
আমেরিকার হোয়াইট হাউসে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ৪০০ মিলিয়ন ডলারের (প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা) বিতর্কিত বলরুম ও সংস্কার প্রকল্পের কাজ আপাতত চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। নিম্ন আদালতের দেওয়া স্থগিতাদেশ সাময়িকভাবে স্থগিত করে প্রধান বিচারপতি জন রবার্টস এই বিশেষ অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ জারি করেছেন। ট্রাম্প প্রশাসনের জরুরি আপিল আদালতে বিচারাধীন থাকা অবস্থায় এই ছাড় কার্যকর থাকবে।
এর আগে ওয়াশিংটন ডিসির নিম্ন আদালত নির্দেশ দিয়েছিল যে, মার্কিন কংগ্রেসের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন ছাড়া হোয়াইট হাউসে এত বড় ধরনের কোনো অবকাঠামোগত পরিবর্তন আনা যাবে না। নিম্ন আদালতের সেই স্থগিতাদেশের কার্যকারিতা কার্যকর হওয়ার শেষ দিনে প্রধান বিচারপতি জন রবার্টস জরুরি ভিত্তিতে হস্তক্ষেপ করেন এবং ট্রাম্প প্রশাসনকে আইনি লড়াইয়ের মাঝেও কাজ চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ দেন।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই বলরুম তৈরির পরিকল্পনা বেশ পুরনো। ২০১০ সালে বারাক ওবামা প্রেসিডেন্ট থাকাকালেই ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে একটি বিশালাকার বলরুম তৈরির প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তবে ২০২৫ সালে দ্বিতীয় মেয়াদে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি আরও আক্রমণাত্মকভাবে ওয়াশিংটনের ঐতিহাসিক এই ভবনে পরিবর্তনের কাজে হাত দেন। গত বছরের অক্টোবরে কোনো পূর্ব ঘোষণা বা সর্বসাধারণকে না জানিয়ে ট্রাম্প হোয়াইট হাউসের শতাব্দীপ্রাচীন 'ইস্ট উইং' সম্পূর্ণ ভেঙে ফেলেন, যা নিয়ে দেশজুড়ে তীব্র আইনি ও রাজনৈতিক বিতর্কের সৃষ্টি হয়।
প্রস্তাবিত এই বলরুমের আয়তন প্রায় ৮,৪০০ বর্গমিটার (৯০,০০০ বর্গফুট), যা হোয়াইট হাউসের মূল কাঠামোর চেয়েও আয়তনে বড়। ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে এবং রাষ্ট্রীয় বড় ধরনের নৈশভোজ ও অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য এই সুবিশাল বলরুমটি অত্যন্ত প্রয়োজন। এই প্রকল্পের ভূগর্ভস্থ অংশে একটি বহুতল বাঙ্কার, সামরিক যোগাযোগ কেন্দ্র এবং আধুনিক হাসপাতাল অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এই প্রকল্পের বিরুদ্ধে গত ডিসেম্বরে 'ন্যাশনাল ট্রাস্ট ফর হিস্টোরিক প্রিজারভেশন' নামের একটি ঐতিহ্য সংরক্ষণকারী সংস্থা আদালতে মামলা দায়ের করে। সংস্থাটির যুক্তি ছিল, দেশের ঐতিহাসিক এই ভবনে একক সিদ্ধান্তে কোনো প্রেসিডেন্ট মনমতো রদবদল করতে পারেন না। এ বছরের এপ্রিলে বিচারক রিচার্ড লিওন মাটির ওপরের অংশ নির্মাণে রদবদল স্থগিতের নির্দেশ দিয়ে মন্তব্য করেন, "প্রেসিডেন্ট হোয়াইট হাউসের মালিক নন। এত বড় পরিবর্তনের জন্য অবশ্যই কংগ্রেসের সম্মতি প্রয়োজন।"
পরে আপিল আদালতও সেই আদেশ বহাল রাখলেও ট্রাম্প প্রশাসনকে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার জন্য ১৪ দিনের সময় বেঁধে দিয়েছিল। মার্কিন বিচার বিভাগের আইনজীবীরা আদালতকে জানিয়েছেন, প্রকল্পের কাজ ইতোমধ্যে ৬৫ শতাংশ শেষ হয়ে গেছে। সেখানে সপ্তাহে সাত দিন এবং দিনে ২০ ঘণ্টা ধরে কাজ চলছে।
