
ভুক্তভোগী ছাত্রের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, মাদ্রাসার আবাসিক ভবনে শিক্ষক মাঞ্জুল হাসান ও ওই ছাত্র পাশাপাশি কক্ষে থাকতেন। ১৫ জুলাই রাত আড়াইটার দিকে ওই ছাত্র নিজ কক্ষে ঘুমিয়ে ছিল। এ সময় শিক্ষক নিজে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বলে কৌশলে ওই ছাত্রকে নিজ কক্ষে ডেকে নেন। সেখানে যাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই তাকে ধর্ষণ করা হয়। এ ঘটনা কাউকে জানালে ওই শিক্ষার্থীকে মেরে ফেলার হুমকি দেন শিক্ষক মাঞ্জুল।
পুলিশ আরও জানায়, ওই শিক্ষক ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে আবারও ধর্ষণের সুযোগ খুঁজতে থাকেন। নানাভাবে নির্যাতন করতে থাকেন। লজ্জা ও নির্যাতন সইতে না পেরে গত বৃহস্পতিবার বিকেলে মাদ্রাসার একটি কক্ষে আত্মহত্যার চেষ্টা করে ওই শিক্ষার্থী। বিষয়টি মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ তাঁর অভিভাবককে জানায়। খবর পেয়ে অভিভাবকেরা এলে তাঁরা ছেলের কাছ থেকে ধর্ষণের ঘটনা জানতে পারেন।
ওই শিক্ষার্থীর মা জানান, ঘটনার পর তাঁর ছেলে চরম লজ্জা, নিরাপত্তাহীনতা আর মানসিক অশান্তির মধ্যে দিন কাটিয়েছে। শিক্ষকের মেরে ফেলার হুমকি এবং লজ্জার কারণে ঘটনাটি তাঁর ছেলে গোপন রেখেছিল। কিন্তু ওই শিক্ষক আবারও একই ঘটনা ঘটাতে নানাভাবে নির্যাতন শুরু করেন। অতিষ্ঠ হয়ে সে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে।
শিক্ষার্থীর মা বলেন, ‘আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছার পর ছেলে আমাদের কাছে পুরো ঘটনাটি কেঁদে কেঁদে বলেছে। শিক্ষকেরা এমন চরিত্রহীন হলে আমরা আমাদের সন্তানদের কীভাবে লেখাপড়া করাব?’
পুলিশ আরও জানায়, ওই শিক্ষক ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে আবারও ধর্ষণের সুযোগ খুঁজতে থাকেন। নানাভাবে নির্যাতন করতে থাকেন। লজ্জা ও নির্যাতন সইতে না পেরে গত বৃহস্পতিবার বিকেলে মাদ্রাসার একটি কক্ষে আত্মহত্যার চেষ্টা করে ওই শিক্ষার্থী। বিষয়টি মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ তাঁর অভিভাবককে জানায়। খবর পেয়ে অভিভাবকেরা এলে তাঁরা ছেলের কাছ থেকে ধর্ষণের ঘটনা জানতে পারেন।
ওই শিক্ষার্থীর মা জানান, ঘটনার পর তাঁর ছেলে চরম লজ্জা, নিরাপত্তাহীনতা আর মানসিক অশান্তির মধ্যে দিন কাটিয়েছে। শিক্ষকের মেরে ফেলার হুমকি এবং লজ্জার কারণে ঘটনাটি তাঁর ছেলে গোপন রেখেছিল। কিন্তু ওই শিক্ষক আবারও একই ঘটনা ঘটাতে নানাভাবে নির্যাতন শুরু করেন। অতিষ্ঠ হয়ে সে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে।
শিক্ষার্থীর মা বলেন, ‘আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছার পর ছেলে আমাদের কাছে পুরো ঘটনাটি কেঁদে কেঁদে বলেছে। শিক্ষকেরা এমন চরিত্রহীন হলে আমরা আমাদের সন্তানদের কীভাবে লেখাপড়া করাব?’

0 Comments