
যুক্তরাষ্ট্রে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের বিতর্কিত অভিবাসনবিরোধী অভিযানের সময় এক ব্যক্তিকে গুলি করে আহত করার অভিযোগে অভিযুক্ত সাবেক এক আইস (ICE) এজেন্টের প্রত্যর্পণকে কেন্দ্র করে দুই অঙ্গরাজ্যের মধ্যে আইনি লড়াই চরমে উঠেছে। অভিযুক্ত এজেন্ট ক্রিশ্চিয়ান কাস্ত্রোকে বিচারের মুখোমুখি করতে টেক্সাসের গভর্নর গ্রেগ অ্যাবটের বিরুদ্ধে সরাসরি মামলা করেছেন মিনেসোটার অ্যাটর্নি জেনারেল কিথ এলিসন।
মঙ্গলবার দায়ের করা মামলায় মিনেসোটার অ্যাটর্নি জেনারেল দাবি করেন, টেক্সাসের গভর্নর অ্যাবট তার সাংবিধানিক ও বাধ্যতামূলক দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন। ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইস) এজেন্ট ক্রিশ্চিয়ান কাস্ত্রোকে মিনেসোটা কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দিতে তিনি অন্যায়ভাবে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এলিসন বলেন, "গভর্নর অ্যাবট প্রায় তিন মাস ধরে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা আটকে রেখে কাস্ত্রোর প্রত্যর্পণ বিলম্বিত করছেন। এটি অস্বীকার করার কোনো সুযোগ তাঁর নেই।"
একই সঙ্গে মিনেসোটার অ্যাটর্নি জেনারেল টেক্সাসের সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্ট আদালতে আবেদন জানিয়েছেন, যাতে ক্যামেরন কাউন্টির শেরিফ কোনোভাবেই কাস্ত্রোকে জেল থেকে মুক্তি না দেন। এলিসন আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক সহযোগী অ্যাবট কাস্ত্রোকে প্রত্যর্পণ না করে জামিনে মুক্তি দেওয়ার পথ প্রশস্ত করছেন। কাস্ত্রোর সঙ্গে মেক্সিকোর যোগাযোগ থাকায় তিনি সীমান্ত পেরিয়ে পালিয়ে যেতে পারেন বলে সতর্ক করেছেন মিনেসোটার কর্মকর্তারা। টেক্সাসের আইন অনুযায়ী, ৯০ দিনের মধ্যে প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হলে অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হতে পারে।
ঘটনার সূত্রপাত গত ১৪ জানুয়ারি মিনিয়াপোলিসে। সেখানে বসবাসকারী ভেনিজুয়েলার নাগরিক হুলিও সিজার সোসা-সেলিসের ঘরের দরজায় গুলি চালান কাস্ত্রো, যা সোসা-সেলিসের পায়ে লাগে। শুরুতে ট্রাম্প প্রশাসন দাবি করেছিল, অভিবাসন কর্মকর্তাদের ওপর ঝাড়ু ও বরফ সরানোর বেলচা নিয়ে আক্রমণ চালানো হলে আত্মরক্ষার্থেই তারা গুলি চালান। তৎকালীন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারি ক্রিস্টি নোয়েম এটিকে আইস কর্মকর্তার ওপর "হত্যার চেষ্টা" বলে আখ্যা দিয়েছিলেন।
তবে পরবর্তীতে সিসিটিভি ফুটেজ ও ভিডিও প্রমাণ সামানে এলে আইস কর্মকর্তাদের মিথ্যাচার ধরা পড়ে। ভিডিওতে স্পষ্ট দেখা যায় কাস্ত্রো ও তাঁর সহকর্মী মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছিলেন। এরপর ফেব্রুয়ারিতে সোসা-সেলিসের বিরুদ্ধে আনা সমস্ত মনগড়া অভিযোগ তুলে নেয় প্রসিকিউটররা। গত মে মাসে মিনেসোটার হেনিপিন কাউন্টি অ্যাটর্নি দপ্তর কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে চার দফা মারাত্মক হামলা ও মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগ আনে। এরপর ২৯ মে টেক্সাস থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ট্রাম্পের আমলে মিনিয়াপোলিসে চালানো 'অপারেশন মেট্রো সার্জ' নামের ওই বিতর্কিত অভিযানের মূল অংশ ছিল কাস্ত্রোর এই ঘটনা। ওই সময় পরোয়ানা ছাড়া তল্লাশি এবং বিক্ষোভকারীদের ওপর মাত্রাতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগ উঠেছিল, যেখানে দুই মার্কিন নাগরিকও প্রাণ হারিয়েছিলেন। এবার টেক্সাসের বিরুদ্ধে এই মামলার মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন কর্মকর্তাদের স্বেচ্ছাচারিতা ও বিচারে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের বিষয়টি নতুন করে সামনে এলো।
