
প্রতিকূল আবহাওয়া ও জলাবদ্ধতার কারণে অনুষ্ঠিত এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারা শিক্ষার্থীদের জন্য পুনরায় পরীক্ষার বিশেষ সুযোগ দিয়েছিল সরকার। তবে অবাক করার বিষয় হলো, পুনরায় রেজিস্ট্রেশন করে আগ্রহ দেখানোর পরও দ্বিতীয় দফায় অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় ১৬ জন শিক্ষার্থী ফের অনুপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম ব্যতীত দেশের বাকি ৮টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে এই বিশেষ পরীক্ষা নেওয়া হয়। পুনর্বার পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য ১২৬ জন পরীক্ষার্থী আবেদন করেছিলেন। সোমবার অনুষ্ঠিত এই পরীক্ষায় তাদের মধ্যে ১১০ জন অংশ নিলেও শেষ পর্যন্ত ১৬ জন পরীক্ষার্থী কেন্দ্রে উপস্থিত হননি। এদিন পদার্থবিজ্ঞান, হিসাববিজ্ঞান এবং যুক্তিবিদ্যা প্রথম পত্রের পরীক্ষা নেওয়া হয়।
শিক্ষা বোর্ডের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দ্বিতীয় দফায় সুযোগপ্রাপ্তদের মধ্যে ঢাকা বোর্ডে ২৬ জন, রাজশাহীতে ৩৭, কুমিল্লায় ২৫, যশোরে ১২, সিলেটে ৯, বরিশালে ৩, দিনাজপুরে ৬ এবং ময়মনসিংহে ৬ জন শিক্ষার্থী রেজিস্ট্রেশন করেছিলেন। এদের মধ্যে রাজশাহীতে ৩ জন, কুমিল্লায় ৫ জন, সিলেটে ৩ জন, ময়মনসিংহে ৩ জন এবং যশোর ও বরিশালে ১ জন করে পরীক্ষার্থী পরীক্ষা কেন্দ্রে আসেননি। তবে ঢাকা ও দিনাজপুর বোর্ডে নিবন্ধিত শতভাগ পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান জানান, চট্টগ্রাম বাদে ৮টি বোর্ডে একটি করে নির্দিষ্ট কেন্দ্রে নতুন প্রশ্নপত্রের মাধ্যমে সম্পূর্ণ সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশে পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। স্বল্পসংখ্যক পরীক্ষার্থী হলেও সব নিয়ম মেনে পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, বৃষ্টি ও অতিবৃষ্টির কারণে স্থগিত হওয়া চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের স্থগিত পরীক্ষাও একই দিনে সংশোধিত সূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বোর্ডে নির্ধারিত ৬৮ হাজার ৭২৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬৬ হাজার ৬৯০ জন অংশ নেন এবং ২ হাজার ৩৫ জন অনুপস্থিত ছিলেন। এছাড়া চট্টগ্রাম বোর্ডের চার জেলায় মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের আলিম পরীক্ষায় ৮ হাজার ৫৫৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪২৬ জন অনুপস্থিত ছিলেন। সার্বিকভাবে এদিনের পরীক্ষায় কোনো বোর্ডেই শিক্ষার্থী বহিষ্কারের কোনো ঘটনা ঘটেনি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম ব্যতীত দেশের বাকি ৮টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে এই বিশেষ পরীক্ষা নেওয়া হয়। পুনর্বার পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য ১২৬ জন পরীক্ষার্থী আবেদন করেছিলেন। সোমবার অনুষ্ঠিত এই পরীক্ষায় তাদের মধ্যে ১১০ জন অংশ নিলেও শেষ পর্যন্ত ১৬ জন পরীক্ষার্থী কেন্দ্রে উপস্থিত হননি। এদিন পদার্থবিজ্ঞান, হিসাববিজ্ঞান এবং যুক্তিবিদ্যা প্রথম পত্রের পরীক্ষা নেওয়া হয়।
শিক্ষা বোর্ডের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দ্বিতীয় দফায় সুযোগপ্রাপ্তদের মধ্যে ঢাকা বোর্ডে ২৬ জন, রাজশাহীতে ৩৭, কুমিল্লায় ২৫, যশোরে ১২, সিলেটে ৯, বরিশালে ৩, দিনাজপুরে ৬ এবং ময়মনসিংহে ৬ জন শিক্ষার্থী রেজিস্ট্রেশন করেছিলেন। এদের মধ্যে রাজশাহীতে ৩ জন, কুমিল্লায় ৫ জন, সিলেটে ৩ জন, ময়মনসিংহে ৩ জন এবং যশোর ও বরিশালে ১ জন করে পরীক্ষার্থী পরীক্ষা কেন্দ্রে আসেননি। তবে ঢাকা ও দিনাজপুর বোর্ডে নিবন্ধিত শতভাগ পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান জানান, চট্টগ্রাম বাদে ৮টি বোর্ডে একটি করে নির্দিষ্ট কেন্দ্রে নতুন প্রশ্নপত্রের মাধ্যমে সম্পূর্ণ সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশে পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। স্বল্পসংখ্যক পরীক্ষার্থী হলেও সব নিয়ম মেনে পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, বৃষ্টি ও অতিবৃষ্টির কারণে স্থগিত হওয়া চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের স্থগিত পরীক্ষাও একই দিনে সংশোধিত সূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বোর্ডে নির্ধারিত ৬৮ হাজার ৭২৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬৬ হাজার ৬৯০ জন অংশ নেন এবং ২ হাজার ৩৫ জন অনুপস্থিত ছিলেন। এছাড়া চট্টগ্রাম বোর্ডের চার জেলায় মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের আলিম পরীক্ষায় ৮ হাজার ৫৫৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪২৬ জন অনুপস্থিত ছিলেন। সার্বিকভাবে এদিনের পরীক্ষায় কোনো বোর্ডেই শিক্ষার্থী বহিষ্কারের কোনো ঘটনা ঘটেনি।

0 Comments