
অধ্যুষিত পশ্চিম তীরে (West Bank) চরমপন্থী ইসরায়েলি বসতিস্থাপনকারীদের (Settlers) সহিংস তাণ্ডবে প্রাণ গেল আরও এক ফিলিস্তিনি কিশোরের। মধ্যপ্রাচ্যের চরম উত্তপ্ত এই পরিস্থিতির মধ্যে হেব্রন (Hebron) শহরের কাছে সংঘটিত এক বর্বরোচিত হামলায় ১৭ বছর বয়সী ওই কিশোর ঘটনাস্থলেই গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায়। এই ঘটনায় অপর এক ফিলিস্তিনি নাগরিক গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ওপর ধারাবাহিকভাবে চলা এই সশস্ত্র হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে জাতিসংঘ। আন্তর্জাতিক সংস্থাটি অবিলম্বে ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের সার্বিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে, এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত অপরাধীদের দ্রুত সনাক্ত করে আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় আনা এবং তাদের উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করার জোরালো দাবি উত্থাপন করা হয়েছে।
জাতিসংঘের দেওয়া তথ্য মতে, চলতি বছর অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতিস্থাপনকারীদের হিংসাত্মক তাণ্ডব আশঙ্কাজনক মাত্রায় বৃদ্ধি পেয়েছে। কেবল এই বছরই চরমপন্থী বসতিস্থাপনকারীদের সরাসরি হামলায় অন্তত ২২ জন ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন। স্থানীয় অধিবাসীদের দীর্ঘদিনের অভিযোগ, ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতিতেই এই বসতিস্থাপনকারীরা প্রায়ই তাদের ঘরবাড়ি, কৃষিজমি, জলপাইয়ের বাগান এবং যানবাহনে হামলা চালায় ও অগ্নিসংযোগ করে। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করতে দেখা যায়।
সাম্প্রতিক এই মৃত্যুর ঘটনার পর থেকে হেব্রন ও তার আশপাশের সমগ্র এলাকায় চরম উত্তেজনা ও থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। স্থানীয় ফিলিস্তিনিদের দাবি, মূলত বসতি সম্প্রসারণ এবং ফিলিস্তিনিদের তাদের নিজস্ব ভিটেমাটি থেকে পরিকল্পিতভাবে উচ্ছেদ করার লক্ষ্যেই প্রতিনিয়ত এমন হামলা চালানো হচ্ছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলো সতর্ক করে বলেছে যে, যদি এখনই এই সহিংসতা বন্ধ করা না হয়, তবে সমগ্র অঞ্চলে মানবিক সংকট আরও ঘনীভূত হবে। সাধারণ নাগরিকদের জীবন রক্ষায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ওপর ধারাবাহিকভাবে চলা এই সশস্ত্র হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে জাতিসংঘ। আন্তর্জাতিক সংস্থাটি অবিলম্বে ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের সার্বিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে, এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত অপরাধীদের দ্রুত সনাক্ত করে আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় আনা এবং তাদের উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করার জোরালো দাবি উত্থাপন করা হয়েছে।
জাতিসংঘের দেওয়া তথ্য মতে, চলতি বছর অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতিস্থাপনকারীদের হিংসাত্মক তাণ্ডব আশঙ্কাজনক মাত্রায় বৃদ্ধি পেয়েছে। কেবল এই বছরই চরমপন্থী বসতিস্থাপনকারীদের সরাসরি হামলায় অন্তত ২২ জন ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন। স্থানীয় অধিবাসীদের দীর্ঘদিনের অভিযোগ, ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতিতেই এই বসতিস্থাপনকারীরা প্রায়ই তাদের ঘরবাড়ি, কৃষিজমি, জলপাইয়ের বাগান এবং যানবাহনে হামলা চালায় ও অগ্নিসংযোগ করে। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করতে দেখা যায়।
সাম্প্রতিক এই মৃত্যুর ঘটনার পর থেকে হেব্রন ও তার আশপাশের সমগ্র এলাকায় চরম উত্তেজনা ও থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। স্থানীয় ফিলিস্তিনিদের দাবি, মূলত বসতি সম্প্রসারণ এবং ফিলিস্তিনিদের তাদের নিজস্ব ভিটেমাটি থেকে পরিকল্পিতভাবে উচ্ছেদ করার লক্ষ্যেই প্রতিনিয়ত এমন হামলা চালানো হচ্ছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলো সতর্ক করে বলেছে যে, যদি এখনই এই সহিংসতা বন্ধ করা না হয়, তবে সমগ্র অঞ্চলে মানবিক সংকট আরও ঘনীভূত হবে। সাধারণ নাগরিকদের জীবন রক্ষায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

0 Comments