
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের নাগরিকত্ব সংক্রান্ত বিষয়ে সাংবাদিকদের করা প্রশ্নের জবাবে তাঁর প্রতিক্রিয়াকে ‘অপেশাদার, বিদ্রূপাত্মক ও আক্রমণাত্মক’ বলে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশি জার্নালিস্টস ইন ইন্টারন্যাশনাল মিডিয়া (বিজেআইএম)। সংগঠনটি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীকে তাঁর অনভিপ্রেত মন্তব্য অবিলম্বে প্রত্যাহার করার আহ্বান জানিয়েছে এবং একই সঙ্গে তাঁর নাগরিকত্ব ও সাংবিধানিক যোগ্যতা নিয়ে ওঠা প্রশ্নের স্পষ্ট ও সঠিক জবাব দেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছে।
সোমবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন বিজেআইএম জানায়, একজন প্রভাবশালী মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে প্রতিমন্ত্রীর কাছ থেকে যে ধরনের পেশাদারত্ব প্রত্যাশা করা যায়, তাঁর বক্তব্যে তার চরম অভাব দেখা গেছে। সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা নিয়ে সাংবাদিকদের অত্যন্ত যৌক্তিক ও সরাসরি এক প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে, তিনি উল্টো সংবাদমাধ্যমকে বিদ্রূপ করেছেন এবং রাজনৈতিক ইঙ্গিতপূর্ণ বক্তব্য দিয়ে বিষয়টিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করেছেন।
ঘটনার সূত্রপাত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক প্রেস ব্রিফিং থেকে। যুক্তরাজ্যের রাজনীতি ও স্থানীয় সরকারের সঙ্গে দীর্ঘ দিন যুক্ত থাকা হুমায়ুন কবির পূর্বে লেবার পার্টি থেকে বেনশাম ম্যানরের কাউন্সিলর এবং ২০১৯ থেকে ২০২০ মেয়াদে ক্রোয়িডনের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ফলে, মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব গ্রহণের পূর্বে তিনি যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব নিয়ম মেনে ত্যাগ করেছিলেন কি না—তা জানতে চান সাংবাদিকরা। এই প্রশ্নের জবাবে ক্যামেরা ও সংবাদমাধ্যমের সামনে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "কার এত জ্বালা যে কাজ করতে দেবে না, হ্যাঁ? তো তার জ্বালা কেন হচ্ছে? তার কি ২০০৮-এর জ্বালা উঠছে নাকি আবার? মইনউদ্দিন-ফখরুদ্দীনের জ্বালা উঠছে তার আবার? নাকি?"
বিজেআইএম তাদের বিবৃতিতে স্পষ্ট উল্লেখ করেছে যে, জনস্বার্থে করা একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের জবাবে মূল বিষয় এড়িয়ে এমন আক্রমণাত্মক ভাষা ব্যবহার করা এবং স্বাধীন সাংবাদিকদের অগণতান্ত্রিক রাজনীতির সাথে জড়িয়ে ইঙ্গিত দেওয়া মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের আচরণ স্বাধীন গণমাধ্যমকে কোণঠাসা করার একটি অপচেষ্টা এবং এর ফলে সাংবাদিকেরা সরকারি কর্মকর্তাদের কাছে যৌক্তিক প্রশ্ন তুলতে ভয় পাবেন বা স্ব-আরোপিত বিধিনিষেধ মেনে চলতে বাধ্য হবেন। অতীতে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এ জাতীয় ভীতি প্রদর্শনের প্রবণতা নিয়মিত দেখা যেত বলে স্মরণ করিয়ে দেয় সংগঠনটি।
বিজেআইএম সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছে, সাংবাদিকদের কোনো রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখা উচিত নয়। তাঁরা জনগণের হয়ে সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। তাই প্রতিমন্ত্রীর এই অনভিপ্রেত বক্তব্য অবিলম্বে প্রত্যাহার করে বিতর্ক এড়াতে তাঁর নাগরিকত্ব পরিস্থিতি নিয়ে স্বচ্ছ ও সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া একান্ত প্রয়োজন।
সোমবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন বিজেআইএম জানায়, একজন প্রভাবশালী মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে প্রতিমন্ত্রীর কাছ থেকে যে ধরনের পেশাদারত্ব প্রত্যাশা করা যায়, তাঁর বক্তব্যে তার চরম অভাব দেখা গেছে। সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা নিয়ে সাংবাদিকদের অত্যন্ত যৌক্তিক ও সরাসরি এক প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে, তিনি উল্টো সংবাদমাধ্যমকে বিদ্রূপ করেছেন এবং রাজনৈতিক ইঙ্গিতপূর্ণ বক্তব্য দিয়ে বিষয়টিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করেছেন।
ঘটনার সূত্রপাত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক প্রেস ব্রিফিং থেকে। যুক্তরাজ্যের রাজনীতি ও স্থানীয় সরকারের সঙ্গে দীর্ঘ দিন যুক্ত থাকা হুমায়ুন কবির পূর্বে লেবার পার্টি থেকে বেনশাম ম্যানরের কাউন্সিলর এবং ২০১৯ থেকে ২০২০ মেয়াদে ক্রোয়িডনের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ফলে, মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব গ্রহণের পূর্বে তিনি যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব নিয়ম মেনে ত্যাগ করেছিলেন কি না—তা জানতে চান সাংবাদিকরা। এই প্রশ্নের জবাবে ক্যামেরা ও সংবাদমাধ্যমের সামনে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "কার এত জ্বালা যে কাজ করতে দেবে না, হ্যাঁ? তো তার জ্বালা কেন হচ্ছে? তার কি ২০০৮-এর জ্বালা উঠছে নাকি আবার? মইনউদ্দিন-ফখরুদ্দীনের জ্বালা উঠছে তার আবার? নাকি?"
বিজেআইএম তাদের বিবৃতিতে স্পষ্ট উল্লেখ করেছে যে, জনস্বার্থে করা একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের জবাবে মূল বিষয় এড়িয়ে এমন আক্রমণাত্মক ভাষা ব্যবহার করা এবং স্বাধীন সাংবাদিকদের অগণতান্ত্রিক রাজনীতির সাথে জড়িয়ে ইঙ্গিত দেওয়া মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের আচরণ স্বাধীন গণমাধ্যমকে কোণঠাসা করার একটি অপচেষ্টা এবং এর ফলে সাংবাদিকেরা সরকারি কর্মকর্তাদের কাছে যৌক্তিক প্রশ্ন তুলতে ভয় পাবেন বা স্ব-আরোপিত বিধিনিষেধ মেনে চলতে বাধ্য হবেন। অতীতে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এ জাতীয় ভীতি প্রদর্শনের প্রবণতা নিয়মিত দেখা যেত বলে স্মরণ করিয়ে দেয় সংগঠনটি।
বিজেআইএম সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছে, সাংবাদিকদের কোনো রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখা উচিত নয়। তাঁরা জনগণের হয়ে সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। তাই প্রতিমন্ত্রীর এই অনভিপ্রেত বক্তব্য অবিলম্বে প্রত্যাহার করে বিতর্ক এড়াতে তাঁর নাগরিকত্ব পরিস্থিতি নিয়ে স্বচ্ছ ও সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া একান্ত প্রয়োজন।

0 Comments