বর্তমানে মার্কিন সুপ্রিম কোর্টে ৬-৩ ব্যবধানে রক্ষণশীল বিচারকদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। সর্বোচ্চ আদালত ট্রাম্পের এই জরুরি আবেদনে সাড়া দেওয়ায় আপাতত হোয়াইট হাউসের বুলডোজার ও নির্মাণকাজ সচল থাকছে, যদিও পূর্ণাঙ্গ পর্যালোচনার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যাবে।
এর আগে ওয়াশিংটন ডিসির নিম্ন আদালত নির্দেশ দিয়েছিল যে, মার্কিন কংগ্রেসের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন ছাড়া হোয়াইট হাউসে এত বড় ধরনের কোনো অবকাঠামোগত পরিবর্তন আনা যাবে না। নিম্ন আদালতের সেই স্থগিতাদেশের কার্যকারিতা কার্যকর হওয়ার শেষ দিনে প্রধান বিচারপতি জন রবার্টস জরুরি ভিত্তিতে হস্তক্ষেপ করেন এবং ট্রাম্প প্রশাসনকে আইনি লড়াইয়ের মাঝেও কাজ চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ দেন।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই বলরুম তৈরির পরিকল্পনা বেশ পুরনো। ২০১০ সালে বারাক ওবামা প্রেসিডেন্ট থাকাকালেই ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে একটি বিশালাকার বলরুম তৈরির প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তবে ২০২৫ সালে দ্বিতীয় মেয়াদে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি আরও আক্রমণাত্মকভাবে ওয়াশিংটনের ঐতিহাসিক এই ভবনে পরিবর্তনের কাজে হাত দেন। গত বছরের অক্টোবরে কোনো পূর্ব ঘোষণা বা সর্বসাধারণকে না জানিয়ে ট্রাম্প হোয়াইট হাউসের শতাব্দীপ্রাচীন 'ইস্ট উইং' সম্পূর্ণ ভেঙে ফেলেন, যা নিয়ে দেশজুড়ে তীব্র আইনি ও রাজনৈতিক বিতর্কের সৃষ্টি হয়।
প্রস্তাবিত এই বলরুমের আয়তন প্রায় ৮,৪০০ বর্গমিটার (৯০,০০০ বর্গফুট), যা হোয়াইট হাউসের মূল কাঠামোর চেয়েও আয়তনে বড়। ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে এবং রাষ্ট্রীয় বড় ধরনের নৈশভোজ ও অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য এই সুবিশাল বলরুমটি অত্যন্ত প্রয়োজন। এই প্রকল্পের ভূগর্ভস্থ অংশে একটি বহুতল বাঙ্কার, সামরিক যোগাযোগ কেন্দ্র এবং আধুনিক হাসপাতাল অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এই প্রকল্পের বিরুদ্ধে গত ডিসেম্বরে 'ন্যাশনাল ট্রাস্ট ফর হিস্টোরিক প্রিজারভেশন' নামের একটি ঐতিহ্য সংরক্ষণকারী সংস্থা আদালতে মামলা দায়ের করে। সংস্থাটির যুক্তি ছিল, দেশের ঐতিহাসিক এই ভবনে একক সিদ্ধান্তে কোনো প্রেসিডেন্ট মনমতো রদবদল করতে পারেন না। এ বছরের এপ্রিলে বিচারক রিচার্ড লিওন মাটির ওপরের অংশ নির্মাণে রদবদল স্থগিতের নির্দেশ দিয়ে মন্তব্য করেন, "প্রেসিডেন্ট হোয়াইট হাউসের মালিক নন। এত বড় পরিবর্তনের জন্য অবশ্যই কংগ্রেসের সম্মতি প্রয়োজন।"
পরে আপিল আদালতও সেই আদেশ বহাল রাখলেও ট্রাম্প প্রশাসনকে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার জন্য ১৪ দিনের সময় বেঁধে দিয়েছিল। মার্কিন বিচার বিভাগের আইনজীবীরা আদালতকে জানিয়েছেন, প্রকল্পের কাজ ইতোমধ্যে ৬৫ শতাংশ শেষ হয়ে গেছে। সেখানে সপ্তাহে সাত দিন এবং দিনে ২০ ঘণ্টা ধরে কাজ চলছে।
বর্তমানে মার্কিন সুপ্রিম কোর্টে ৬-৩ ব্যবধানে রক্ষণশীল বিচারকদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। সর্বোচ্চ আদালত ট্রাম্পের এই জরুরি আবেদনে সাড়া দেওয়ায় আপাতত হোয়াইট হাউসের বুলডোজার ও নির্মাণকাজ সচল থাকছে, যদিও পূর্ণাঙ্গ পর্যালোচনার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যাবে।

0 Comments