
যুক্তরাষ্ট্রে বড় ধরনের সন্ত্রাসী হামলার ছক বানচাল করার দাবি করেছে দেশটির কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআই (FBI)। নিউইয়র্ক স্টেট ক্যাপিটল ভবনে হামলা চালিয়ে আইনপ্রণেতাদের হত্যা ও ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর চক্রান্তের অভিযোগে ৩৫ বছর বয়সী এক নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত নারী আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন আইএসের (আইএসআইএস) প্রতি অনুগত ছিলেন বলে জানিয়েছে মার্কিন বিচার বিভাগ।
বিচার বিভাগের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অভিযুক্ত নারীর নাম জেসিকা বোউই। তিনি নিউ ইয়র্কের অ্যালবানি শহরের বাসিন্দা। তার বিরুদ্ধে উগ্রবাদী সংস্থাকে বস্তুগত ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। এফবিআইয়ের জাতীয় নিরাপত্তা বিভাগের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল জন এ আইজেনবার্গ জানান, ক্যাপিটল অঞ্চলে বড় ধরনের সন্ত্রাসী হামলা চালানোর আগেই বোউইকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছেন তদন্তকারীরা। তদন্তকারীদের বিশ্বাস, ক্যাপিটল ভবনে ধ্বংসলীলা চালিয়ে ওই নারী সিরিয়ায় পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন।
মামলার ২১ পৃষ্ঠার চার্জশিট অনুযায়ী, বোউই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ সক্রিয় ছিলেন এবং উগ্রপন্থি মতাদর্শ প্রচারের জন্য প্রায় এক ডজনেরও বেশি ভুয়া অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করতেন। এমনকি ২০০১ সালের ৯/১১ সন্ত্রাসী হামলার প্রশংসা করেও তিনি অনলাইনে পোস্ট করেছিলেন। চলতি বছরের জুলাই মাসে এফবিআইয়ের এক গোপন তথ্যদাতার (ইনফরমান্ট) সঙ্গে এনক্রিপ্টেড অ্যাপের মাধ্যমে তাঁর যোগাযোগ শুরু হয়। জেসিকা সেই তথ্যদাতাকে জানান যে তিনি ক্যাপিটল ভবন উড়িয়ে দেওয়ার জন্য একটি বোমা তৈরি করতে চান এবং সেনেটরদের হত্যা করতে চান।
পরবর্তীতে এফবিআইয়ের ছদ্মবেশী প্রতিনিধিদের সহায়তায় বোমা তৈরির সরঞ্জাম কেনার জন্য 'হোম ডিপো' নামক দোকানে যান বোউই। এফবিআইয়ের দাখিল করা সিসিটিভি ফুটেজে তাঁকে কেনাকাটা করতে এবং ক্যাপিটল ভবনের রেকি (রেকেইনিস্যান্স) করার জন্য ছবি তুলতে দেখা গেছে। এছাড়া ছদ্মবেশী তথ্যদাতার কাছ থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলিও কেনেন তিনি। পর্যাপ্ত তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে গত বুধবার তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এফবিআই কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদের সময় বোউই স্বীকার করেন, তিনি আগেই গুগলে খুঁজে দেখেছিলেন যে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে সহায়তা করার জন্য তাঁর প্রায় ২০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।
তবে এই গ্রেপ্তারের ঘটনা মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাসমূহের পুরনো বিতর্ককে উসকে দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে সন্ত্রাসী কার্যক্রম প্রতিরোধে প্রায়শই গোপন তথ্যদাতা ও ছদ্মবেশী অভিযান বা 'স্টিং অপারেশন' ব্যবহার করা হয়। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর অভিযোগ, অনেক ক্ষেত্রে এফবিআইয়ের তথ্যদাতারা সাধারণ বা অসচ্ছল ব্যক্তিদের অর্থ ও সুযোগ-সুবিধার প্রলোভন দেখিয়ে অপরাধে উসকানি দেয়। ২০০৯ সালের বহুল আলোচিত 'নিউবার্গ ফোর' মামলার উদাহরণ টেনে সমালোচকরা বলছেন, সেসময় চার ব্যক্তিকে বড় অঙ্কের অর্থের লোভ দেখিয়ে হামলায় প্রলুব্ধ করা হয়েছিল, যা পরবর্তীতে আদালতেও প্রমাণিত হয়। তবে জেসিকা বোউইর ক্ষেত্রে এফবিআইয়ের দাবি, সময়মতো পদক্ষেপ নেওয়ায় একটি সম্ভাব্য বড় দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
