
সিরিজ শুরু হওয়ার ঠিক আগের দিনও অজি এক ক্রিকেট বিশ্লেষক নিজের পডকাস্টে তাচ্ছিল্যের সুর তুলে বলেছিলেন, 'বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের নাম জানারও কোনো প্রয়োজন দেখি না।' তাঁর ধারণা ছিল, আগস্টের অফ-সিজনে ডারউইনের মাঠে খেলা মানেই বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের বোনাস পয়েন্ট পকেটে পুরে নেওয়া। তবে ডারউইনের সবুজ গালিচায় টাইগাররা যে জবাব দিল, তাতে সেই অজি বিশেষজ্ঞসহ গোটা ক্রিকেট বিশ্ব এখন হাসান মাহমুদ ও তানজিদ হাসান তামিমদের নাম জপতে বাধ্য হচ্ছে। ডারউইনে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়াকে কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত করে এক মহাকাব্যিক জয় ছিনিয়ে নিয়েছে বাংলাদেশ।
সিরিজের সূচি থেকেই স্পষ্ট ছিল অজিদের অবহেলার মানসিকতা। মেলবোর্ন বা সিডনির মতো মূল ভেন্যু এড়িয়ে বাংলাদেশকে আনা হয়েছিল ২০০৪ সালের পর থেকে প্রায় পরিত্যক্ত ডারউইনের মাঠে। উদ্দেশ্য ছিল— গ্রীষ্মের ব্যস্ত মৌসুম শুরুর আগে গা-ঝালিয়ে নেওয়া। কিন্তু সেই অবহেলাই এখন অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট ইতিহাসে অন্যতম বড় বিপর্যয় হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে।
প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ দলের পেস আক্রমণের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি বিশ্বজয়ী অস্ট্রেলিয়া। দারুণ লাইন ও লেন্থ বজায় রেখে মাত্র ১৭ ওভারে ৬ উইকেট শিকার করেন স্পিডস্টার হাসান মাহমুদ। স্টিভ স্মিথ ছাড়া আর কোনো অজি ব্যাটার প্রতিরোধ গড়তে পারেননি। ফলে মাত্র ১৯৮ রানেই গুটিয়ে যায় ক্যাঙ্গারু বহর।
জবাবে ব্যাটারদের ধৈর্য ও দায়িত্বশীলতার নিখুঁত প্রদর্শনী দেখেছে বিশ্ব। নিজের ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় টেস্টেই চাপের মুখে অসাধারণ এক শতক উপহার দেন তানজিদ হাসান তামিম। প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক ও জশ হ্যাজেলউডের মতো বিশ্বসেরা পেস আক্রমণকে তোয়াক্কা না করে ৪২৬ রানের পাহাড় গড়ে বাংলাদেশ, যা তাদের ২২৮ রানের বিশাল লিড এনে দেয়।
শেষ পর্যন্ত সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ১ উইকেট হারিয়েই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ। এই জয়ের প্রভাব ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্ব ক্রিকেটের আনাচে-কানাচে। দীর্ঘ ৩১ বছর পর ভারত ছাড়া এশিয়ার একমাত্র দল হিসেবে অস্ট্রেলিয়াকে তাদের মাটিতেই হারানোর নজির গড়ল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অজি সমর্থকরা নিজেদের দলের এমন হতশ্রী পারফরম্যান্সে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। ডারউইনের এই ঐতিহাসিক জয় প্রমাণ করে দিল— বাংলাদেশকে হালকাভাবে নেওয়ার দিন শেষ। পরবর্তী সফরে হয়তো আর অফ-সিজনে ডারউইন নয়, মেলবোর্নের মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডেই (এমসিজি) বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানাতে বাধ্য হবে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া।
সিরিজের সূচি থেকেই স্পষ্ট ছিল অজিদের অবহেলার মানসিকতা। মেলবোর্ন বা সিডনির মতো মূল ভেন্যু এড়িয়ে বাংলাদেশকে আনা হয়েছিল ২০০৪ সালের পর থেকে প্রায় পরিত্যক্ত ডারউইনের মাঠে। উদ্দেশ্য ছিল— গ্রীষ্মের ব্যস্ত মৌসুম শুরুর আগে গা-ঝালিয়ে নেওয়া। কিন্তু সেই অবহেলাই এখন অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট ইতিহাসে অন্যতম বড় বিপর্যয় হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে।
প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ দলের পেস আক্রমণের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি বিশ্বজয়ী অস্ট্রেলিয়া। দারুণ লাইন ও লেন্থ বজায় রেখে মাত্র ১৭ ওভারে ৬ উইকেট শিকার করেন স্পিডস্টার হাসান মাহমুদ। স্টিভ স্মিথ ছাড়া আর কোনো অজি ব্যাটার প্রতিরোধ গড়তে পারেননি। ফলে মাত্র ১৯৮ রানেই গুটিয়ে যায় ক্যাঙ্গারু বহর।
জবাবে ব্যাটারদের ধৈর্য ও দায়িত্বশীলতার নিখুঁত প্রদর্শনী দেখেছে বিশ্ব। নিজের ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় টেস্টেই চাপের মুখে অসাধারণ এক শতক উপহার দেন তানজিদ হাসান তামিম। প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক ও জশ হ্যাজেলউডের মতো বিশ্বসেরা পেস আক্রমণকে তোয়াক্কা না করে ৪২৬ রানের পাহাড় গড়ে বাংলাদেশ, যা তাদের ২২৮ রানের বিশাল লিড এনে দেয়।
শেষ পর্যন্ত সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ১ উইকেট হারিয়েই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ। এই জয়ের প্রভাব ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্ব ক্রিকেটের আনাচে-কানাচে। দীর্ঘ ৩১ বছর পর ভারত ছাড়া এশিয়ার একমাত্র দল হিসেবে অস্ট্রেলিয়াকে তাদের মাটিতেই হারানোর নজির গড়ল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অজি সমর্থকরা নিজেদের দলের এমন হতশ্রী পারফরম্যান্সে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। ডারউইনের এই ঐতিহাসিক জয় প্রমাণ করে দিল— বাংলাদেশকে হালকাভাবে নেওয়ার দিন শেষ। পরবর্তী সফরে হয়তো আর অফ-সিজনে ডারউইন নয়, মেলবোর্নের মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডেই (এমসিজি) বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানাতে বাধ্য হবে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া।

0 Comments