
গত মৌসুমে দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে প্রিমিয়ার লিগে তৃতীয় স্থান অর্জন করার মাধ্যমে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগে নিজেদের জায়গা নিশ্চিত করেছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসন ২০১৩ সালে বিদায় নেওয়ার পর ওল্ড ট্র্যাফোর্ডের ক্লাবটি সাবেক ঐতিহ্য বজায় রাখতে বেশ হিমশিম খেয়েছে। তবে সম্প্রতি কোচ মাইকেল ক্যারিকের হাত ধরে যে বিস্ময়কর প্রত্যাবর্তন ঘটেছে, তা ক্লাব ভক্তদের মনে আবারও লিগ শিরোপা জয়ের আশা জাগিয়ে তুলেছে। নতুন ২০২৬-২৭ প্রিমিয়ার লিগ মৌসুম শুরু হওয়ার আগে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা ৫টি প্রধান প্রশ্ন তুলে ধরা হলো:
১. ক্যারিকের অধীনে শিরোপার দৌড়ে কতটা এগিয়ে রেড ডেভিলরা?: রুবেন আমোরিমের বিদায়ের পর গত মৌসুমের মাঝামাঝি সময়ে ক্লাবের দায়িত্ব নেন মাইকেল ক্যারিক। তার আসার আগে রিলিগেশন জোনের শঙ্কায় থাকা ইউনাইটেড পরবর্তী সময়ে প্রিমিয়ার লিগে সর্বোচ্চ ৩৯ পয়েন্ট সংগ্রহ করে তাক লাগিয়ে দেয়। তলানির জায়গা থেকে রূপকথার মতো শীর্ষ তিনে মৌসুম শেষ করার পর, ক্যারিক কি এবার ম্যানচেস্টারকে ফার্গুসন-পরবর্তী যুগের প্রথম লিগ ট্রফি উপহার দিতে পারবেন?
২. কাসেমিরোর উত্তরসূরি কে হতে যাচ্ছেন?: মাঝমাঠের প্রধান ভরসা কাসেমিরো ইন্টার মায়ামিতে যোগ দেওয়ায় বড় ধরনের শূন্যতা তৈরি হয়েছে। এই ঘাটতি পূরণে চেলসি থেকে ৮৫ মিলিয়ন পাউন্ডে তরুণ ব্রাজিলিয়ান অনদ্রে সান্তোস এবং অ্যাস্টন ভিলা থেকে ইউরি তিলেমানসকে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে এনেছে ইউনাইটেড। অ্যাকাডেমির রত্ন কোবি মাইনুর পাশাপাশি তারা এই পজিশনে কতটা প্রভাব ফেলতে পারবেন, তা দেখার বিষয়।
৩. আক্রমণভাগের মূল ভরসা কে হবেন?: ইউনাইটেডের উইং পজিশনে অপশনের অভাব নেই। বার্সেলোনায় লোনের মেয়াদ শেষ করে ফেরেন মার্কাস র্যাশফোর্ড, এছাড়া আছেন ম্যাথিয়াস কুনহা, ব্রায়ান এম্বিউমো ও আমাদ দিয়ালো। তবে সেন্টার-ফরওয়ার্ড পজিশনে মূল স্ট্রাইকার হিসেবে সেস্কোর ওপর অনেক বেশি নির্ভর করতে হবে ক্লাবটিকে। গত মৌসুমে সাড়ে ৭৬ মিলিয়ন ইউরো দিয়ে কেনা স্লোভেনিয়ার ২৩ বছর বয়সী স্ট্রাইকার বেঞ্জামিন সেস্কোই দলের প্রধান গোলদাতা।
৪. অধিনায়ক ব্রুনো ফার্নান্দেস কি ক্লাবেই থাকছেন?: ৩১ বছর বয়সী পর্তুগিজ প্লে-মেকার ব্রুনো ফার্নান্দেসের ওপর দীর্ঘ দিন ধরে নজর রাখছে সৌদি প্রিমিয়ার লিগ ও তুর্কি লিগের দলগুলো। পাশাপাশি ইউভেন্টাস ও এসি মিলানের মতো জায়ান্টরাও তাকে নেওয়ার দৌড়ে রয়েছে। তবে ক্লাবের নতুন মালিকপক্ষ নিশ্চিত করেছে, গত মৌসুমে সর্বোচ্চ ২১টি অ্যাসিস্ট করা এই অধিনায়ককে কোনো অবস্থাতেই বিক্রি করা হবে না।
৫. দলবদলের বাজারে আর কোন সারপ্রাইজ আসছে?: ক্যারিক স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, বড় শিরোপা জিততে হলে স্কোয়াডে আরও নতুন শক্তি দরকার। ব্রাইটনের ২৩ বছর বয়সী মিডফিল্ডার কার্লোস বালেবার দিকে চোখ রয়েছে ইউনাইটেডের, যদিও তার ১০ কোটি পাউন্ডের প্রাইস ট্যাগ প্রধান বাধা। এর পাশাপাশি লেফট-ব্যাক পজিশনে লুক শর বিকল্প হিসেবে লাইপজিগের ডেভিড রাউম কিংবা নিউক্যাসেলের লুইস হলকে আনার গুঞ্জন রয়েছে।
সব মিলিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগে ফেরার পর নতুন মৌসুমে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে বইছে পরিবর্তনের হাওয়া। অন্তত আরও একটি বড় সাইনিং এবং মাঠের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারলে ক্যারিকের শিষ্যরা প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা লড়াইয়ে ম্যানচেস্টার সিটির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠতে পারে।
১. ক্যারিকের অধীনে শিরোপার দৌড়ে কতটা এগিয়ে রেড ডেভিলরা?: রুবেন আমোরিমের বিদায়ের পর গত মৌসুমের মাঝামাঝি সময়ে ক্লাবের দায়িত্ব নেন মাইকেল ক্যারিক। তার আসার আগে রিলিগেশন জোনের শঙ্কায় থাকা ইউনাইটেড পরবর্তী সময়ে প্রিমিয়ার লিগে সর্বোচ্চ ৩৯ পয়েন্ট সংগ্রহ করে তাক লাগিয়ে দেয়। তলানির জায়গা থেকে রূপকথার মতো শীর্ষ তিনে মৌসুম শেষ করার পর, ক্যারিক কি এবার ম্যানচেস্টারকে ফার্গুসন-পরবর্তী যুগের প্রথম লিগ ট্রফি উপহার দিতে পারবেন?
