
স্প্যানিশ লা লিগায় আজ থেকে শুরু হচ্ছে দ্য 'স্পেশাল ওয়ান' হোসে মরিনহোর দ্বিতীয় রিয়াল মাদ্রিদ অধ্যায়। প্রায় ১৬ বছর আগে প্রথমবার সান্তিয়াগো বার্নাব্যুর কোচ হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া এই পর্তুগিজ মাস্টারমাইন্ড বহু অভিজ্ঞতা আর ট্রফি জয়ের ইতিহাস সঙ্গে নিয়ে আবারও মাদ্রিদের কোচের চেয়ারে ফিরেছেন। লা লিগা পুনরুদ্ধারের এই নতুন মিশনে এস্পানিওলের আরসিডিই স্টেডিয়ামে স্বাগতিকদের মুখোমুখি হয়ে নিজেদের নতুন মরশুম শুরু করছে লস ব্লাঙ্কোসরা।
পরপর দুই মৌসুমে বড় কোনো ট্রফি না জেতায় ক্লাব সভাপতি ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ আবারও আস্থা রেখেছেন মরিনহোর ওপর। কার্লো আনচেলত্তি, শাবি আলোনসো বা আলভারো আরবেলোয়ার মতো সাম্প্রতিক সময়ের কোচেরা কিলিয়ান এমবাপ্পে, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র এবং জুড বেলিংহামের মতো একঝাঁক সুপারস্টারকে দলে রেখে ট্যাকটিক্যাল ভারসাম্য বজায় রাখতে হিমশিম খেয়েছেন। কড়া শৃঙ্খলার জন্য পরিচিত মরিনহোর মূল চ্যালেঞ্জই হবে দলের আক্রমণভাগের ধার বজায় রেখে রক্ষণভাগকে মজবুত করা। ৬৩ বছর বয়সী এই কোচ অবশ্য জানিয়েছেন, আগের চেয়ে তিনি এখন অনেক বেশি শান্ত ও পরিণত।
নতুন মেয়াদে দলকে শিরোপাপ্রত্যাশী করতে গ্রীষ্মকালীন দলবদল বাজারে হাত খুলে খরচ করেছে রিয়াল। ক্লাব রেকর্ডে ১৪০ মিলিয়ন ইউরোতে আইভোরিয়ান উইঙ্গার ইয়ান দিওমান্দেকে সই করানোর পাশাপাশি বার্নার্ডো সিলভা ও মার্ক কুকুরেয়াকে দলে এনে স্কোয়াডের গভীরতা বাড়িয়েছে তারা। মাঝমাঠে টনি ক্রস ও লুকা মদ্রিচ পরবর্তী যুগে যে শূন্যতা তৈরি হয়েছিল, তা পূরণে বার্নার্ডো সিলভার ভূমিকা হতে যাচ্ছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
পরিসংখ্যান ও শক্তির বিচারে রিয়াল মাদ্রিদই এই ম্যাচে নিশ্চিত ফেভারিট। দুই দলের আগের ২০২টি লড়াইয়ে রিয়ালের ১১৯টি জয়ের বিপরীতে এস্পানিওল জিততে পেরেছে ৪৬টি ম্যাচে। স্পোর্টস অ্যানালিটিক্স সংস্থা 'ওপ্টা'-র সুপারকম্পিউটার পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই ম্যাচে রিয়ালের জয়ের সম্ভাবনা ৬২.৪ শতাংশ, আর এস্পানিওলের জয়ের সম্ভাবনা মাত্র ১৫.৬ শতাংশ।
