
চট্টগ্রামের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে অনিয়ন্ত্রিত পাহাড় কাটা ও সরকারি খাস জমি দখলের অপচেষ্টা। সম্প্রতি সীতাকুণ্ডের কুখ্যাত ‘জঙ্গল সলিমপুর’-এর আদলে চট্টগ্রামের দক্ষিণ পাহাড়তলীর বরইতলী এলাকাতেও পাহাড় কেটে অবৈধ বসতি স্থাপন ও জমি হাতবদলের এক বিপজ্জনক প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। প্রভাবশালী ভূখোর চক্র ও সঙ্ঘবদ্ধ অপরাধীরা সরকারি পাহাড়ি জমি দখল করে তা সাধারণ মানুষের কাছে অবৈধভাবে বিক্রি করছে বলে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দক্ষিণ পাহাড়তলীর বরইতলী এলাকায় রাতের আঁধারে এবং কৌশল বদলে দিনের বেলাতেও কাটা হচ্ছে একের পর এক পাহাড়। পাহাড় কেটে সমতল বানিয়ে সেখানে গড়ে তোলা হচ্ছে কাঁচা-পাকা অবৈধ স্থাপনা ও বস্তি। এরপর ভুয়া কাগজপত্র কিংবা স্ট্যাম্পের মাধ্যমে সেই জমি সাধারণ ও নিম্নআয়ের মানুষের কাছে মোটা অঙ্কের টাকায় হাতবদল করা হচ্ছে। সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে ঠিক একইভাবে বিস্তীর্ণ পাহাড়ি এলাকা দখল করে অপরাধীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল ও বিশাল অবৈধ সাম্রাজ্য গড়ে উঠেছিল। বরইতলী এলাকাতেও এখন একই প্রক্রিয়ার পুনরাবৃত্তি ঘটতে থাকায় স্থানীয় সচেতন মহল ও পরিবেশবাদীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
বিষয়টি প্রশাসনের দৃষ্টিগোচর হওয়ার পর কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। বরইতলী এলাকার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন অত্যন্ত শক্ত অবস্থান গ্রহণ করেছে। চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা অবৈধ দখলদারদের উদ্দেশ্যে স্পষ্ট বার্তা দিয়ে বলেন, ‘চট্টগ্রামে আরেকটা জঙ্গল সলিমপুর হওয়ার কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না। সেখানে দ্রুত অভিযান পরিচালনা করে অবৈধভাবে বসবাসকারীদের উচ্ছেদ করা হবে।’
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বরইতলী এলাকায় অবৈধ দখলদার ও পাহাড় খেকোদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। পাহাড় কাটার ফলে বর্ষা মৌসুমে ভূমিধস ও প্রাণহানির মতো মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হয়। এসব অপকর্ম রোধে দ্রুতই আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সমন্বয়ে যৌথ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে। চট্টগ্রাম নগরীর পরিবেশ ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় পাহাড়ি জমিতে যেকোনো ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা (জিরো টলারেন্স) নীতি বজায় রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে প্রশাসন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দক্ষিণ পাহাড়তলীর বরইতলী এলাকায় রাতের আঁধারে এবং কৌশল বদলে দিনের বেলাতেও কাটা হচ্ছে একের পর এক পাহাড়। পাহাড় কেটে সমতল বানিয়ে সেখানে গড়ে তোলা হচ্ছে কাঁচা-পাকা অবৈধ স্থাপনা ও বস্তি। এরপর ভুয়া কাগজপত্র কিংবা স্ট্যাম্পের মাধ্যমে সেই জমি সাধারণ ও নিম্নআয়ের মানুষের কাছে মোটা অঙ্কের টাকায় হাতবদল করা হচ্ছে। সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে ঠিক একইভাবে বিস্তীর্ণ পাহাড়ি এলাকা দখল করে অপরাধীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল ও বিশাল অবৈধ সাম্রাজ্য গড়ে উঠেছিল। বরইতলী এলাকাতেও এখন একই প্রক্রিয়ার পুনরাবৃত্তি ঘটতে থাকায় স্থানীয় সচেতন মহল ও পরিবেশবাদীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
বিষয়টি প্রশাসনের দৃষ্টিগোচর হওয়ার পর কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। বরইতলী এলাকার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন অত্যন্ত শক্ত অবস্থান গ্রহণ করেছে। চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা অবৈধ দখলদারদের উদ্দেশ্যে স্পষ্ট বার্তা দিয়ে বলেন, ‘চট্টগ্রামে আরেকটা জঙ্গল সলিমপুর হওয়ার কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না। সেখানে দ্রুত অভিযান পরিচালনা করে অবৈধভাবে বসবাসকারীদের উচ্ছেদ করা হবে।’
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বরইতলী এলাকায় অবৈধ দখলদার ও পাহাড় খেকোদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। পাহাড় কাটার ফলে বর্ষা মৌসুমে ভূমিধস ও প্রাণহানির মতো মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হয়। এসব অপকর্ম রোধে দ্রুতই আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সমন্বয়ে যৌথ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে। চট্টগ্রাম নগরীর পরিবেশ ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় পাহাড়ি জমিতে যেকোনো ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা (জিরো টলারেন্স) নীতি বজায় রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে প্রশাসন।

0 Comments