২. কাসেমিরোর উত্তরসূরি কে হতে যাচ্ছেন?: মাঝমাঠের প্রধান ভরসা কাসেমিরো ইন্টার মায়ামিতে যোগ দেওয়ায় বড় ধরনের শূন্যতা তৈরি হয়েছে। এই ঘাটতি পূরণে চেলসি থেকে ৮৫ মিলিয়ন পাউন্ডে তরুণ ব্রাজিলিয়ান অনদ্রে সান্তোস এবং অ্যাস্টন ভিলা থেকে ইউরি তিলেমানসকে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে এনেছে ইউনাইটেড। অ্যাকাডেমির রত্ন কোবি মাইনুর পাশাপাশি তারা এই পজিশনে কতটা প্রভাব ফেলতে পারবেন, তা দেখার বিষয়।
৩. আক্রমণভাগের মূল ভরসা কে হবেন?: ইউনাইটেডের উইং পজিশনে অপশনের অভাব নেই। বার্সেলোনায় লোনের মেয়াদ শেষ করে ফেরেন মার্কাস র্যাশফোর্ড, এছাড়া আছেন ম্যাথিয়াস কুনহা, ব্রায়ান এম্বিউমো ও আমাদ দিয়ালো। তবে সেন্টার-ফরওয়ার্ড পজিশনে মূল স্ট্রাইকার হিসেবে সেস্কোর ওপর অনেক বেশি নির্ভর করতে হবে ক্লাবটিকে। গত মৌসুমে সাড়ে ৭৬ মিলিয়ন ইউরো দিয়ে কেনা স্লোভেনিয়ার ২৩ বছর বয়সী স্ট্রাইকার বেঞ্জামিন সেস্কোই দলের প্রধান গোলদাতা।
৪. অধিনায়ক ব্রুনো ফার্নান্দেস কি ক্লাবেই থাকছেন?: ৩১ বছর বয়সী পর্তুগিজ প্লে-মেকার ব্রুনো ফার্নান্দেসের ওপর দীর্ঘ দিন ধরে নজর রাখছে সৌদি প্রিমিয়ার লিগ ও তুর্কি লিগের দলগুলো। পাশাপাশি ইউভেন্টাস ও এসি মিলানের মতো জায়ান্টরাও তাকে নেওয়ার দৌড়ে রয়েছে। তবে ক্লাবের নতুন মালিকপক্ষ নিশ্চিত করেছে, গত মৌসুমে সর্বোচ্চ ২১টি অ্যাসিস্ট করা এই অধিনায়ককে কোনো অবস্থাতেই বিক্রি করা হবে না।
৫. দলবদলের বাজারে আর কোন সারপ্রাইজ আসছে?: ক্যারিক স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, বড় শিরোপা জিততে হলে স্কোয়াডে আরও নতুন শক্তি দরকার। ব্রাইটনের ২৩ বছর বয়সী মিডফিল্ডার কার্লোস বালেবার দিকে চোখ রয়েছে ইউনাইটেডের, যদিও তার ১০ কোটি পাউন্ডের প্রাইস ট্যাগ প্রধান বাধা। এর পাশাপাশি লেফট-ব্যাক পজিশনে লুক শর বিকল্প হিসেবে লাইপজিগের ডেভিড রাউম কিংবা নিউক্যাসেলের লুইস হলকে আনার গুঞ্জন রয়েছে।
সব মিলিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগে ফেরার পর নতুন মৌসুমে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে বইছে পরিবর্তনের হাওয়া। অন্তত আরও একটি বড় সাইনিং এবং মাঠের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারলে ক্যারিকের শিষ্যরা প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা লড়াইয়ে ম্যানচেস্টার সিটির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠতে পারে।

0 Comments