তবে প্রথম ম্যাচেই চোট সমস্যায় জর্জরিত রিয়াল শিবির। এদের মিলিতাও, রদ্রিগো, অহেলিয়াঁ চুয়ামেনি, ফেরল্যান্ড মেন্ডি এবং এন্ড্রিক চোটের কারণে ছিটকে গেছেন। জুড বেলিংহাম একাদশে থাকবেন কি না, তা ম্যাচ শুরুর আগে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। অন্যদিকে লেভানতেকে ৩-০ গোলে হারিয়ে শুভসূচনা করা এস্পানিওলও কিকে গার্সিয়া ও হাভি পুয়াদোকে ছাড়া মাঠে নামবে। সব মিলিয়ে মরিনহোর অল-স্টার রিয়াল মাদ্রিদের ওপরই থাকবে ফুটবল বিশ্বের মূল নজর।
পরপর দুই মৌসুমে বড় কোনো ট্রফি না জেতায় ক্লাব সভাপতি ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ আবারও আস্থা রেখেছেন মরিনহোর ওপর। কার্লো আনচেলত্তি, শাবি আলোনসো বা আলভারো আরবেলোয়ার মতো সাম্প্রতিক সময়ের কোচেরা কিলিয়ান এমবাপ্পে, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র এবং জুড বেলিংহামের মতো একঝাঁক সুপারস্টারকে দলে রেখে ট্যাকটিক্যাল ভারসাম্য বজায় রাখতে হিমশিম খেয়েছেন। কড়া শৃঙ্খলার জন্য পরিচিত মরিনহোর মূল চ্যালেঞ্জই হবে দলের আক্রমণভাগের ধার বজায় রেখে রক্ষণভাগকে মজবুত করা। ৬৩ বছর বয়সী এই কোচ অবশ্য জানিয়েছেন, আগের চেয়ে তিনি এখন অনেক বেশি শান্ত ও পরিণত।
নতুন মেয়াদে দলকে শিরোপাপ্রত্যাশী করতে গ্রীষ্মকালীন দলবদল বাজারে হাত খুলে খরচ করেছে রিয়াল। ক্লাব রেকর্ডে ১৪০ মিলিয়ন ইউরোতে আইভোরিয়ান উইঙ্গার ইয়ান দিওমান্দেকে সই করানোর পাশাপাশি বার্নার্ডো সিলভা ও মার্ক কুকুরেয়াকে দলে এনে স্কোয়াডের গভীরতা বাড়িয়েছে তারা। মাঝমাঠে টনি ক্রস ও লুকা মদ্রিচ পরবর্তী যুগে যে শূন্যতা তৈরি হয়েছিল, তা পূরণে বার্নার্ডো সিলভার ভূমিকা হতে যাচ্ছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
পরিসংখ্যান ও শক্তির বিচারে রিয়াল মাদ্রিদই এই ম্যাচে নিশ্চিত ফেভারিট। দুই দলের আগের ২০২টি লড়াইয়ে রিয়ালের ১১৯টি জয়ের বিপরীতে এস্পানিওল জিততে পেরেছে ৪৬টি ম্যাচে। স্পোর্টস অ্যানালিটিক্স সংস্থা 'ওপ্টা'-র সুপারকম্পিউটার পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই ম্যাচে রিয়ালের জয়ের সম্ভাবনা ৬২.৪ শতাংশ, আর এস্পানিওলের জয়ের সম্ভাবনা মাত্র ১৫.৬ শতাংশ।
তবে প্রথম ম্যাচেই চোট সমস্যায় জর্জরিত রিয়াল শিবির। এদের মিলিতাও, রদ্রিগো, অহেলিয়াঁ চুয়ামেনি, ফেরল্যান্ড মেন্ডি এবং এন্ড্রিক চোটের কারণে ছিটকে গেছেন। জুড বেলিংহাম একাদশে থাকবেন কি না, তা ম্যাচ শুরুর আগে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। অন্যদিকে লেভানতেকে ৩-০ গোলে হারিয়ে শুভসূচনা করা এস্পানিওলও কিকে গার্সিয়া ও হাভি পুয়াদোকে ছাড়া মাঠে নামবে। সব মিলিয়ে মরিনহোর অল-স্টার রিয়াল মাদ্রিদের ওপরই থাকবে ফুটবল বিশ্বের মূল নজর।

0 Comments