
শৈশবে জন্মভূমি ছেড়েছিলেন, তারপর অন্য এক দেশের জার্সিতে উঁচিয়ে ধরেছিলেন ফুটবলের সর্বোচ্চ সম্মান বিশ্বকাপ। তবে দীর্ঘ কয়েক দশক পর শিকড়ে ফেরার ডাক উপেক্ষা করতে পারলেন না। সেনেগাল জাতীয় ফুটবল দলের নতুন প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব নিলেন ইংলিশ ক্লাব আর্সেনাল ও ফরাসি ফুটবলের কিংবদন্তি তারকা প্যাট্রিক ভিয়েরা। সদ্য সমাপ্ত বিশ্বকাপে ভরাডুবির পর সাবেক কোচ পাপে থিয়াওকে বরখাস্ত করে সেনেগাল ফুটবল ফেডারেশন। এবার ডাগআউটে ভিয়েরার হাত ধরে নতুন স্বপ্নের বুনন শুরু করতে যাচ্ছে পশ্চিম আফ্রিকার এই পরাশক্তি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে এক আনুষ্ঠানিক বার্তার মাধ্যমে ৫০ বছর বয়সী এই কোচের নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে সেনেগাল ফুটবল ফেডারেশন। তবে ভিয়েরার চুক্তির মেয়াদ কিংবা অন্যান্য আর্থিক শর্তাবলী সম্পর্কে এখনও বিস্তারিত কিছু প্রকাশ করা হয়নি। সেনেগালে জন্মগ্রহণ করলেও মাত্র আট বছর বয়সে পরিবারের সাথে ফ্রান্সে পাড়ি জমিয়েছিলেন ভিয়েরা। পরবর্তীতে ১৯৯৮ সালে ফ্রান্সের ঐতিহাসিক বিশ্বকাপজয়ী দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ ছিলেন তিনি।
খেলোয়াড়ী জীবন শেষে কোচিং পেশাতেও বেশ দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে ভিয়েরার। যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক সিটি এফসি দিয়ে কোচিং ক্যারিয়ার শুরু করে পরবর্তীতে ফ্রান্সের নিস, ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্রিস্টাল প্যালেস এবং স্ত্রাসবুর্গের মতো ক্লাব পরিচালনা করেছেন তিনি। সেনেগালের ডাগআউটে আসার আগে তাঁর সর্বশেষ অ্যাসাইনমেন্ট ছিল ইতালিয়ান ক্লাব জেনোয়ায়। তবে সিরি ’আ’-র পয়েন্ট তালিকায় তলানিতে নেমে যাওয়ার কারণে এক বছরের কম সময়ের মধ্যেই সেখান থেকে তাঁকে বরখাস্ত করা হয়।
সেনেগাল জাতীয় দল বর্তমানে এক কঠিন ও উত্তাল সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। বিশ্বকাপে বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে শেষ ৩২-এর ম্যাচে খেলা শেষের মাত্র ৫ মিনিট আগেও ২-০ গোলে এগিয়ে ছিল সেনেগাল। সেখান থেকে অলৌকিকভাবে গোল হজম করে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিতে হয় তাদের। এর আগে গ্রুপ পর্বেও ফ্রান্স ও নরওয়ের কাছে হেরে বিদায়ের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গিয়েছিল দলটি। এই ব্যর্থতার জেরে পাপে থিয়াওকে ছাঁটাই করা হয়। তাছাড়া, ২০২৪ সালে থিয়াওর অধীনে জেতা মহাদেশীয় শিরোপাও আফ্রিকান ফুটবল কনফেডারেশন (সিএএফ) বাতিল করায় বেশ ব্যাকফুটে রয়েছে সেনেগাল। সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বর্তমানে ক্রীড়া সালিসি আদালতে (সিএএস) লড়াই চালাচ্ছে তারা, যার শুনানি আগামী ৮ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
এমন এক বিশৃঙ্খল ও সংকটময় মুহূর্তে সেনেগালের দায়িত্ব নিলেন ভিয়েরা। বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা এই সাবেক মিডফিল্ডারের অভিজ্ঞতা ও কৌশল সেনেগালকে পুনরায় সাফল্যের সরণিতে ফেরাতে পারে কি না, এখন সেটাই দেখার বিষয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে এক আনুষ্ঠানিক বার্তার মাধ্যমে ৫০ বছর বয়সী এই কোচের নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে সেনেগাল ফুটবল ফেডারেশন। তবে ভিয়েরার চুক্তির মেয়াদ কিংবা অন্যান্য আর্থিক শর্তাবলী সম্পর্কে এখনও বিস্তারিত কিছু প্রকাশ করা হয়নি। সেনেগালে জন্মগ্রহণ করলেও মাত্র আট বছর বয়সে পরিবারের সাথে ফ্রান্সে পাড়ি জমিয়েছিলেন ভিয়েরা। পরবর্তীতে ১৯৯৮ সালে ফ্রান্সের ঐতিহাসিক বিশ্বকাপজয়ী দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ ছিলেন তিনি।
খেলোয়াড়ী জীবন শেষে কোচিং পেশাতেও বেশ দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে ভিয়েরার। যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক সিটি এফসি দিয়ে কোচিং ক্যারিয়ার শুরু করে পরবর্তীতে ফ্রান্সের নিস, ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্রিস্টাল প্যালেস এবং স্ত্রাসবুর্গের মতো ক্লাব পরিচালনা করেছেন তিনি। সেনেগালের ডাগআউটে আসার আগে তাঁর সর্বশেষ অ্যাসাইনমেন্ট ছিল ইতালিয়ান ক্লাব জেনোয়ায়। তবে সিরি ’আ’-র পয়েন্ট তালিকায় তলানিতে নেমে যাওয়ার কারণে এক বছরের কম সময়ের মধ্যেই সেখান থেকে তাঁকে বরখাস্ত করা হয়।
সেনেগাল জাতীয় দল বর্তমানে এক কঠিন ও উত্তাল সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। বিশ্বকাপে বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে শেষ ৩২-এর ম্যাচে খেলা শেষের মাত্র ৫ মিনিট আগেও ২-০ গোলে এগিয়ে ছিল সেনেগাল। সেখান থেকে অলৌকিকভাবে গোল হজম করে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিতে হয় তাদের। এর আগে গ্রুপ পর্বেও ফ্রান্স ও নরওয়ের কাছে হেরে বিদায়ের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গিয়েছিল দলটি। এই ব্যর্থতার জেরে পাপে থিয়াওকে ছাঁটাই করা হয়। তাছাড়া, ২০২৪ সালে থিয়াওর অধীনে জেতা মহাদেশীয় শিরোপাও আফ্রিকান ফুটবল কনফেডারেশন (সিএএফ) বাতিল করায় বেশ ব্যাকফুটে রয়েছে সেনেগাল। সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বর্তমানে ক্রীড়া সালিসি আদালতে (সিএএস) লড়াই চালাচ্ছে তারা, যার শুনানি আগামী ৮ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
এমন এক বিশৃঙ্খল ও সংকটময় মুহূর্তে সেনেগালের দায়িত্ব নিলেন ভিয়েরা। বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা এই সাবেক মিডফিল্ডারের অভিজ্ঞতা ও কৌশল সেনেগালকে পুনরায় সাফল্যের সরণিতে ফেরাতে পারে কি না, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

0 Comments