
ঢালিউডে হরর বা ভৌতিক ঘরানার সিনেমার খরা বহুদিনের। সেই অভাব মেটাতে এবং দর্শকদের থ্রিলারে কাঁপিয়ে দিতে নতুন চমক নিয়ে আসছেন জনপ্রিয় নির্মাতা রায়হান রাফী। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে তাঁর বহুপ্রতীক্ষিত হরর সিনেমা ‘আন্ধার’-এর প্রথম অফিশিয়াল পোস্টার। আর প্রথম ঝলকেই নেট দুনিয়ায় পোস্টারটি তুলে দিয়েছে রহস্যের প্রবল ঝড়।
গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রায়হান রাফীসহ ছবির প্রধান অভিনয়শিল্পী সিয়াম আহমেদ ও চঞ্চল চৌধুরী একযোগে নিজেদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্টারটি উন্মোচন করেন। পোস্টারটিতে দেখা যায় এক অশুভ, ভৌতিক ও রহস্যময় পরিবেশ। একটি বেদিসদৃশ উঁচু স্থাপনার চূড়ায় দাঁড়িয়ে আছেন ছবির পাঁচ কেন্দ্রীয় চরিত্র। একেবারে কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন অভিনেত্রী নাজিফা তুষি, যার ঠিক পেছনে আকাশে ঘন কালো ও ধূসর মেঘের মাঝে জ্বলজ্বল করছে অলৌকিক এক আলোর বলয়। চারপাশের নিচ থেকে উঠে আসা ধোঁয়া ও কুয়াশার আস্তরণ পুরো দৃশ্যপটে তৈরি করেছে থমথমে এক ধূসর আবহ।
তুষির দুই পাশে ধবধবে সাদা পোশাকে দাঁড়িয়ে আছেন সিয়াম আহমেদ, চঞ্চল চৌধুরী, মোস্তফা মনোয়ার এবং ফররুখ আহমেদ রেহান। একই ধরনের শুভ্র পোশাক পরা সত্ত্বেও তাঁদের দাঁড়ানোর ভঙ্গি, প্রকাশভঙ্গি ও দৃষ্টির দিকে রয়েছে অদ্ভুত বৈচিত্র্য। রহস্যে ঘেরা এই চাহনি দর্শক ও নেটিজেনদের মনে একের পর এক প্রশ্ন ও গভীর কৌতূহল উসকে দিয়েছে।
‘আন্ধার’-এর গল্প ভাবনাতেও রয়েছে এক বড়সড় চমক। এই সিনেমার গল্প লিখেছেন দেশের দুই জনপ্রিয় ব্যান্ড তারকা—‘ক্রিপটিক ফেইট’-এর শাকিব চৌধুরী এবং ‘অর্থহীন’-এর সাইদুস সালেহীন সুমন (বেসবাবা সুমন)। তাঁদের সঙ্গে চিত্রনাট্য ভাবনায় যুক্ত ছিলেন আদনান আদিব খানও। মূলত দুই ব্যান্ডশিল্পী দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত ঘুরে অতিপ্রাকৃত ঘটনা ও ভৌতিক লোককাহিনি সংগ্রহ করেছেন। সেসব অভিজ্ঞতার নির্যাস থেকেই জন্ম নিয়েছে ‘আন্ধার’-এর মূল গল্প।
প্রযোজনা ও পরিচালক সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশের হরর চলচ্চিত্রে এটি অন্যতম বড় বাজেটের আয়োজন হতে যাচ্ছে। সিনেমাটির দৃশ্যকাব্যের এক বিশাল অংশে ব্যবহার করা হয়েছে চোখধাঁধানো ভিএফএক্স ও গ্রাফিক্স অ্যানিমেশন। এসব আন্তর্জাতিক মানের দৃশ্য সম্পাদনার কাজ টানা কয়েক মাস ধরে মুম্বাইয়ের একটি খ্যাতনামা স্টুডিওতে করা হয়েছে। সিনেমাটির বড় একটি অংশের চিত্রগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে গাজীপুর ও ময়মনসিংহের বিভিন্ন গ্রামীণ লোকেশনে।
তারকাবহুল এই সিনেমায় আরও অভিনয় করেছেন আফসানা মিমি, গাজী রাকায়েত, তানজিকা আমীন ও স্বর্ণালী চৈতি। পরিচালক রায়হান রাফীর দৃঢ় বিশ্বাস, দেশীয় চলচ্চিত্রে হরর ঘরানার দীর্ঘদিনের শূন্যতা পূরণে ‘আন্ধার’ এক নতুন মাইলফলক স্থাপন করবে। প্রথম পোস্টারেই ছবির মুক্তির সময় আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছে; সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে ২০২৬ সালের অক্টোবরে বড় পর্দায় আসছে ‘আন্ধার’।
গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রায়হান রাফীসহ ছবির প্রধান অভিনয়শিল্পী সিয়াম আহমেদ ও চঞ্চল চৌধুরী একযোগে নিজেদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্টারটি উন্মোচন করেন। পোস্টারটিতে দেখা যায় এক অশুভ, ভৌতিক ও রহস্যময় পরিবেশ। একটি বেদিসদৃশ উঁচু স্থাপনার চূড়ায় দাঁড়িয়ে আছেন ছবির পাঁচ কেন্দ্রীয় চরিত্র। একেবারে কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন অভিনেত্রী নাজিফা তুষি, যার ঠিক পেছনে আকাশে ঘন কালো ও ধূসর মেঘের মাঝে জ্বলজ্বল করছে অলৌকিক এক আলোর বলয়। চারপাশের নিচ থেকে উঠে আসা ধোঁয়া ও কুয়াশার আস্তরণ পুরো দৃশ্যপটে তৈরি করেছে থমথমে এক ধূসর আবহ।
তুষির দুই পাশে ধবধবে সাদা পোশাকে দাঁড়িয়ে আছেন সিয়াম আহমেদ, চঞ্চল চৌধুরী, মোস্তফা মনোয়ার এবং ফররুখ আহমেদ রেহান। একই ধরনের শুভ্র পোশাক পরা সত্ত্বেও তাঁদের দাঁড়ানোর ভঙ্গি, প্রকাশভঙ্গি ও দৃষ্টির দিকে রয়েছে অদ্ভুত বৈচিত্র্য। রহস্যে ঘেরা এই চাহনি দর্শক ও নেটিজেনদের মনে একের পর এক প্রশ্ন ও গভীর কৌতূহল উসকে দিয়েছে।
‘আন্ধার’-এর গল্প ভাবনাতেও রয়েছে এক বড়সড় চমক। এই সিনেমার গল্প লিখেছেন দেশের দুই জনপ্রিয় ব্যান্ড তারকা—‘ক্রিপটিক ফেইট’-এর শাকিব চৌধুরী এবং ‘অর্থহীন’-এর সাইদুস সালেহীন সুমন (বেসবাবা সুমন)। তাঁদের সঙ্গে চিত্রনাট্য ভাবনায় যুক্ত ছিলেন আদনান আদিব খানও। মূলত দুই ব্যান্ডশিল্পী দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত ঘুরে অতিপ্রাকৃত ঘটনা ও ভৌতিক লোককাহিনি সংগ্রহ করেছেন। সেসব অভিজ্ঞতার নির্যাস থেকেই জন্ম নিয়েছে ‘আন্ধার’-এর মূল গল্প।
প্রযোজনা ও পরিচালক সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশের হরর চলচ্চিত্রে এটি অন্যতম বড় বাজেটের আয়োজন হতে যাচ্ছে। সিনেমাটির দৃশ্যকাব্যের এক বিশাল অংশে ব্যবহার করা হয়েছে চোখধাঁধানো ভিএফএক্স ও গ্রাফিক্স অ্যানিমেশন। এসব আন্তর্জাতিক মানের দৃশ্য সম্পাদনার কাজ টানা কয়েক মাস ধরে মুম্বাইয়ের একটি খ্যাতনামা স্টুডিওতে করা হয়েছে। সিনেমাটির বড় একটি অংশের চিত্রগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে গাজীপুর ও ময়মনসিংহের বিভিন্ন গ্রামীণ লোকেশনে।
তারকাবহুল এই সিনেমায় আরও অভিনয় করেছেন আফসানা মিমি, গাজী রাকায়েত, তানজিকা আমীন ও স্বর্ণালী চৈতি। পরিচালক রায়হান রাফীর দৃঢ় বিশ্বাস, দেশীয় চলচ্চিত্রে হরর ঘরানার দীর্ঘদিনের শূন্যতা পূরণে ‘আন্ধার’ এক নতুন মাইলফলক স্থাপন করবে। প্রথম পোস্টারেই ছবির মুক্তির সময় আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছে; সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে ২০২৬ সালের অক্টোবরে বড় পর্দায় আসছে ‘আন্ধার’।

0 Comments