গত ২৪ ঘণ্টায় আটশোর বেশি নতুন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৮৩৯ জন। একই সময়ে মারা গেছেন পাঁচ জন।

রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, দেশের আট বিভাগে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৮৩৯ জন।

এর ফলে গত পহেলা জানুয়ারি থেকে হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৮ হাজার ৯২৯ জনে।

গত ২৪ ঘণ্টায় যে পাঁচজন মারা গেছেন তাদের মধ্যে চারজনই ঢাকা বিভাগের। বাকি একজন ময়মনসিংহ বিভাগের রোগী।

আর এই বছরের পহেলা জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মোট ৮২ জন মারা গেছেন।

বিদ্রোহে বিধ্বস্ত থাইল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলে “অস্থিরতা সৃষ্টির লক্ষ্যে” ৫০টিরও বেশি সমন্বিত অগ্নিসংযোগ এবং হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সামরিক বাহিনী। এসব হামলায় দুইজন আহত হয়েছেন।

একটি স্থানীয় সরকারি কার্যালয়ের ভবন, একটি স্টোর এবং চুরি হওয়া একটি যানবাহন এই অগ্নিকাণ্ডের লক্ষ্যবস্তু ছিল।

দেশটির সামরিক বাহিনীর ইন্টারনাল সিকিউরিটি অপারেশনস কমান্ড এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, শনিবার স্থানীয় সময় রাত আটটা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত দক্ষিণ সীমান্ত প্রদেশগুলোতে এই অগ্নিসংযোগের ঘটনাগুলো ঘটে।

নারাথিওয়াত প্রদেশ থেকে অধিকাংশ হামলার খবরগুলো পাওয়া গেছে। এছাড়া বাকিগুলো পার্শ্ববর্তী ইয়ালা ও পাত্তানি প্রদেশে ঘটেছে।

দেশটির সংবাদ মাধ্যম ব্যাংকক পোস্টের খবর অনুযায়ী, নারাথিওয়াত প্রদেশের মুয়াং জেলায় একটি বোমা বিস্ফোরণে দুইজন নারী আহত হয়েছেন।

বেশ কয়েকটি স্থানে টেলিযোগাযোগ টাওয়ারে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং জনগণকে সন্দেহজনক কোনো বস্তু স্পর্শ না করার জন্য সতর্ক করেছেন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

নারাথিওয়াত প্রদেশে রাতভর কারফিউ জারি করেছিল সেখানকার কর্তৃপক্ষ।

রোববার সকালে কারফিউ তুলে নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে, নতুন করে কোনো হামলার খবর পাওয়া যায়নি রোববার। এখন পর্যন্ত কোন গ্রুপও এসব অগ্নিসংযোগের ঘটনার দায় স্বীকার করেনি।

২০০৪ সাল থেকে বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ থাইল্যান্ডের দক্ষিণ প্রদেশগুলোতে হালকা ধরনের সংঘাত বিরাজ করছে।

সেখানে পূর্ণাঙ্গ স্বায়ত্তশাসনের জন্য মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলের বিদ্রোহীরা লড়াই করছে। এই সহিংসতায় এখন পর্যন্ত সাত হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।

এই বিদ্রোহের প্রধান নেতৃত্ব দিচ্ছেন বারিসান রেভোলুসি নাসিওনাল।

আঞ্চলিক পরিস্থিতি এবং উত্তেজনা কমানোর চেষ্টায় ওমান এবং মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। পৃথক দুইটি টেলিফোন কলে মি. আরাঘচি তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মি. আরাঘচি ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর বুসাইদির সঙ্গে “আলোচনা পুনরায় শুরুর উপযুক্ত পরিস্থিতি” এবং হরমুজ প্রণালিতে নৌ-চলাচলের বিষয় নিয়েও কথা বলেছেন।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনায় ওমান প্রধান মধ্যস্থতাকারী দেশ হিসেবে কাজ করেছে সাম্প্রতিক দেশগুলোতে।

বর্তমানে দুই দেশের মধ্যকার সংলাপ স্থগিত রয়েছে।

মিসরীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আবদেল আতির সঙ্গে টেলিফোন আলাপে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মি. আরাঘচি, পারস্য উপসাগর ও লোহিত সাগরের পরিস্থিতি এবং এই অঞ্চলে উত্তেজনা কমানোর সর্বশেষ কূটনৈতিক চেষ্টা নিয়ে আলোচনা করেন।

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান “যুদ্ধও নয়, শান্তিও নয়” এমন পরিস্থিতির নিরসনের প্রতি জোর দেন।

ইরানের প্রেসিডেন্ট সমস্যা সমাধানের জন্য “শক্তি দিয়ে হলেও যুক্তি দিয়ে” আলোচনা করা সম্ভব বলে উল্লেখ করার পরই এই ফোনালাপগুলো হলো।

ঢাকায় অবস্থিত দুইটি বিদেশি দূতাবাসে ই-মেইলের মাধ্যমে হুমকির ঘটনায় বারিধারা ও গুলশানের পুরো কূটনৈতিক এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরো জোরদার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

রোববার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিপ্লোমেটিক সিকিউরিটি বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার বা এডিসি আবু খায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মি. খায়ের বলেন, “চায়না এবং রাশিয়া তাদেরকে একটা হুমকি দিয়ে ই-মেইল করা হয়েছে। বাট ওইটা কোন জায়গা থেকে আসছে ওইরকম কিছু না। আমরা ধারণা করছি, এটা স্ক্যামের, ফেইক।”

ঢাকায় নিযুক্ত বিদেশি দূতাবাসগুলো নিয়মানুযায়ী বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে বিষয়টি অবহিত করেছে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পুলিশ সদর দফতর এবং কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমকে বিষয়টি অবহিত করার পর দূতাবাসগুলোর এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মনিটরিং আরো জোরদার করা হয়েছে।

“তারা আমাদেরকে কিছু জানায় নাই। তারা মনে হয় মিনিস্ট্রি অফ ফরেইন অ্যাফেয়ার্সকে জানাইছে। আমি অফিসিয়ালি কোন কিছু পাই নাই বাট যখন জানছি আমাদের যে এক্সিসটিং সিকিউরিটি মেজার সেগুলোই আরো জোরদার করা হয়েছে। ওইরকম কোন কিছু মনে করতেছি না” বলেন মি. খায়ের।

তবে এ বিষয়ে থানায় জিডি বা লিখিত কোন অভিযোগ করা হয়নি বলে জানান মি. খায়ের।

Post a Comment

0 Comments