
রাজধানীর মতিঝিল থেকে উত্তরা পর্যন্ত মেট্রোরেলের নিচে সিসিটিভি ক্যামেরা আছে কি না এবং সেগুলো তদারকি করা হয় কিনা তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব ও মেট্রোরেল প্রকল্পের পরিচালককে এই আদেশ বাস্তবায়ন করতে বলেছেন আদালত।
এ সংক্রান্ত বিষয়ে শুনানি নিয়ে রোববার (২৩ আগস্ট) হাইকোর্টের বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি আজিজ আহমদ ভূঞার সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আগামী ১৮ নভেম্বরের মধ্যে মেট্রোরেলের বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে ওইদিন শুনানির জন্য রেখেছেন হাইকোর্ট।
আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী তানভীর আহমেদ। তিনি জাগো নিউজকে আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, কয়েক মাস আগে একটি ইনসিডেন্ট হয়। ওই ইনসিডেন্টে বিয়ারিং প্যাড পড়ে একজন পথচারী মারা যান।
সেই খবর দেখার পর কয়েকজন আইনজীবী জনস্বার্থে মামলা করেন। তিনটি মামলা হয়। তিনটি মামলাতেই একসঙ্গে রুল ও ডাইরেকশন দেওয়া হয়।
আইনজীবী তানভীর আহমেদ বলেন, সেই মামলার ডাইরেকশনে ছিল, পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ কেন দেওয়া হবে না এবং একই সঙ্গে একটি এক্সপার্ট কমিটি করে মেট্রোরেলের ইনস অ্যান্ড আউট সবকিছু পর্যবেক্ষণ করে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়।
যে রিপোর্টটি তারা দুই মাস আগে জমা দিয়েছেন, সেখানে দেখা যায়, এক্সপার্ট কমিটি তিন ভাগে সুপারিশ করেছিল। একটি ছিল স্বল্পমেয়াদি, অর্থাৎ এক মাসের মধ্যে ইমিডিয়েটলি করার জন্য; একটি মধ্যমেয়াদি এবং একটি দীর্ঘমেয়াদি।
তিনি বলেন, যেগুলো ইমিডিয়েটলি করার কথা ছিল, সেগুলোর একটি আংশিক কমপ্লায়েন্স আজ মহামান্য আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে।
এই আইনজীবী আরও বলেন, রিপোর্টে যে আটটি বিষয় ছিল, সেগুলোর মধ্যে কয়েকটি পিলারে ক্র্যাক পাওয়া গিয়েছিল। এর মধ্যে পিলারগুলোর যে ব্রেকারগুলো স্থাপনের কথা ছিল, সেগুলো তারা ইনস্টল করেছে বলে জানিয়েছে। এর সঙ্গে আরও কিছু বিষয় ছিল, যেগুলো টেকনিক্যাল, সার্ভে ও অন্যান্য বিষয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। সেগুলো তারা অনগোয়িং রেখেছে এবং জানিয়েছে, এগুলোর পর্যবেক্ষণ এই মধ্যে করা হয়েছে।
মামলাটি শুনানি শেষে আদালত মন্তব্য করেন, মেট্রোরেল যেমন প্রয়োজন, প্রতিটি জীবনের গুরুত্বও তার চেয়ে কোনো অংশে কম নয়।
সঙ্গে সঙ্গে দুটি অবজারভেশন হিসেবে দুটি ডাইরেকশন দিয়েছেন আদালত। একটি হচ্ছে, মেট্রোরেলের মতিঝিল থেকে উত্তরা উত্তর পর্যন্ত অর্থাৎ পূর্ণাঙ্গ এমআরটি-৬ এর নিচে সারভেইল্যান্স ক্যামেরা আছে কি না এবং থাকলে সেগুলো যারা মনিটরিং করেন, তারা ঠিকমতো করছেন কি না, এই দুটি বিষয় পরবর্তী কমপ্লায়েন্সের ক্ষেত্রে জানাতে বলা হয়েছে।
ভিজিলেন্স টিম কীভাবে কাজ করে এবং এই কাজ সঠিকভাবে হচ্ছে কি না, সে বিষয়ে একটি রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে মেট্রোরেলের একদম প্রথম থেকে অর্থাৎ মতিঝিল থেকে উত্তরা উত্তর পর্যন্ত নিচে ক্যামেরা ইনস্টল করা আছে কি না, সেটিও জানতে চেয়েছেন আদালত।
আইনজীবী তানভীর আহমেদ আরও বলেন, ক্যামেরার কাজ হচ্ছে, মেট্রোরেলের বিশাল এলাকাজুড়ে শারীরিকভাবে সবকিছু কাভার করা সম্ভব নয়। প্রতিটি জায়গা প্রতিদিন গিয়ে দেখা সম্ভব নয়। এ জন্য সিসিটিভি মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা থাকে। যেসব জায়গা সংবেদনশীল, সেসব জায়গায় তারা এটাও বলেছেন, স্যাবোটাজ করার মতো অনেক কিছু অনেকে করতে পারে। সুতরাং সেগুলো যদি সিসিটিভির আওতায় না থাকে, তাহলে যে কেউ যেকোনো ধরনের ক্রাইম করতে পারে অথবা কোনো সমস্যা হতে পারে। মহামান্য আদালত এ বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন এবং সে কারণেই তারা জানতে চেয়েছেন, সিসিটিভি ক্যামেরা ইনস্টল করা আছে কি না।