মঙ্গলবার দায়ের করা মামলায় মিনেসোটার অ্যাটর্নি জেনারেল দাবি করেন, টেক্সাসের গভর্নর অ্যাবট তার সাংবিধানিক ও বাধ্যতামূলক দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন। ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইস) এজেন্ট ক্রিশ্চিয়ান কাস্ত্রোকে মিনেসোটা কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দিতে তিনি অন্যায়ভাবে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এলিসন বলেন, "গভর্নর অ্যাবট প্রায় তিন মাস ধরে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা আটকে রেখে কাস্ত্রোর প্রত্যর্পণ বিলম্বিত করছেন। এটি অস্বীকার করার কোনো সুযোগ তাঁর নেই।"
একই সঙ্গে মিনেসোটার অ্যাটর্নি জেনারেল টেক্সাসের সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্ট আদালতে আবেদন জানিয়েছেন, যাতে ক্যামেরন কাউন্টির শেরিফ কোনোভাবেই কাস্ত্রোকে জেল থেকে মুক্তি না দেন। এলিসন আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক সহযোগী অ্যাবট কাস্ত্রোকে প্রত্যর্পণ না করে জামিনে মুক্তি দেওয়ার পথ প্রশস্ত করছেন। কাস্ত্রোর সঙ্গে মেক্সিকোর যোগাযোগ থাকায় তিনি সীমান্ত পেরিয়ে পালিয়ে যেতে পারেন বলে সতর্ক করেছেন মিনেসোটার কর্মকর্তারা। টেক্সাসের আইন অনুযায়ী, ৯০ দিনের মধ্যে প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হলে অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হতে পারে।
ঘটনার সূত্রপাত গত ১৪ জানুয়ারি মিনিয়াপোলিসে। সেখানে বসবাসকারী ভেনিজুয়েলার নাগরিক হুলিও সিজার সোসা-সেলিসের ঘরের দরজায় গুলি চালান কাস্ত্রো, যা সোসা-সেলিসের পায়ে লাগে। শুরুতে ট্রাম্প প্রশাসন দাবি করেছিল, অভিবাসন কর্মকর্তাদের ওপর ঝাড়ু ও বরফ সরানোর বেলচা নিয়ে আক্রমণ চালানো হলে আত্মরক্ষার্থেই তারা গুলি চালান। তৎকালীন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারি ক্রিস্টি নোয়েম এটিকে আইস কর্মকর্তার ওপর "হত্যার চেষ্টা" বলে আখ্যা দিয়েছিলেন।
তবে পরবর্তীতে সিসিটিভি ফুটেজ ও ভিডিও প্রমাণ সামানে এলে আইস কর্মকর্তাদের মিথ্যাচার ধরা পড়ে। ভিডিওতে স্পষ্ট দেখা যায় কাস্ত্রো ও তাঁর সহকর্মী মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছিলেন। এরপর ফেব্রুয়ারিতে সোসা-সেলিসের বিরুদ্ধে আনা সমস্ত মনগড়া অভিযোগ তুলে নেয় প্রসিকিউটররা। গত মে মাসে মিনেসোটার হেনিপিন কাউন্টি অ্যাটর্নি দপ্তর কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে চার দফা মারাত্মক হামলা ও মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগ আনে। এরপর ২৯ মে টেক্সাস থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ট্রাম্পের আমলে মিনিয়াপোলিসে চালানো 'অপারেশন মেট্রো সার্জ' নামের ওই বিতর্কিত অভিযানের মূল অংশ ছিল কাস্ত্রোর এই ঘটনা। ওই সময় পরোয়ানা ছাড়া তল্লাশি এবং বিক্ষোভকারীদের ওপর মাত্রাতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগ উঠেছিল, যেখানে দুই মার্কিন নাগরিকও প্রাণ হারিয়েছিলেন। এবার টেক্সাসের বিরুদ্ধে এই মামলার মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন কর্মকর্তাদের স্বেচ্ছাচারিতা ও বিচারে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের বিষয়টি নতুন করে সামনে এলো।

0 Comments