
যুক্তরাজ্যের নর্থ ইয়র্কশায়ারের মালটনের কাছে অবস্থিত ক্যাসল হাওয়ার্ড। ৩০০ বছরের বেশি সময় ধরে হাওয়ার্ড পরিবারের সঙ্গে যুক্ত এই ঐতিহাসিক প্রাসাদ এবং এর বিশাল প্রাঙ্গণ। বর্তমানে এটি পরিচালনা করছেন পরিবারের সদস্য নিক হাওয়ার্ড ও তাঁর স্ত্রী ভিক্টোরিয়া হাওয়ার্ড।
ক্যাসল হাওয়ার্ড এস্টেটে প্রাকৃতিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য ফিরিয়ে আনার একটি বড় প্রকল্পের কাজ চলছে। ৩০ বছর মেয়াদি এই সংরক্ষণ প্রকল্পের অংশ হিসেবে এবার সেখানে আনা হয়েছে বিরল জাতের কিছু গরু। হোয়াইট পার্ক জাতের এসব গরুকে বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন গরুর জাতগুলোর একটি বলে মনে করা হয়।
মালটনের কাছে ‘বগ হল রিওয়াইল্ডিং’ প্রকল্পের সর্বশেষ ধাপ হিসেবে গরুগুলোকে সেখানে রাখা হয়েছে। নতুন করে বোনা তৃণভূমিতে এসব গরু চরে বেড়াবে। এতে বিভিন্ন প্রাণী ও উদ্ভিদের জন্য আরও বৈচিত্র্যময় প্রাকৃতিক পরিবেশ তৈরি হবে বলে জানিয়েছে এস্টেট কর্তৃপক্ষ।
ক্যাসল হাওয়ার্ডের প্রাকৃতিক পরিবেশ বিভাগের প্রধান গাই থ্যালন বলেন, এলাকায় আবার প্রাণী আনার উদ্যোগটি ক্যাসল হাওয়ার্ড দলের পাশাপাশি অন্যদেরও অনুপ্রাণিত করেছে। শরৎকালে সেখানে বিভার, বড় আকারের জলজ ইঁদুরজাতীয় প্রাণী ছাড়ারও পরিকল্পনা রয়েছে।
বিভার ছাড়ার প্রস্তুতি হিসেবে এরই মধ্যে প্রায় ৩ মাইল (৫ কিলোমিটার) বেড়া দেওয়া হয়েছে। বন্য প্রাণীদের নিরাপদ চলাচলের জন্য তৈরি করা হয়েছে ব্যাজার বা শিয়ালজাতীয় প্রাণীর চলাচলের সুড়ঙ্গ এবং ভোঁদড় চলাচলের পথ।
থ্যালন বলেন, সংরক্ষণকাজে যুক্ত স্বেচ্ছাসেবকেরা সেখানে পুকুর খনন ও উইলোগাছ লাগাচ্ছেন। আগামী বছরগুলোতে এসব প্রাণীর মাধ্যমে প্রকৃতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যাবে বলে আশা করছেন তাঁরা।
প্রকল্প এলাকায় হোয়াইট পার্ক গরুগুলো ইতিমধ্যে থাকা শুরু করেছে। সারা বছরই তাদের মাঠে রাখা হবে। ভেজা তৃণভূমিসহ বিভিন্ন এলাকায় চরে বেড়াতে পারে বলে এ জাতের গরু বেছে নেওয়া হয়েছে।
হোয়াইট পার্ক জাতের গরু বিরল হওয়ায় এর সংরক্ষণে কাজ করছে রেয়ার ব্রিডস সারভাইভাল ট্রাস্ট। সংস্থাটির অগ্রাধিকার তালিকায় থাকা এ জাতকে ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জের সবচেয়ে প্রাচীন স্থানীয় গরু বলে মনে করা হয়।
ক্যাসল হাওয়ার্ড এস্টেটে প্রাকৃতিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য ফিরিয়ে আনার একটি বড় প্রকল্পের কাজ চলছে। ৩০ বছর মেয়াদি এই সংরক্ষণ প্রকল্পের অংশ হিসেবে এবার সেখানে আনা হয়েছে বিরল জাতের কিছু গরু। হোয়াইট পার্ক জাতের এসব গরুকে বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন গরুর জাতগুলোর একটি বলে মনে করা হয়।
মালটনের কাছে ‘বগ হল রিওয়াইল্ডিং’ প্রকল্পের সর্বশেষ ধাপ হিসেবে গরুগুলোকে সেখানে রাখা হয়েছে। নতুন করে বোনা তৃণভূমিতে এসব গরু চরে বেড়াবে। এতে বিভিন্ন প্রাণী ও উদ্ভিদের জন্য আরও বৈচিত্র্যময় প্রাকৃতিক পরিবেশ তৈরি হবে বলে জানিয়েছে এস্টেট কর্তৃপক্ষ।
ক্যাসল হাওয়ার্ডের প্রাকৃতিক পরিবেশ বিভাগের প্রধান গাই থ্যালন বলেন, এলাকায় আবার প্রাণী আনার উদ্যোগটি ক্যাসল হাওয়ার্ড দলের পাশাপাশি অন্যদেরও অনুপ্রাণিত করেছে। শরৎকালে সেখানে বিভার, বড় আকারের জলজ ইঁদুরজাতীয় প্রাণী ছাড়ারও পরিকল্পনা রয়েছে।
বিভার ছাড়ার প্রস্তুতি হিসেবে এরই মধ্যে প্রায় ৩ মাইল (৫ কিলোমিটার) বেড়া দেওয়া হয়েছে। বন্য প্রাণীদের নিরাপদ চলাচলের জন্য তৈরি করা হয়েছে ব্যাজার বা শিয়ালজাতীয় প্রাণীর চলাচলের সুড়ঙ্গ এবং ভোঁদড় চলাচলের পথ।
থ্যালন বলেন, সংরক্ষণকাজে যুক্ত স্বেচ্ছাসেবকেরা সেখানে পুকুর খনন ও উইলোগাছ লাগাচ্ছেন। আগামী বছরগুলোতে এসব প্রাণীর মাধ্যমে প্রকৃতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যাবে বলে আশা করছেন তাঁরা।
প্রকল্প এলাকায় হোয়াইট পার্ক গরুগুলো ইতিমধ্যে থাকা শুরু করেছে। সারা বছরই তাদের মাঠে রাখা হবে। ভেজা তৃণভূমিসহ বিভিন্ন এলাকায় চরে বেড়াতে পারে বলে এ জাতের গরু বেছে নেওয়া হয়েছে।
হোয়াইট পার্ক জাতের গরু বিরল হওয়ায় এর সংরক্ষণে কাজ করছে রেয়ার ব্রিডস সারভাইভাল ট্রাস্ট। সংস্থাটির অগ্রাধিকার তালিকায় থাকা এ জাতকে ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জের সবচেয়ে প্রাচীন স্থানীয় গরু বলে মনে করা হয়।

0 Comments