এফএইচ/এমএমকে
এ সংক্রান্ত বিষয়ে শুনানি নিয়ে রোববার (২৩ আগস্ট) হাইকোর্টের বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি আজিজ আহমদ ভূঞার সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আগামী ১৮ নভেম্বরের মধ্যে মেট্রোরেলের বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে ওইদিন শুনানির জন্য রেখেছেন হাইকোর্ট।
আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী তানভীর আহমেদ। তিনি জাগো নিউজকে আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, কয়েক মাস আগে একটি ইনসিডেন্ট হয়। ওই ইনসিডেন্টে বিয়ারিং প্যাড পড়ে একজন পথচারী মারা যান।
সেই খবর দেখার পর কয়েকজন আইনজীবী জনস্বার্থে মামলা করেন। তিনটি মামলা হয়। তিনটি মামলাতেই একসঙ্গে রুল ও ডাইরেকশন দেওয়া হয়।
আইনজীবী তানভীর আহমেদ বলেন, সেই মামলার ডাইরেকশনে ছিল, পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ কেন দেওয়া হবে না এবং একই সঙ্গে একটি এক্সপার্ট কমিটি করে মেট্রোরেলের ইনস অ্যান্ড আউট সবকিছু পর্যবেক্ষণ করে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়।
যে রিপোর্টটি তারা দুই মাস আগে জমা দিয়েছেন, সেখানে দেখা যায়, এক্সপার্ট কমিটি তিন ভাগে সুপারিশ করেছিল। একটি ছিল স্বল্পমেয়াদি, অর্থাৎ এক মাসের মধ্যে ইমিডিয়েটলি করার জন্য; একটি মধ্যমেয়াদি এবং একটি দীর্ঘমেয়াদি।
তিনি বলেন, যেগুলো ইমিডিয়েটলি করার কথা ছিল, সেগুলোর একটি আংশিক কমপ্লায়েন্স আজ মহামান্য আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে।
এই আইনজীবী আরও বলেন, রিপোর্টে যে আটটি বিষয় ছিল, সেগুলোর মধ্যে কয়েকটি পিলারে ক্র্যাক পাওয়া গিয়েছিল। এর মধ্যে পিলারগুলোর যে ব্রেকারগুলো স্থাপনের কথা ছিল, সেগুলো তারা ইনস্টল করেছে বলে জানিয়েছে। এর সঙ্গে আরও কিছু বিষয় ছিল, যেগুলো টেকনিক্যাল, সার্ভে ও অন্যান্য বিষয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। সেগুলো তারা অনগোয়িং রেখেছে এবং জানিয়েছে, এগুলোর পর্যবেক্ষণ এই মধ্যে করা হয়েছে।
মামলাটি শুনানি শেষে আদালত মন্তব্য করেন, মেট্রোরেল যেমন প্রয়োজন, প্রতিটি জীবনের গুরুত্বও তার চেয়ে কোনো অংশে কম নয়।
সঙ্গে সঙ্গে দুটি অবজারভেশন হিসেবে দুটি ডাইরেকশন দিয়েছেন আদালত। একটি হচ্ছে, মেট্রোরেলের মতিঝিল থেকে উত্তরা উত্তর পর্যন্ত অর্থাৎ পূর্ণাঙ্গ এমআরটি-৬ এর নিচে সারভেইল্যান্স ক্যামেরা আছে কি না এবং থাকলে সেগুলো যারা মনিটরিং করেন, তারা ঠিকমতো করছেন কি না, এই দুটি বিষয় পরবর্তী কমপ্লায়েন্সের ক্ষেত্রে জানাতে বলা হয়েছে।
ভিজিলেন্স টিম কীভাবে কাজ করে এবং এই কাজ সঠিকভাবে হচ্ছে কি না, সে বিষয়ে একটি রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে মেট্রোরেলের একদম প্রথম থেকে অর্থাৎ মতিঝিল থেকে উত্তরা উত্তর পর্যন্ত নিচে ক্যামেরা ইনস্টল করা আছে কি না, সেটিও জানতে চেয়েছেন আদালত।
আইনজীবী তানভীর আহমেদ আরও বলেন, ক্যামেরার কাজ হচ্ছে, মেট্রোরেলের বিশাল এলাকাজুড়ে শারীরিকভাবে সবকিছু কাভার করা সম্ভব নয়। প্রতিটি জায়গা প্রতিদিন গিয়ে দেখা সম্ভব নয়। এ জন্য সিসিটিভি মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা থাকে। যেসব জায়গা সংবেদনশীল, সেসব জায়গায় তারা এটাও বলেছেন, স্যাবোটাজ করার মতো অনেক কিছু অনেকে করতে পারে। সুতরাং সেগুলো যদি সিসিটিভির আওতায় না থাকে, তাহলে যে কেউ যেকোনো ধরনের ক্রাইম করতে পারে অথবা কোনো সমস্যা হতে পারে। মহামান্য আদালত এ বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন এবং সে কারণেই তারা জানতে চেয়েছেন, সিসিটিভি ক্যামেরা ইনস্টল করা আছে কি না।
এফএইচ/এমএমকে

0 Comments