
আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আবারও চরমে উঠেছে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যকার মনস্তাত্ত্বিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ। সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনার সম্ভাবনাকে এক বাক্যে খারিজ করে দিয়েছেন। ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই বক্তব্যকে গুরুত্ব না দিয়ে উল্টো ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি দাবি করেছেন যে, ওয়াশিংটনই নাকি মধ্যস্থতা ও আলোচনার জন্য তেহরানের কাছে ‘অনুনয়-বিনয়’ করছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং বিভিন্ন বার্তা সংস্থায় মার্কিন ডোনাল্ড ট্রাম্প সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, তেহরানের সঙ্গে নতুন করে কোনো দ্বিপাক্ষিক আলোচনা বা বৈঠকের বিষয়ে কোনো সময়সূচি নির্ধারিত হয়নি। তেহরানের ওপর ওয়াশিংটনের কঠোর নীতি অব্যাহত থাকবে উল্লেখ করে তিনি জানান, ইরানকে কোনোভাবেই নতিস্বীকার না করিয়ে বা তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণ না করে ছাড় দেওয়া হবে না।
তবে ট্রাম্পের এই জোরালো দাবির কড়া জবাব দিয়েছে তেহরান। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এক বক্তব্যে বলেন, নজিরবিহীন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ও সর্বাত্মক চাপ প্রয়োগ করেও ইরানকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে মার্কিন প্রশাসন। সব কৌশল ব্যর্থ হওয়ার পর এখন ব্যাকফুটে গিয়ে ওয়াশিংটন ব্যাকচ্যানেলে আলোচনার জন্য ইরানের কাছে অনুনয়-বিনয় করছে। আরাঘচির মতে, ইরানি জনগণের শক্ত প্রতিরোধ এবং সার্বভৌমত্বের কারণেই আমেরিকা আজ নতিস্বীকার করতে বাধ্য হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধাবস্থা এবং ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ঘিরে ওয়াশিংটন ও তেহরানের এই বিপরীতমুখী অবস্থান আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলছে। সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর আগের মেয়াদে ২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তি থেকে একতরফাভাবে বেরিয়ে এসে ইরানের বিরুদ্ধে 'সর্বোচ্চ চাপ নীতি' গ্রহণ করেছিলেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে ট্রাম্পের কঠোর বক্তব্য এবং তেহরানের পাল্টা দাবির ফলে দুই দেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের স্নায়ুযুদ্ধ নতুন এক অনিশ্চয়তার দিকে মোড় নিচ্ছে।
ইরান পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে, কোনো ধরনের অন্যায্য শর্ত বা চাপ প্রয়োগের মুখে তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো সংলাপে অংশ নেবে না। এর ফলে নিকট ভবিষ্যতে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যকার কূটনৈতিক বরফ গলার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না বলে মনে করছেন বিশ্ব রাজনীতির পর্যবেক্ষকরা।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং বিভিন্ন বার্তা সংস্থায় মার্কিন ডোনাল্ড ট্রাম্প সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, তেহরানের সঙ্গে নতুন করে কোনো দ্বিপাক্ষিক আলোচনা বা বৈঠকের বিষয়ে কোনো সময়সূচি নির্ধারিত হয়নি। তেহরানের ওপর ওয়াশিংটনের কঠোর নীতি অব্যাহত থাকবে উল্লেখ করে তিনি জানান, ইরানকে কোনোভাবেই নতিস্বীকার না করিয়ে বা তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণ না করে ছাড় দেওয়া হবে না।
তবে ট্রাম্পের এই জোরালো দাবির কড়া জবাব দিয়েছে তেহরান। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এক বক্তব্যে বলেন, নজিরবিহীন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ও সর্বাত্মক চাপ প্রয়োগ করেও ইরানকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে মার্কিন প্রশাসন। সব কৌশল ব্যর্থ হওয়ার পর এখন ব্যাকফুটে গিয়ে ওয়াশিংটন ব্যাকচ্যানেলে আলোচনার জন্য ইরানের কাছে অনুনয়-বিনয় করছে। আরাঘচির মতে, ইরানি জনগণের শক্ত প্রতিরোধ এবং সার্বভৌমত্বের কারণেই আমেরিকা আজ নতিস্বীকার করতে বাধ্য হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধাবস্থা এবং ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ঘিরে ওয়াশিংটন ও তেহরানের এই বিপরীতমুখী অবস্থান আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলছে। সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর আগের মেয়াদে ২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তি থেকে একতরফাভাবে বেরিয়ে এসে ইরানের বিরুদ্ধে 'সর্বোচ্চ চাপ নীতি' গ্রহণ করেছিলেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে ট্রাম্পের কঠোর বক্তব্য এবং তেহরানের পাল্টা দাবির ফলে দুই দেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের স্নায়ুযুদ্ধ নতুন এক অনিশ্চয়তার দিকে মোড় নিচ্ছে।
ইরান পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে, কোনো ধরনের অন্যায্য শর্ত বা চাপ প্রয়োগের মুখে তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো সংলাপে অংশ নেবে না। এর ফলে নিকট ভবিষ্যতে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যকার কূটনৈতিক বরফ গলার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না বলে মনে করছেন বিশ্ব রাজনীতির পর্যবেক্ষকরা।

0 Comments