বিচার বিভাগের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অভিযুক্ত নারীর নাম জেসিকা বোউই। তিনি নিউ ইয়র্কের অ্যালবানি শহরের বাসিন্দা। তার বিরুদ্ধে উগ্রবাদী সংস্থাকে বস্তুগত ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। এফবিআইয়ের জাতীয় নিরাপত্তা বিভাগের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল জন এ আইজেনবার্গ জানান, ক্যাপিটল অঞ্চলে বড় ধরনের সন্ত্রাসী হামলা চালানোর আগেই বোউইকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছেন তদন্তকারীরা। তদন্তকারীদের বিশ্বাস, ক্যাপিটল ভবনে ধ্বংসলীলা চালিয়ে ওই নারী সিরিয়ায় পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন।
মামলার ২১ পৃষ্ঠার চার্জশিট অনুযায়ী, বোউই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ সক্রিয় ছিলেন এবং উগ্রপন্থি মতাদর্শ প্রচারের জন্য প্রায় এক ডজনেরও বেশি ভুয়া অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করতেন। এমনকি ২০০১ সালের ৯/১১ সন্ত্রাসী হামলার প্রশংসা করেও তিনি অনলাইনে পোস্ট করেছিলেন। চলতি বছরের জুলাই মাসে এফবিআইয়ের এক গোপন তথ্যদাতার (ইনফরমান্ট) সঙ্গে এনক্রিপ্টেড অ্যাপের মাধ্যমে তাঁর যোগাযোগ শুরু হয়। জেসিকা সেই তথ্যদাতাকে জানান যে তিনি ক্যাপিটল ভবন উড়িয়ে দেওয়ার জন্য একটি বোমা তৈরি করতে চান এবং সেনেটরদের হত্যা করতে চান।
পরবর্তীতে এফবিআইয়ের ছদ্মবেশী প্রতিনিধিদের সহায়তায় বোমা তৈরির সরঞ্জাম কেনার জন্য 'হোম ডিপো' নামক দোকানে যান বোউই। এফবিআইয়ের দাখিল করা সিসিটিভি ফুটেজে তাঁকে কেনাকাটা করতে এবং ক্যাপিটল ভবনের রেকি (রেকেইনিস্যান্স) করার জন্য ছবি তুলতে দেখা গেছে। এছাড়া ছদ্মবেশী তথ্যদাতার কাছ থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলিও কেনেন তিনি। পর্যাপ্ত তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে গত বুধবার তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এফবিআই কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদের সময় বোউই স্বীকার করেন, তিনি আগেই গুগলে খুঁজে দেখেছিলেন যে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে সহায়তা করার জন্য তাঁর প্রায় ২০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।
তবে এই গ্রেপ্তারের ঘটনা মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাসমূহের পুরনো বিতর্ককে উসকে দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে সন্ত্রাসী কার্যক্রম প্রতিরোধে প্রায়শই গোপন তথ্যদাতা ও ছদ্মবেশী অভিযান বা 'স্টিং অপারেশন' ব্যবহার করা হয়। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর অভিযোগ, অনেক ক্ষেত্রে এফবিআইয়ের তথ্যদাতারা সাধারণ বা অসচ্ছল ব্যক্তিদের অর্থ ও সুযোগ-সুবিধার প্রলোভন দেখিয়ে অপরাধে উসকানি দেয়। ২০০৯ সালের বহুল আলোচিত 'নিউবার্গ ফোর' মামলার উদাহরণ টেনে সমালোচকরা বলছেন, সেসময় চার ব্যক্তিকে বড় অঙ্কের অর্থের লোভ দেখিয়ে হামলায় প্রলুব্ধ করা হয়েছিল, যা পরবর্তীতে আদালতেও প্রমাণিত হয়। তবে জেসিকা বোউইর ক্ষেত্রে এফবিআইয়ের দাবি, সময়মতো পদক্ষেপ নেওয়ায় একটি সম্ভাব্য বড় দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।

0 Comments