
তীব্র গ্যাস-সংকটের প্রভাবে দেশের প্রধান শিল্পাঞ্চলগুলোতে নেমে এসেছে গভীর স্থবিরতা। নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরের পোশাক ও টেক্সটাইল কারখানাগুলোতে কোথাও উৎপাদন আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে, আবার কোথাও কারখানা পুরোপুরি বন্ধ রাখতে বাধ্য হচ্ছেন মালিকেরা। এর সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে খেটে খাওয়া শ্রমিকদের ওপর। নিয়মিত কাজের সুযোগ কমে যাওয়া এবং ওভারটাইম (অতিরিক্ত সময়) পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অধিকাংশ শ্রমিকের মাসিক আয় অনেকটাই কমে গেছে। বিশেষ করে চুক্তিতে কাজ করা শ্রমিকেরা পড়েছেন চরম জীবন-জীবিকার সংকটে।
নরসিংদীর শিল্পাঞ্চল ঘুরে জানা যায়, গ্যাসনির্ভর তিন শতাধিক কারখানার মধ্যে অন্তত ২৫টি ডাইং ও সাইজিং কারখানায় শ্রমিকদের ছুটি দেওয়া হয়েছে। একটির সঙ্গে আরেকটি কারখানা সম্পৃক্ত থাকায় স্পিনিং, সাইজিং ও ডাইং কারখানার উৎপাদন বন্ধ হয়ে টেক্সটাইল খাতও চরম বিপাকে পড়েছে। অনেক কারখানায় সপ্তাহজুড়ে কাজ বন্ধ থাকায় শ্রমিকেরা সময়মতো বেতন পাচ্ছেন না। ফলে পরিবার নিয়ে টিকে থাকা অসম্ভব হয়ে পড়ায় অনেকে বাধ্য হয়ে গ্রামের বাড়ির পথ ধরছেন।
একই হতাশাজনক চিত্র নারায়ণগঞ্জের পঞ্চবটী বিসিক শিল্পনগরীতেও। ডাইং কারখানা থেকে কাপড়ের সরবরাহ না পাওয়ায় পোশাক কারখানাগুলোর উৎপাদন স্বাভাবিক ক্ষমতার চার ভাগের এক ভাগে নেমে এসেছে। যে শ্রমিকেরা আগে মাসে ২০ থেকে ৩০ ঘণ্টা ওভারটাইম করতেন, তারা এখন অতিরিক্ত কাজের এক ঘণ্টাও সুযোগ পাচ্ছেন না। এতে শ্রমিকদের আয় এক ধাক্কায় চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা কমে গেছে। দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির এই বাজারে বাড়তি আয় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সংসার চালানোই নয়, গ্রামে বয়স্ক মা-বাবার কাছে টাকা পাঠানোও কঠিন হয়ে পড়েছে।
অন্যদিকে, গাজীপুরের মৌচাক, ভোগড়া ও কোনাবাড়ী এলাকার কারখানাগুলোতে গ্যাসের পর্যাপ্ত চাপ না থাকায় উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। শ্রমিকেরা কারখানায় এলেও বেশিরভাগ সময় বসে অলস সময় কাটাতে হচ্ছে। এতে উৎপাদন কমে যাওয়ার পাশাপাশি চাকরি হারানোর নতুন আতঙ্ক দানা বাঁধছে শ্রমিকদের মনে।
শ্রমিকনেতা ও কারখানা কর্তৃপক্ষের মতে, জ্বালানি সংকট দ্রুত নিরসন করা না গেলে শিল্পকারখানার উৎপাদন আরও ধসে পড়বে। এর ফলে রফতানিমুখী পোশাক খাত যেমন বড় ধরণের ক্ষতিগ্রস্ত হবে, তেমনি লাখ লাখ শ্রমিকের রুটি-রুজি অনিশ্চয়তার মুখে পড়বে। সার্বিক অর্থনৈতিক স্বার্থে ও পোশাকশিল্পকে টিকিয়ে রাখতে দ্রুততম সময়ে শিল্পাঞ্চলে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করার আকুল আবেদন জানিয়েছেন ব্যবসায়ী ও শ্রমিক সংগঠনগুলো।
নরসিংদীর শিল্পাঞ্চল ঘুরে জানা যায়, গ্যাসনির্ভর তিন শতাধিক কারখানার মধ্যে অন্তত ২৫টি ডাইং ও সাইজিং কারখানায় শ্রমিকদের ছুটি দেওয়া হয়েছে। একটির সঙ্গে আরেকটি কারখানা সম্পৃক্ত থাকায় স্পিনিং, সাইজিং ও ডাইং কারখানার উৎপাদন বন্ধ হয়ে টেক্সটাইল খাতও চরম বিপাকে পড়েছে। অনেক কারখানায় সপ্তাহজুড়ে কাজ বন্ধ থাকায় শ্রমিকেরা সময়মতো বেতন পাচ্ছেন না। ফলে পরিবার নিয়ে টিকে থাকা অসম্ভব হয়ে পড়ায় অনেকে বাধ্য হয়ে গ্রামের বাড়ির পথ ধরছেন।
একই হতাশাজনক চিত্র নারায়ণগঞ্জের পঞ্চবটী বিসিক শিল্পনগরীতেও। ডাইং কারখানা থেকে কাপড়ের সরবরাহ না পাওয়ায় পোশাক কারখানাগুলোর উৎপাদন স্বাভাবিক ক্ষমতার চার ভাগের এক ভাগে নেমে এসেছে। যে শ্রমিকেরা আগে মাসে ২০ থেকে ৩০ ঘণ্টা ওভারটাইম করতেন, তারা এখন অতিরিক্ত কাজের এক ঘণ্টাও সুযোগ পাচ্ছেন না। এতে শ্রমিকদের আয় এক ধাক্কায় চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা কমে গেছে। দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির এই বাজারে বাড়তি আয় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সংসার চালানোই নয়, গ্রামে বয়স্ক মা-বাবার কাছে টাকা পাঠানোও কঠিন হয়ে পড়েছে।
অন্যদিকে, গাজীপুরের মৌচাক, ভোগড়া ও কোনাবাড়ী এলাকার কারখানাগুলোতে গ্যাসের পর্যাপ্ত চাপ না থাকায় উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। শ্রমিকেরা কারখানায় এলেও বেশিরভাগ সময় বসে অলস সময় কাটাতে হচ্ছে। এতে উৎপাদন কমে যাওয়ার পাশাপাশি চাকরি হারানোর নতুন আতঙ্ক দানা বাঁধছে শ্রমিকদের মনে।
শ্রমিকনেতা ও কারখানা কর্তৃপক্ষের মতে, জ্বালানি সংকট দ্রুত নিরসন করা না গেলে শিল্পকারখানার উৎপাদন আরও ধসে পড়বে। এর ফলে রফতানিমুখী পোশাক খাত যেমন বড় ধরণের ক্ষতিগ্রস্ত হবে, তেমনি লাখ লাখ শ্রমিকের রুটি-রুজি অনিশ্চয়তার মুখে পড়বে। সার্বিক অর্থনৈতিক স্বার্থে ও পোশাকশিল্পকে টিকিয়ে রাখতে দ্রুততম সময়ে শিল্পাঞ্চলে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করার আকুল আবেদন জানিয়েছেন ব্যবসায়ী ও শ্রমিক সংগঠনগুলো।

0 Comments