যাস্টন ভিলার বিরুদ্ধে।
গত মে মাসে ক্রিস্টাল প্যালেসকে হারিয়ে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত প্রিমিয়ার লিগ ট্রফি ছোঁয়ার মাত্র ৮৯ দিন পর আবার লিগের লড়াইয়ে নামল আর্সেনাল। ১৯৩০-এর দশকের পর থেকে উত্তর লন্ডনের এই ঐতিহ্যবাহী ক্লাবটি কখনও পরপর দু'বার লিগ শিরোপা ধরে রাখতে পারেনি। তবে ম্যানেজার আর্তেতার শিষ্যরা যে এবারও ট্রফির জন্য কতটা ক্ষুধার্ত, তা ম্যাচের প্রথম মিনিট থেকেই স্পষ্ট ছিল। ৬০ হাজার গ্যালারি ভর্তি দর্শকের সামনে গানার্সরা শুরু থেকেই প্রতিপক্ষকে চেপে ধরে।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেই সুফল পায় আর্সেনাল। ১৫তম মিনিটে ডিফেন্ডার রিকার্ডো ক্যালাফিওরির বাড়ানো নিখুঁত ক্রস থেকে নিচু শটে গানার্সদের এগিয়ে দেন জার্মান ফরোয়ার্ড কাই হাভার্টজ। এর ঠিক ৮ মিনিট পর, ২৩তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন বুকায়ো সাকা। ডেক্লান রাইস, ওডেগার্ড ও নতুন গ্রিক উইঙ্গার ক্রিস্টোস জোলিসের চমৎকার বোঝাপড়ায় তৈরি হওয়া সুযোগ কাজে লাগিয়ে গোল করেন সাকা।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ম্যাচের ভাগ্য চূড়ান্ত করে ফেলে গানার্সরা। ৪৯তম মিনিটে সাকা ও বেন হোয়াইটের যৌথ আক্রমণ থেকে বক্সের ভেতর বল পেয়ে আর্সেনালের জয় সুনিশ্চিত করেন অধিনায়ক ওডেগার্ড। দীর্ঘ ২৩ বছর পর প্রিমিয়ার লিগে ফেরা ফ্রাঙ্ক ল্যাম্পার্ডের কভেন্ট্রি সিটি আর্সেনালের লাগাতার আক্রমণ ও প্রেসিংয়ের সামনে অসহায় আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়।
ম্যাচ শুরুর আগেই ক্লাবের নতুন সই হওয়া ইংলিশ ডিফেন্ডার এজরি কনসাকে সমর্থকদের সামনে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। অ্যাস্টন ভিলা থেকে ৫১ মিলিয়ন পাউন্ডে আর্সেনালে যোগ দিয়েছেন তিনি।
ম্যাচ শেষে গানার্স অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ড বলেন, "মরশুমের প্রথম ম্যাচ সবসময়ই কিছুটা স্নায়ুচাপের হয়। তবে আমরা দ্রুত ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিতে পেরেছি। পুরো দল আজ দারুণ খেলেছে, যদিও আমাদের আরও গোল করার সুযোগ ছিল।" আর্সেনালের পরবর্তী ম্যাচ আগামী ৩১ আগস্ট অ্যাস্টন ভিলার বিরুদ্ধে।

0 Comments