
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কাজের গতি বাড়াতে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের নীতি নির্ধারণী ভূমিকা আরও সুদৃঢ় করতে নবনিযুক্ত দুই প্রতিমন্ত্রীর মধ্যে দপ্তর ও দায়িত্ব ভাগ করে দিয়েছে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক অনুমোদন পাওয়ার পর রবিবার (২৩ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি অফিসিয়াল পরিপত্র জারি করা হয়। এতে হুমায়ুন কবিরকে 'পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১' এবং জাতীয় সংসদের সদস্য শামা ওবায়েদ ইসলামকে 'পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-২' হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এই দুই প্রতিমন্ত্রী পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ দিকনির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে নির্দিষ্ট বিষয়াবলীতে তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করবেন এবং পররাষ্ট্রনীতির লক্ষ্য অর্জনে সহায়ক ভূমিকা রাখবেন।
**প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবিরের দায়িত্বসমূহ:**
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হিসেবে হুমায়ুন কবির মূলত প্রথাগত ও কৌশলগত কূটনৈতিক দিকগুলো দেখভাল করবেন। তার দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহের সঙ্গে বহুপাক্ষিক আলোচনা সমন্বয় করা। পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশীদের (অনিবাসী বাংলাদেশী) কল্যাণ, অধিকার রক্ষা ও তাদের সুযোগ-সুবিধা তদারকির দায়িত্বও তার ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে। এছাড়া পররাষ্ট্রমন্ত্রী কর্তৃক সময়ে সময়ে নির্ধারিত অন্য যেকোনো বিশেষ কাজের দায়িত্বও তিনি সামলাবেন।
**প্রতিমন্ত্রী-২ শামা ওবায়েদ ইসলামের দায়িত্বসমূহ:**
অন্যদিকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-২ শামা ওবায়েদ ইসলামকে আধুনিক ও উদীয়মান কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জসমূহ মোকাবিলার ক্ষেত্রগুলো পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সাথে সমন্বয়ের কাজ করবেন। তার অধীনে থাকা অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের মধ্যে রয়েছে মানবাধিকার রক্ষা, আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে গবেষণা ও উদ্ভাবন এবং সৃজনশীল অর্থনীতি।
বর্তমানে বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত সংবেদনশীল খাত ‘পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন’ কূটনীতির ভারও দেওয়া হয়েছে তার কাঁধে। এর পাশাপাশি বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের যে ঐতিহাসিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে সুসংহত করার দায়িত্ব তিনি পালন করবেন। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি), বঙ্গোপসাগর কেন্দ্রিক সমুদ্র আইন ও সমুদ্র সম্পদ (ব্লু ইকোনমি), বিশ্ব স্বাস্থ্য কূটনীতি এবং বিশ্ব দরবারে দেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরতে সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া কূটনীতির মূল দায়িত্বে থাকবেন শামা ওবায়েদ।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দায়িত্বের এই সুস্পষ্ট বিভাজন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা বৃদ্ধি করবে এবং ঐতিহ্যগত কূটনীতির পাশাপাশি জলবায়ু, স্বাস্থ্য ও তথ্যপ্রযুক্তির মতো আধুনিক বৈশ্বিক ইস্যুগুলোতে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে।
জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এই দুই প্রতিমন্ত্রী পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ দিকনির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে নির্দিষ্ট বিষয়াবলীতে তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করবেন এবং পররাষ্ট্রনীতির লক্ষ্য অর্জনে সহায়ক ভূমিকা রাখবেন।
**প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবিরের দায়িত্বসমূহ:**
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হিসেবে হুমায়ুন কবির মূলত প্রথাগত ও কৌশলগত কূটনৈতিক দিকগুলো দেখভাল করবেন। তার দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহের সঙ্গে বহুপাক্ষিক আলোচনা সমন্বয় করা। পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশীদের (অনিবাসী বাংলাদেশী) কল্যাণ, অধিকার রক্ষা ও তাদের সুযোগ-সুবিধা তদারকির দায়িত্বও তার ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে। এছাড়া পররাষ্ট্রমন্ত্রী কর্তৃক সময়ে সময়ে নির্ধারিত অন্য যেকোনো বিশেষ কাজের দায়িত্বও তিনি সামলাবেন।
**প্রতিমন্ত্রী-২ শামা ওবায়েদ ইসলামের দায়িত্বসমূহ:**
অন্যদিকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-২ শামা ওবায়েদ ইসলামকে আধুনিক ও উদীয়মান কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জসমূহ মোকাবিলার ক্ষেত্রগুলো পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সাথে সমন্বয়ের কাজ করবেন। তার অধীনে থাকা অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের মধ্যে রয়েছে মানবাধিকার রক্ষা, আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে গবেষণা ও উদ্ভাবন এবং সৃজনশীল অর্থনীতি।
বর্তমানে বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত সংবেদনশীল খাত ‘পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন’ কূটনীতির ভারও দেওয়া হয়েছে তার কাঁধে। এর পাশাপাশি বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের যে ঐতিহাসিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে সুসংহত করার দায়িত্ব তিনি পালন করবেন। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি), বঙ্গোপসাগর কেন্দ্রিক সমুদ্র আইন ও সমুদ্র সম্পদ (ব্লু ইকোনমি), বিশ্ব স্বাস্থ্য কূটনীতি এবং বিশ্ব দরবারে দেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরতে সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া কূটনীতির মূল দায়িত্বে থাকবেন শামা ওবায়েদ।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দায়িত্বের এই সুস্পষ্ট বিভাজন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা বৃদ্ধি করবে এবং ঐতিহ্যগত কূটনীতির পাশাপাশি জলবায়ু, স্বাস্থ্য ও তথ্যপ্রযুক্তির মতো আধুনিক বৈশ্বিক ইস্যুগুলোতে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে।

0 Comments