
বিশ্ব অর্থনীতির শীর্ষ পরাশক্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এক অভূতপূর্ব আর্থিক সংকটের মুখোমুখি হয়েছে। ইতিহাসে প্রথমবারের মতো দেশটির জাতীয় ঋণের পরিমাণ ৪০ ট্রিলিয়ন (৪০ লাখ কোটি) মার্কিন ডলারের ঐতিহাসিক গণ্ডি পার করেছে। অতি দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি পাওয়া এই বিশাল ঋণের পাহাড় শেষ পর্যন্ত সাধারণ আমেরিকান নাগরিকদের ওপরই বড় চাপ সৃষ্টি করছে বলে সতর্ক করছেন অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক বিশেষ বিশ্লেষণে উঠে এসেছে কীভাবে যুক্তরাষ্ট্রের ঋণ এই বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছাল এবং কার কাছে আমেরিকা এই বিপুল অর্থের জন্য দায়বদ্ধ। অর্থনৈতিক পর্যালোচনায় দেখা যায়, বিগত কয়েক দশক ধরে মাত্রাতিরিক্ত সরকারি ব্যয়, কর ছাড়, রেকর্ড সামরিক বাজেট এবং মহামারিকালীন আর্থিক প্রণোদনা প্যাকেজের ফলে ওয়াশিংটনের ঋণের খাতা ক্রমেই ভারী হয়েছে।
কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, এই বিপুল অর্থ কার কাছে দেনা রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র? মার্কিন সরকারি ঋণের একটি বড় অংশ ট্রেজারি বন্ড আকারে আন্তর্জাতিক বাজারের কাছে দায়বদ্ধ—যার মধ্যে জাপান ও চীনের মতো দেশগুলো অন্যতম শীর্ষ ঋণদাতা। এ ছাড়া, যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক (ফেডারেল রিজার্ভ), দেশটির বিভিন্ন ঘরোয়া আর্থিক প্রতিষ্ঠান, পেনশন ফান্ড এবং সাধারণ আমেরিকান নাগরিকদের নিজস্ব সঞ্চয় বন্ডের মাধ্যমেও সরকার এই বিশাল অংকের ঋণ গ্রহণ করেছে।
সাধারণ জনগণের ওপর এই পাহাড়সম ঋণের প্রভাব অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী ও মারাত্মক। জাতীয় ঋণ বৃদ্ধির ফলে কেবল ঋণের সুদ মেটাতেই মার্কিন বাজেটের এক বিশাল অংশ চলে যাচ্ছে। ফলে শিক্ষা, জনস্বাস্থ্য ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের মতো মৌলিক খাতগুলোতে সরকারি বরাদ্দ কাটছাঁট হওয়ার প্রবল ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এর পাশাপাশি উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং ব্যাংক ঋণের অতিরিক্ত সুদহার সাধারণ আমেরিকানদের জীবনযাত্রার ব্যয় বহুগুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, অনিয়ন্ত্রিতভাবে এভাবে ঋণ বাড়তে থাকলে তা কেবল আমেরিকার অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিকেই ধসাবে না, বরং বৈশ্বিক বাজারেই বড় ধরনের বিপর্যয় ডেকে আনবে। ওয়াশিংটনের নীতি নির্ধারকরা যদি দ্রুত কোনো স্থায়ী অর্থনৈতিক সংস্কার নীতি গ্রহণ না করেন, তবে আগামী দিনে এই ঋণের চূড়ান্ত মাশুল গুনতে হবে সাধারণ জনগণ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক বিশেষ বিশ্লেষণে উঠে এসেছে কীভাবে যুক্তরাষ্ট্রের ঋণ এই বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছাল এবং কার কাছে আমেরিকা এই বিপুল অর্থের জন্য দায়বদ্ধ। অর্থনৈতিক পর্যালোচনায় দেখা যায়, বিগত কয়েক দশক ধরে মাত্রাতিরিক্ত সরকারি ব্যয়, কর ছাড়, রেকর্ড সামরিক বাজেট এবং মহামারিকালীন আর্থিক প্রণোদনা প্যাকেজের ফলে ওয়াশিংটনের ঋণের খাতা ক্রমেই ভারী হয়েছে।
কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, এই বিপুল অর্থ কার কাছে দেনা রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র? মার্কিন সরকারি ঋণের একটি বড় অংশ ট্রেজারি বন্ড আকারে আন্তর্জাতিক বাজারের কাছে দায়বদ্ধ—যার মধ্যে জাপান ও চীনের মতো দেশগুলো অন্যতম শীর্ষ ঋণদাতা। এ ছাড়া, যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক (ফেডারেল রিজার্ভ), দেশটির বিভিন্ন ঘরোয়া আর্থিক প্রতিষ্ঠান, পেনশন ফান্ড এবং সাধারণ আমেরিকান নাগরিকদের নিজস্ব সঞ্চয় বন্ডের মাধ্যমেও সরকার এই বিশাল অংকের ঋণ গ্রহণ করেছে।
সাধারণ জনগণের ওপর এই পাহাড়সম ঋণের প্রভাব অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী ও মারাত্মক। জাতীয় ঋণ বৃদ্ধির ফলে কেবল ঋণের সুদ মেটাতেই মার্কিন বাজেটের এক বিশাল অংশ চলে যাচ্ছে। ফলে শিক্ষা, জনস্বাস্থ্য ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের মতো মৌলিক খাতগুলোতে সরকারি বরাদ্দ কাটছাঁট হওয়ার প্রবল ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এর পাশাপাশি উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং ব্যাংক ঋণের অতিরিক্ত সুদহার সাধারণ আমেরিকানদের জীবনযাত্রার ব্যয় বহুগুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, অনিয়ন্ত্রিতভাবে এভাবে ঋণ বাড়তে থাকলে তা কেবল আমেরিকার অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিকেই ধসাবে না, বরং বৈশ্বিক বাজারেই বড় ধরনের বিপর্যয় ডেকে আনবে। ওয়াশিংটনের নীতি নির্ধারকরা যদি দ্রুত কোনো স্থায়ী অর্থনৈতিক সংস্কার নীতি গ্রহণ না করেন, তবে আগামী দিনে এই ঋণের চূড়ান্ত মাশুল গুনতে হবে সাধারণ জনগণ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে।

0 Comments