
গণপ্রজাতন্ত্রী কঙ্গোর (ডিআর কঙ্গো) পূর্বাঞ্চলে দেশটির সেনাবাহিনী এবং রুয়ান্ডা সমর্থিত 'এম২৩' (M23) বিদ্রোহীদের মধ্যকার চুক্তি পর্যবেক্ষণ ও যাচাই করতে একটি বিশেষ পর্যবেক্ষণ মিশন মোতায়েন করা হয়েছে। কাতার ও জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় বাস্তবায়িত যুদ্ধবিরতি কতদূর কার্যকর হচ্ছে, তা তদারকি করবে এই দলটি। সোমবার জাতিসংঘ ও স্থানীয় সরকারি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
জাতিসংঘ জানিয়েছে, পর্যবেক্ষণ দলটি দক্ষিণ কিভু প্রদেশের খনিজসমৃদ্ধ অঞ্চল 'মিনেম্বে'-তে পৌঁছেছে, যেখানে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে অত্যন্ত তীব্র লড়াই প্রত্যক্ষ করা গেছে। সুইজারল্যান্ড সরকারের উদ্যোগে আয়োজিত রুদ্ধদ্বার বৈঠকে কঙ্গো সরকার এবং এম২৩ বিদ্রোহীরা শান্তি আলোচনার একটি রূপরেখায় সম্মত হয়। এর ভিত্তিতেই দোহায় স্বাক্ষরিত যুদ্ধবিরতি চুক্তির সামরিক লঙ্ঘন পর্যবেক্ষণ করতে এই যৌথ মিশনটি গঠিত হয়।
কঙ্গো সরকার ও এম২৩ প্রতিনিধি ছাড়াও ‘গ্রেট লেকস অঞ্চলের আন্তর্জাতিক সম্মেলন’ (ICGLR)-এর পর্যবেক্ষকদের নিয়ে এই মিশনটি গঠিত হয়েছে। কঙ্গোয় অবস্থানরত জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন (MONUSCO) প্রতিনিধি দলটিকে প্রয়োজনীয় লজিস্টিক ও পরিবহন সহায়তা প্রদান করছে। মিশনটি পর্যবেক্ষণ কাজের অংশ হিসেবে উভিরা এবং সম্প্রতি নতুন করে সংঘাত ছড়ানো 'কালেহে' অঞ্চল সফর করবে।
প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশগুলোতে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠায় দীর্ঘদিন ধরে বেশ কয়েকটি সশস্ত্র গোষ্ঠী লড়াই চালিয়ে আসছে। বিশেষ করে 'অ্যালায়েন্স ফ্লুভ কঙ্গো' (AFC) এবং এম২৩ গত বছর উত্তর কিভুর রাজধানী গোমার দিকে অগ্রসর হয়ে ব্যাপক এলাকা দখল করে নেয়। পরবর্তীতে কাতার ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় শান্তি চুক্তি করা হলেও বাস্তবে রক্তক্ষয় বন্ধ হয়নি।
কঙ্গোর প্রেসিডেন্ট ফেলিক্স শিসেকেদি এবং রুয়ান্ডার প্রেসিডেন্ট পল কাগামে সংকট নিরসনে ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষর করার পরও পাল্টাপাল্টি হামলা ও যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটছে। কঙ্গো সরকার এম২৩-এর বিরুদ্ধে জুন ও জুলাই মাসে তিন শতাধিক সাধারণ মানুষকে হত্যার অভিযোগ এনেছে। অন্যদিকে এম২৩ এই অভিযোগ অস্বীকার করে পাল্টা দাবি করেছে যে, সরকারি বাহিনীই মিনেম্বের কাছের একটি গ্রামে ভারী কামানের গোলা বর্ষণ করে প্রাণঘাতী হামলা চালিয়েছে।
জাতিসংঘ জানিয়েছে, পর্যবেক্ষণ দলটি দক্ষিণ কিভু প্রদেশের খনিজসমৃদ্ধ অঞ্চল 'মিনেম্বে'-তে পৌঁছেছে, যেখানে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে অত্যন্ত তীব্র লড়াই প্রত্যক্ষ করা গেছে। সুইজারল্যান্ড সরকারের উদ্যোগে আয়োজিত রুদ্ধদ্বার বৈঠকে কঙ্গো সরকার এবং এম২৩ বিদ্রোহীরা শান্তি আলোচনার একটি রূপরেখায় সম্মত হয়। এর ভিত্তিতেই দোহায় স্বাক্ষরিত যুদ্ধবিরতি চুক্তির সামরিক লঙ্ঘন পর্যবেক্ষণ করতে এই যৌথ মিশনটি গঠিত হয়।
কঙ্গো সরকার ও এম২৩ প্রতিনিধি ছাড়াও ‘গ্রেট লেকস অঞ্চলের আন্তর্জাতিক সম্মেলন’ (ICGLR)-এর পর্যবেক্ষকদের নিয়ে এই মিশনটি গঠিত হয়েছে। কঙ্গোয় অবস্থানরত জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন (MONUSCO) প্রতিনিধি দলটিকে প্রয়োজনীয় লজিস্টিক ও পরিবহন সহায়তা প্রদান করছে। মিশনটি পর্যবেক্ষণ কাজের অংশ হিসেবে উভিরা এবং সম্প্রতি নতুন করে সংঘাত ছড়ানো 'কালেহে' অঞ্চল সফর করবে।
প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশগুলোতে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠায় দীর্ঘদিন ধরে বেশ কয়েকটি সশস্ত্র গোষ্ঠী লড়াই চালিয়ে আসছে। বিশেষ করে 'অ্যালায়েন্স ফ্লুভ কঙ্গো' (AFC) এবং এম২৩ গত বছর উত্তর কিভুর রাজধানী গোমার দিকে অগ্রসর হয়ে ব্যাপক এলাকা দখল করে নেয়। পরবর্তীতে কাতার ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় শান্তি চুক্তি করা হলেও বাস্তবে রক্তক্ষয় বন্ধ হয়নি।
কঙ্গোর প্রেসিডেন্ট ফেলিক্স শিসেকেদি এবং রুয়ান্ডার প্রেসিডেন্ট পল কাগামে সংকট নিরসনে ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষর করার পরও পাল্টাপাল্টি হামলা ও যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটছে। কঙ্গো সরকার এম২৩-এর বিরুদ্ধে জুন ও জুলাই মাসে তিন শতাধিক সাধারণ মানুষকে হত্যার অভিযোগ এনেছে। অন্যদিকে এম২৩ এই অভিযোগ অস্বীকার করে পাল্টা দাবি করেছে যে, সরকারি বাহিনীই মিনেম্বের কাছের একটি গ্রামে ভারী কামানের গোলা বর্ষণ করে প্রাণঘাতী হামলা চালিয়েছে।

0 Comments