
বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের বিচারকদের পেশাগত মর্যাদা ও নিরপেক্ষতা অক্ষুণ্ন রাখতে এক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। দেশের কোনো বিচারক প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কোনো ধরনের বাণিজ্যিক কোচিং কার্যক্রমে আর যুক্ত হতে পারবেন না। বিচারিক পেশার সর্বোচ্চ শৃঙ্খলা রক্ষা, নিরপেক্ষতা বজায় রাখা এবং বিচার বিভাগের প্রতি সাধারণ মানুষের সুদৃঢ় ও অবিচল আস্থা অক্ষুণ্ন রাখার লক্ষ্যেই এই কঠোর নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
সম্প্রতি প্রকাশিত এক বিশেষ পরিপত্রে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের কোনো সদস্য সরাসরি শ্রেণিকক্ষে কিংবা বিভিন্ন ডিজিটাল বা অনলাইন প্ল্যাটফর্মে পরিচালিত বাণিজ্যিক কোচিং কার্যক্রমে শিক্ষা দান বা যেকোনো সম্পৃক্ততায় অংশ নিতে পারবেন না। সেই সঙ্গে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে কোনো কোচিং সেন্টারের প্রচার-প্রচারণা, ব্যানার, লিফলেট কিংবা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের বিজ্ঞাপনে বিচারকের নাম, পদবি, ছবি বা পরিচয় ব্যবহার করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বিচারকদের পক্ষ থেকেও এ ধরনের ব্যবহারের কোনো সম্মতি বা অনুমোদন দেওয়া যাবে না।
পরিপত্রে দাপ্তরিক গোপনীয়তা রক্ষার বিষয়ে বিশেষভাবে সতর্ক করে বলা হয়েছে, বিচারিক দায়িত্ব পালনের সূত্রে প্রাপ্ত যেকোনো গোপনীয়, অপ্রকাশিত বা দাপ্তরিক তথ্য সরাসরি কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের কোচিংয়ে প্রকাশ, সরবরাহ বা ব্যবহার করা যাবে না। পাশাপাশি, বাণিজ্যিকভিত্তিক পরিচালিত কোচিংয়ের জন্য প্রয়োজনীয় গাইড বই বা শিক্ষাসামগ্রী প্রস্তুত, সম্পাদনা, প্রকাশ কিংবা সরবরাহের কাজে সম্পৃক্ত হওয়া থেকেও বিচারকদের কঠোরভাবে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।
বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি ও মর্যাদা সুসংহত রাখার ওপর জোর দিয়ে পরিপত্রের শেষাংশে কঠোর সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়, নির্দেশিকা লঙ্ঘন করে কোনো বিচারক বা জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্য কোচিং সংক্রান্ত কার্যক্রমে নিজেকে জড়ান, তবে তাঁর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় শৃঙ্খলাসংক্রান্ত আইন ও বিধি অনুযায়ী যথাযথ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বিচার বিভাগের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে এই পদক্ষেপ অত্যন্ত সময়োপযোগী বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট আইনি মহল।
সম্প্রতি প্রকাশিত এক বিশেষ পরিপত্রে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের কোনো সদস্য সরাসরি শ্রেণিকক্ষে কিংবা বিভিন্ন ডিজিটাল বা অনলাইন প্ল্যাটফর্মে পরিচালিত বাণিজ্যিক কোচিং কার্যক্রমে শিক্ষা দান বা যেকোনো সম্পৃক্ততায় অংশ নিতে পারবেন না। সেই সঙ্গে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে কোনো কোচিং সেন্টারের প্রচার-প্রচারণা, ব্যানার, লিফলেট কিংবা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের বিজ্ঞাপনে বিচারকের নাম, পদবি, ছবি বা পরিচয় ব্যবহার করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বিচারকদের পক্ষ থেকেও এ ধরনের ব্যবহারের কোনো সম্মতি বা অনুমোদন দেওয়া যাবে না।
পরিপত্রে দাপ্তরিক গোপনীয়তা রক্ষার বিষয়ে বিশেষভাবে সতর্ক করে বলা হয়েছে, বিচারিক দায়িত্ব পালনের সূত্রে প্রাপ্ত যেকোনো গোপনীয়, অপ্রকাশিত বা দাপ্তরিক তথ্য সরাসরি কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের কোচিংয়ে প্রকাশ, সরবরাহ বা ব্যবহার করা যাবে না। পাশাপাশি, বাণিজ্যিকভিত্তিক পরিচালিত কোচিংয়ের জন্য প্রয়োজনীয় গাইড বই বা শিক্ষাসামগ্রী প্রস্তুত, সম্পাদনা, প্রকাশ কিংবা সরবরাহের কাজে সম্পৃক্ত হওয়া থেকেও বিচারকদের কঠোরভাবে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।
বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি ও মর্যাদা সুসংহত রাখার ওপর জোর দিয়ে পরিপত্রের শেষাংশে কঠোর সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়, নির্দেশিকা লঙ্ঘন করে কোনো বিচারক বা জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্য কোচিং সংক্রান্ত কার্যক্রমে নিজেকে জড়ান, তবে তাঁর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় শৃঙ্খলাসংক্রান্ত আইন ও বিধি অনুযায়ী যথাযথ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বিচার বিভাগের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে এই পদক্ষেপ অত্যন্ত সময়োপযোগী বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট আইনি মহল।

0 Comments