
একবিংশ শতাব্দীর প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বে ডেটা সায়েন্স কেবল একটি পেশা নয়, বলা হয় এটি ভবিষ্যতের সব পরিবর্তনের চাবিকাঠি। এই গুরুত্ব অনুধাবন করে জাপানের টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিখ্যাত মাতসুও-ইওয়াসাওয়া ল্যাবরেটরি চালু করেছে গ্লোবাল কনজিউমার ইন্টেলিজেন্স জিআইসি ওয়ার্ল্ড শীর্ষক একটি বিশেষায়িত প্রোগ্রাম।
জাইকার সহায়তায় পরিচালিত এই কোর্স ডেটা সায়েন্সের হাতেখড়ি থেকে শুরু করে মেশিন লার্নিং ও ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে প্রয়োগের মতো সব বিষয় শেখার সুযোগ দিচ্ছে। সবকিছু শেখার সুযোগ শিক্ষার্থীরা পাবেন বিনা মূল্যে। ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া তিন মাসব্যাপী এই প্রোগ্রামে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারবেন।
অনলাইন কোর্সে যা পড়ানো হবে—
কোর্সটির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর হাতে-কলমে শেখার সুযোগ। এখানে শিক্ষার্থীরা শুধু তত্ত্বীয় জ্ঞান নয়, পাশাপাশি বিভিন্ন কম্পিটিশন এবং বাস্তব ব্যবসায়িক প্রজেক্টে কাজ করার মাধ্যমে ইন্ডাস্ট্রি-রেডি দক্ষতা অর্জন করবেন। পাঠ্যক্রমে ডেটা সায়েন্সের ভূমিকা, সুপারভাইজড ও আনসুপারভাইজড লার্নিং, ফিচার ইঞ্জিনিয়ারিং, এসকিউএল এবং টাইম সিরিজ অ্যানালাইসিসসহ বিভিন্ন বিষয় শেখানো হবে। শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতির সুবিধার্থে পাইথন প্রোগ্রামিংয়ের ওপর বিশেষ সাপ্লিমেন্টারি সেশন এবং টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্টদের পক্ষ থেকে অনলাইন অফিস আওয়ারের ব্যবস্থা থাকবে।
আবেদনের সময়সীমা—
জিআইসি ওয়ার্ল্ড প্রোগ্রামে অংশগ্রহণের যোগ্যতা হিসেবে আবেদনকারীকে ১৭ সেপ্টেম্বরের যেকোনো স্বীকৃত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (স্কুল, কলেজ, ভোকেশনাল বা বিশ্ববিদ্যালয়) শিক্ষার্থী হিসেবে যুক্ত থাকতে হবে। একটি অনলাইন প্রোগ্রাম হওয়ায় বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে শিক্ষার্থীরা এতে অংশ নিতে পারবেন। আবেদনের জন্য শিক্ষার্থীদের নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আইডি কার্ড বা এনরোলমেন্ট সার্টিফিকেট আপলোড করতে হবে। যাঁরা এখনো শিক্ষার্থী নন বা যাঁরা কোনো ডিগ্রি প্রোগ্রামে এনরোলড নন, তাঁদের জন্য এই কোর্স উন্মুক্ত নয়। তবে খণ্ডকালীন (পার্ট-টাইম) শিক্ষার্থী কিংবা যাঁরা কোর্স চলাকালীন স্নাতক শেষ করবেন, তাঁরাও এই প্রোগ্রামে আবেদনের যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।
আবেদন করার ঠিকানা: এখানেই কোর্সের বিস্তারিত তথ্য পাবেন।
জাইকার সহায়তায় পরিচালিত এই কোর্স ডেটা সায়েন্সের হাতেখড়ি থেকে শুরু করে মেশিন লার্নিং ও ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে প্রয়োগের মতো সব বিষয় শেখার সুযোগ দিচ্ছে। সবকিছু শেখার সুযোগ শিক্ষার্থীরা পাবেন বিনা মূল্যে। ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া তিন মাসব্যাপী এই প্রোগ্রামে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারবেন।
অনলাইন কোর্সে যা পড়ানো হবে—
কোর্সটির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর হাতে-কলমে শেখার সুযোগ। এখানে শিক্ষার্থীরা শুধু তত্ত্বীয় জ্ঞান নয়, পাশাপাশি বিভিন্ন কম্পিটিশন এবং বাস্তব ব্যবসায়িক প্রজেক্টে কাজ করার মাধ্যমে ইন্ডাস্ট্রি-রেডি দক্ষতা অর্জন করবেন। পাঠ্যক্রমে ডেটা সায়েন্সের ভূমিকা, সুপারভাইজড ও আনসুপারভাইজড লার্নিং, ফিচার ইঞ্জিনিয়ারিং, এসকিউএল এবং টাইম সিরিজ অ্যানালাইসিসসহ বিভিন্ন বিষয় শেখানো হবে। শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতির সুবিধার্থে পাইথন প্রোগ্রামিংয়ের ওপর বিশেষ সাপ্লিমেন্টারি সেশন এবং টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্টদের পক্ষ থেকে অনলাইন অফিস আওয়ারের ব্যবস্থা থাকবে।
আবেদনের সময়সীমা—
জিআইসি ওয়ার্ল্ড প্রোগ্রামে অংশগ্রহণের যোগ্যতা হিসেবে আবেদনকারীকে ১৭ সেপ্টেম্বরের যেকোনো স্বীকৃত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (স্কুল, কলেজ, ভোকেশনাল বা বিশ্ববিদ্যালয়) শিক্ষার্থী হিসেবে যুক্ত থাকতে হবে। একটি অনলাইন প্রোগ্রাম হওয়ায় বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে শিক্ষার্থীরা এতে অংশ নিতে পারবেন। আবেদনের জন্য শিক্ষার্থীদের নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আইডি কার্ড বা এনরোলমেন্ট সার্টিফিকেট আপলোড করতে হবে। যাঁরা এখনো শিক্ষার্থী নন বা যাঁরা কোনো ডিগ্রি প্রোগ্রামে এনরোলড নন, তাঁদের জন্য এই কোর্স উন্মুক্ত নয়। তবে খণ্ডকালীন (পার্ট-টাইম) শিক্ষার্থী কিংবা যাঁরা কোর্স চলাকালীন স্নাতক শেষ করবেন, তাঁরাও এই প্রোগ্রামে আবেদনের যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।
আবেদন করার ঠিকানা: এখানেই কোর্সের বিস্তারিত তথ্য পাবেন।

0 Comments