
ভোলার মনপুরায় মেঘনা নদীতে ধরা পড়েছে প্রায় দুই কেজি ওজনের এক বিশালাকার ‘রাজা ইলিশ’। ভরা মৌসুমেও যেখানে ইলিশের খরা চলছে, সেখানে এমন একটি বড় ইলিশ ধরা পড়ার খবরে নদীঘাটজুড়ে ব্যাপক উদ্দীপনা ছড়িয়ে পড়ে। সোমবার দুপুরে উপজেলার রামনেওয়াজ মৎস্যঘাটে প্রকাশ্য নিলামে মাছটি সাড়ে আট হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।
জানা গেছে, সোমবার সকালে স্থানীয় জেলে কিরণ মাঝি মেঘনা নদীতে জাল ফেললে অন্যান্য ছোট ইলিশের সঙ্গে এই বিশাল আকৃতির ইলিশটি ধরা পড়ে। পরবর্তীতে তিনি মাছটি বিক্রির জন্য রামনেওয়াজ ঘাটে উপজেলা বিএনপির সভাপতি বাচ্চু চৌধুরীর মৎস্য আড়তে নিয়ে আসেন। বড় এই ইলিশটি দেখতে আড়তে মুহূর্তেই উৎসুক জনতা ভিড় জমায়। পরে উন্মুক্ত নিলামে অংশ নিয়ে স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী মো. ফিরোজ ৮ হাজার ৫০০ টাকায় মাছটি কিনে নেন। ব্যবসায়ী ফিরোজ জানান, ইলিশটি অধিক দামে বিক্রির আশায় ঢাকার কারওয়ান বাজারে পাঠানো হবে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে ভোলার নদ-নদী কিংবা সাগরে কাঙ্ক্ষিত ইলিশের দেখা মিলছে না। বড় সাইজের ইলিশ তো রীতিমতো বিরল হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে ঘাটে হঠাৎ এমন রাজা ইলিশের আগমন ঘটলে বেশ হইচই পড়ে যায়। রামনেওয়াজ ঘাটের বাসিন্দা লোকমান হোসেন বলেন, "ভরা মৌসুমে ইলিশ নেই বললেই চলে, আর দামও সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। তাই এত বড় ইলিশ দেখে চোখের তৃষ্ণা মেটাতে অনেকেই ভিড় করেছিলেন।" উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবারও এই ঘাটে সমপরিমাণ ওজনের একটি ইলিশ ৯ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছিল।
মনপুরা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখে জানান, ইলিশের ভরা মৌসুমে সব সময় সমান মাছ পাওয়া যায় না। তবে নদীতে এমন বড় ইলিশের উপস্থিতি শুভ লক্ষণ। সামনের দিনগুলোতে বৃষ্টিপাত বাড়লে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ ধরা পড়বে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। অন্যদিকে, ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইন জানান, সব ইলিশ সমানভাবে বড় হওয়ার সুযোগ পায় না। প্রতিকূলতা এড়িয়ে যেসব মাছ উপযুক্ত পরিবেশ ও পর্যাপ্ত সময় পায়, সেগুলোই আকারে এমন বড় হয়ে ওঠে।
জানা গেছে, সোমবার সকালে স্থানীয় জেলে কিরণ মাঝি মেঘনা নদীতে জাল ফেললে অন্যান্য ছোট ইলিশের সঙ্গে এই বিশাল আকৃতির ইলিশটি ধরা পড়ে। পরবর্তীতে তিনি মাছটি বিক্রির জন্য রামনেওয়াজ ঘাটে উপজেলা বিএনপির সভাপতি বাচ্চু চৌধুরীর মৎস্য আড়তে নিয়ে আসেন। বড় এই ইলিশটি দেখতে আড়তে মুহূর্তেই উৎসুক জনতা ভিড় জমায়। পরে উন্মুক্ত নিলামে অংশ নিয়ে স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী মো. ফিরোজ ৮ হাজার ৫০০ টাকায় মাছটি কিনে নেন। ব্যবসায়ী ফিরোজ জানান, ইলিশটি অধিক দামে বিক্রির আশায় ঢাকার কারওয়ান বাজারে পাঠানো হবে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে ভোলার নদ-নদী কিংবা সাগরে কাঙ্ক্ষিত ইলিশের দেখা মিলছে না। বড় সাইজের ইলিশ তো রীতিমতো বিরল হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে ঘাটে হঠাৎ এমন রাজা ইলিশের আগমন ঘটলে বেশ হইচই পড়ে যায়। রামনেওয়াজ ঘাটের বাসিন্দা লোকমান হোসেন বলেন, "ভরা মৌসুমে ইলিশ নেই বললেই চলে, আর দামও সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। তাই এত বড় ইলিশ দেখে চোখের তৃষ্ণা মেটাতে অনেকেই ভিড় করেছিলেন।" উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবারও এই ঘাটে সমপরিমাণ ওজনের একটি ইলিশ ৯ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছিল।
মনপুরা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখে জানান, ইলিশের ভরা মৌসুমে সব সময় সমান মাছ পাওয়া যায় না। তবে নদীতে এমন বড় ইলিশের উপস্থিতি শুভ লক্ষণ। সামনের দিনগুলোতে বৃষ্টিপাত বাড়লে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ ধরা পড়বে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। অন্যদিকে, ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইন জানান, সব ইলিশ সমানভাবে বড় হওয়ার সুযোগ পায় না। প্রতিকূলতা এড়িয়ে যেসব মাছ উপযুক্ত পরিবেশ ও পর্যাপ্ত সময় পায়, সেগুলোই আকারে এমন বড় হয়ে ওঠে।

0 Comments