
গাজা সিটি ও মধ্য গাজার নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলি বাহিনীর পৃথক দুটি বিমান হামলায় অন্তত ১০ জন ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন। গাজা সিটির একটি পুলিশ পোস্ট এবং সাধারণ মানুষের ভিড়ে ঠাসা এলাকা লক্ষ্য করে এই নৃশংস হামলা চালানো হয়। ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা কামী সংগঠন হামাস এই বর্বরোচিত হামলাকে একটি ‘নতুন যুদ্ধাপরাধ’ হিসেবে অভিহিত করে এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।
গাজা সিটির আল-শিফা হাসপাতালের চিকিৎসাসূত্র নিশ্চিত করেছে, মিউনিসিপাল পুলিশ সদরদপ্তরে ইসরায়েলি হামলার পর অন্তত ৯ জন ফিলিস্তিনির মরদেহ সেখানে আনা হয়েছে। এই হামলায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১৫ জন। নিহতদের মধ্যে গাজা সিটির নবনিযুক্ত পুলিশ প্রধান, নারী পুলিশ বাহিনীর প্রধান এবং বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা রয়েছেন। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, যে সময়ে বিমান হামলাটি হয়, তখন পার্কের চারপাশের এলাকাটি শিশুসহ প্রচুর বেসামরিক মানুষে পরিপূর্ণ ছিল।
এর আগে দিনের শুরুর দিকে নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরে চালানো অপর এক বিমান হামলায় আরও এক ফিলিস্তিনি নিহত হন। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, তারা নুসেইরাত ও গাজা সিটির তুফাহ এলাকায় হামাসের কমান্ডারদের লক্ষ্য করে এই হামলা চালিয়েছে। তবে বরাবরের মতোই ইসরায়েল তাদের এই দাবির পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট বা নির্ভরযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি।
এক বিবৃতিতে হামাস ইসরায়েলের এই দাবিকে সম্পূর্ণ ‘ভিত্তিহীন ও মিথ্যা অজুহাত’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়, নিরামিষ পুলিশ কর্মকর্তা ও নিরপরাধ বেসামরিক নাগরিকদের ওপর চালানো পরিকল্পিত হামলা ঢাকতেই তেল আবিব এই ধরণের মনগড়া গল্প ফাঁদছে। হামাস আরও অভিযোগ করে যে, ইসরায়েল সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে সকল শান্তি প্রক্রিয়া নস্যাৎ করছে এবং গাজায় ফিলিস্তিনিদের ওপর পুনরায় গণহত্যা চালানোর গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। উল্লেখ্য, এর আগের দিন মঙ্গলবারও গাজা সিটির একটি জনবহুল ক্যাফেতে হামলা চালিয়ে এক শিশুসহ সাতজনকে হত্যা করেছিল ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী।
কূটনৈতিক প্রচেষ্টা যখন সম্পূর্ণ অচলাবস্থায় রূপ নিয়েছে, ঠিক তখনই এই রক্তক্ষয়ী হামলার ঘটনা ঘটে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার গাজা যুদ্ধ বন্ধের প্রস্তাব নিয়ে অঞ্চলটি সফর করার পরপরই এই আগ্রাসন চালানো হলো। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে কুশনারের বৈঠক সত্ত্বেও গাজায় সামরিক অভিযান বন্ধের বিষয়ে কোনো সুরাহা হয়নি। উল্টো কুশনার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, হামাস সম্পূর্ণভাবে অস্ত্র সমর্পণ না করলে যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলকে তাদের অভিযান শেষ করতে সব ধরনের সমর্থন দিয়ে যাবে।
গাজা সিটির আল-শিফা হাসপাতালের চিকিৎসাসূত্র নিশ্চিত করেছে, মিউনিসিপাল পুলিশ সদরদপ্তরে ইসরায়েলি হামলার পর অন্তত ৯ জন ফিলিস্তিনির মরদেহ সেখানে আনা হয়েছে। এই হামলায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১৫ জন। নিহতদের মধ্যে গাজা সিটির নবনিযুক্ত পুলিশ প্রধান, নারী পুলিশ বাহিনীর প্রধান এবং বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা রয়েছেন। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, যে সময়ে বিমান হামলাটি হয়, তখন পার্কের চারপাশের এলাকাটি শিশুসহ প্রচুর বেসামরিক মানুষে পরিপূর্ণ ছিল।
এর আগে দিনের শুরুর দিকে নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরে চালানো অপর এক বিমান হামলায় আরও এক ফিলিস্তিনি নিহত হন। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, তারা নুসেইরাত ও গাজা সিটির তুফাহ এলাকায় হামাসের কমান্ডারদের লক্ষ্য করে এই হামলা চালিয়েছে। তবে বরাবরের মতোই ইসরায়েল তাদের এই দাবির পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট বা নির্ভরযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি।
এক বিবৃতিতে হামাস ইসরায়েলের এই দাবিকে সম্পূর্ণ ‘ভিত্তিহীন ও মিথ্যা অজুহাত’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়, নিরামিষ পুলিশ কর্মকর্তা ও নিরপরাধ বেসামরিক নাগরিকদের ওপর চালানো পরিকল্পিত হামলা ঢাকতেই তেল আবিব এই ধরণের মনগড়া গল্প ফাঁদছে। হামাস আরও অভিযোগ করে যে, ইসরায়েল সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে সকল শান্তি প্রক্রিয়া নস্যাৎ করছে এবং গাজায় ফিলিস্তিনিদের ওপর পুনরায় গণহত্যা চালানোর গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। উল্লেখ্য, এর আগের দিন মঙ্গলবারও গাজা সিটির একটি জনবহুল ক্যাফেতে হামলা চালিয়ে এক শিশুসহ সাতজনকে হত্যা করেছিল ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী।
কূটনৈতিক প্রচেষ্টা যখন সম্পূর্ণ অচলাবস্থায় রূপ নিয়েছে, ঠিক তখনই এই রক্তক্ষয়ী হামলার ঘটনা ঘটে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার গাজা যুদ্ধ বন্ধের প্রস্তাব নিয়ে অঞ্চলটি সফর করার পরপরই এই আগ্রাসন চালানো হলো। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে কুশনারের বৈঠক সত্ত্বেও গাজায় সামরিক অভিযান বন্ধের বিষয়ে কোনো সুরাহা হয়নি। উল্টো কুশনার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, হামাস সম্পূর্ণভাবে অস্ত্র সমর্পণ না করলে যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলকে তাদের অভিযান শেষ করতে সব ধরনের সমর্থন দিয়ে যাবে।

0 Comments