
রাজধানী ঢাকার পাশাপাশি বন্দরনগরী নারায়ণগঞ্জকেও মেট্রোরেল (এমআরটি) প্রকল্পের আওতাভুক্ত করার জোরালো উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু জেলাটিকে মেট্রোরেল রুটে পুনরায় সম্পৃক্ত করার দাবি জানিয়ে গত ২২ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি আধা সরকারি (ডিও) পত্র জমা দিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি বিধি অনুযায়ী খতিয়ে দেখে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিবের কাছে নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে। গত ৩০ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এই সংক্রান্ত চিঠিটি সংশ্লিষ্ট বিভাগে পাঠানো হয়।
এমপি মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়ার পাঠানো আবেদনে উল্লেখ করা হয়, ঢাকা থেকে নারায়ণগঞ্জ পর্যন্ত এমআরটি লাইন সম্প্রসারণ করা হলে এই অঞ্চলের দীর্ঘদিনের যানজট নিরসন হবে। একই সঙ্গে এর ফলে স্থানীয় পর্যটনশিল্পের বিকাশ ঘটবে, পরিবেশবান্ধব শিল্পের ব্যাপক বিস্তার হবে এবং নতুন করে বিদেশি বিনিয়োগের উজ্জ্বল সুযোগ সৃষ্টি হবে।
পূর্বে প্রণীত মেট্রোরেলের সমন্বিত নগর পরিবহন পরিকল্পনায় (এসটিপি) ঢাকা মহানগরী ও এর আশেপাশের ছয়টি জেলা— ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, গাজীপুর ও নরসিংদীকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। সেই প্রাথমিক পরিকল্পনায় সাইনবোর্ড, ভূঁইগড়, জালকুড়ি, শিবু মার্কেট এবং চাষাঢ়া হয়ে নারায়ণগঞ্জ বাস টার্মিনাল পর্যন্ত এমআরটি লাইন চালুর বিষয়টি অত্যন্ত সময়োপযোগী ও বাস্তবসম্মত হিসেবে বিবেচিত হয়েছিল। তবে পরবর্তীতে রুট পুনর্নির্ধারণের সময় নারায়ণগঞ্জ শহরকে বাদ দেওয়া হয়, যা স্থানীয় অধিবাসীদের মাঝে চরম হতাশার সৃষ্টি করেছে। নারায়ণগঞ্জবাসীকে মেট্রোরেলের কাঙ্ক্ষিত সুবিধা থেকে বঞ্চিত না করার লক্ষ্যেই এই নতুন চিঠি দেওয়া হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে সংসদ সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া জানান, দেশের উন্নয়ন ও জনগণের সার্বিক সুবিধাই তাদের মূল অগ্রাধিকার। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দ্রুতই প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জকে পুনরায় মেট্রোরেলের রুট ম্যাপে অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হবে। মেট্রোরেল যুক্ত হলে ঢাকার সঙ্গে শিল্পনগরী নারায়ণগঞ্জের যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে বলে মনে করছেন নগর পরিকল্পনাবিদেরা।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি বিধি অনুযায়ী খতিয়ে দেখে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিবের কাছে নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে। গত ৩০ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এই সংক্রান্ত চিঠিটি সংশ্লিষ্ট বিভাগে পাঠানো হয়।
এমপি মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়ার পাঠানো আবেদনে উল্লেখ করা হয়, ঢাকা থেকে নারায়ণগঞ্জ পর্যন্ত এমআরটি লাইন সম্প্রসারণ করা হলে এই অঞ্চলের দীর্ঘদিনের যানজট নিরসন হবে। একই সঙ্গে এর ফলে স্থানীয় পর্যটনশিল্পের বিকাশ ঘটবে, পরিবেশবান্ধব শিল্পের ব্যাপক বিস্তার হবে এবং নতুন করে বিদেশি বিনিয়োগের উজ্জ্বল সুযোগ সৃষ্টি হবে।
পূর্বে প্রণীত মেট্রোরেলের সমন্বিত নগর পরিবহন পরিকল্পনায় (এসটিপি) ঢাকা মহানগরী ও এর আশেপাশের ছয়টি জেলা— ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, গাজীপুর ও নরসিংদীকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। সেই প্রাথমিক পরিকল্পনায় সাইনবোর্ড, ভূঁইগড়, জালকুড়ি, শিবু মার্কেট এবং চাষাঢ়া হয়ে নারায়ণগঞ্জ বাস টার্মিনাল পর্যন্ত এমআরটি লাইন চালুর বিষয়টি অত্যন্ত সময়োপযোগী ও বাস্তবসম্মত হিসেবে বিবেচিত হয়েছিল। তবে পরবর্তীতে রুট পুনর্নির্ধারণের সময় নারায়ণগঞ্জ শহরকে বাদ দেওয়া হয়, যা স্থানীয় অধিবাসীদের মাঝে চরম হতাশার সৃষ্টি করেছে। নারায়ণগঞ্জবাসীকে মেট্রোরেলের কাঙ্ক্ষিত সুবিধা থেকে বঞ্চিত না করার লক্ষ্যেই এই নতুন চিঠি দেওয়া হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে সংসদ সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া জানান, দেশের উন্নয়ন ও জনগণের সার্বিক সুবিধাই তাদের মূল অগ্রাধিকার। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দ্রুতই প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জকে পুনরায় মেট্রোরেলের রুট ম্যাপে অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হবে। মেট্রোরেল যুক্ত হলে ঢাকার সঙ্গে শিল্পনগরী নারায়ণগঞ্জের যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে বলে মনে করছেন নগর পরিকল্পনাবিদেরা।

0 Comments