
ভারত সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) নেতাদের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক বা কূটনৈতিক সুবিধা না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা কমিশন (ইউএসসিআইআরএফ)। একই সঙ্গে, ধর্মীয় স্বাধীনতা লঙ্ঘনের অভিযোগে আরএসএসের সদস্যদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের সুপারিশ করেছে কমিশন।
ইউএসসিআইআরএফের কমিশনার জিন মিলস বলেন, আরএসএসের নেতাদের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক বা কূটনৈতিক সৌজন্য দেখানো উচিত হবে না। বিশেষ করে, ভারত সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আরএসএস নেতাদের এমন সুবিধা না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। এর পরিবর্তে, যুক্তরাষ্ট্রের উচিত ধর্মীয় স্বাধীনতা লঙ্ঘনের অভিযোগে আরএসএসের সদস্যদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপে মনোযোগ দেওয়া।
ইউএসসিআইআরএফের চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে আরএসএসের কঠোর সমালোচনা করেন। এ সময় তিনি সংগঠনটির অধীনে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠী ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেন।
ভারতে ধর্মীয় স্বাধীনতার পরিস্থিতি নিয়ে ইউএসসিআইআরএফ এর আগেও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। গত মার্চে প্রকাশিত কমিশনের বার্ষিক প্রতিবেদনে ভারতের বিরুদ্ধে ধর্মীয় স্বাধীনতা লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলে সংগঠনটি। প্রতিবেদনে তখন আরএসএসসহ বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার সুপারিশ করা হয়েছিল। এর মধ্যে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইং বা ‘র’-এর নামও ছিল।
ধর্মীয় স্বাধীনতা লঙ্ঘনের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি ভারতকে ‘কান্ট্রি অব পার্টিকুলার কনসার্ন’ বা বিশেষ উদ্বেগের দেশ হিসেবে চিহ্নিত করার সুপারিশও করেছিল ইউএসসিআইআরএফ।
তবে, ইউএসসিআইআরএফের সাম্প্রতিক এসব বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করেছে নয়াদিল্লি। এ সময় ইউএসসিআইআরএফকে একটি পক্ষপাতদুষ্ট সংগঠন বলেও মন্তব্য করেছেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল।
আরএসএস ভারতের অন্যতম প্রভাবশালী হিন্দুত্ববাদী সংগঠন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দীর্ঘদিন সংগঠনটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ফলে, আরএসএসকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের একটি সরকারি কমিশনের কঠোর অবস্থান ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের রাজনৈতিক ও মানবাধিকার আলোচনায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন অনেক বিশ্লেষক।
ইউএসসিআইআরএফের কমিশনার জিন মিলস বলেন, আরএসএসের নেতাদের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক বা কূটনৈতিক সৌজন্য দেখানো উচিত হবে না। বিশেষ করে, ভারত সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আরএসএস নেতাদের এমন সুবিধা না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। এর পরিবর্তে, যুক্তরাষ্ট্রের উচিত ধর্মীয় স্বাধীনতা লঙ্ঘনের অভিযোগে আরএসএসের সদস্যদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপে মনোযোগ দেওয়া।
ইউএসসিআইআরএফের চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে আরএসএসের কঠোর সমালোচনা করেন। এ সময় তিনি সংগঠনটির অধীনে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠী ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেন।
ভারতে ধর্মীয় স্বাধীনতার পরিস্থিতি নিয়ে ইউএসসিআইআরএফ এর আগেও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। গত মার্চে প্রকাশিত কমিশনের বার্ষিক প্রতিবেদনে ভারতের বিরুদ্ধে ধর্মীয় স্বাধীনতা লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলে সংগঠনটি। প্রতিবেদনে তখন আরএসএসসহ বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার সুপারিশ করা হয়েছিল। এর মধ্যে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইং বা ‘র’-এর নামও ছিল।
ধর্মীয় স্বাধীনতা লঙ্ঘনের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি ভারতকে ‘কান্ট্রি অব পার্টিকুলার কনসার্ন’ বা বিশেষ উদ্বেগের দেশ হিসেবে চিহ্নিত করার সুপারিশও করেছিল ইউএসসিআইআরএফ।
তবে, ইউএসসিআইআরএফের সাম্প্রতিক এসব বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করেছে নয়াদিল্লি। এ সময় ইউএসসিআইআরএফকে একটি পক্ষপাতদুষ্ট সংগঠন বলেও মন্তব্য করেছেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল।
আরএসএস ভারতের অন্যতম প্রভাবশালী হিন্দুত্ববাদী সংগঠন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দীর্ঘদিন সংগঠনটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ফলে, আরএসএসকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের একটি সরকারি কমিশনের কঠোর অবস্থান ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের রাজনৈতিক ও মানবাধিকার আলোচনায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন অনেক বিশ্লেষক।

0 Comments