
দেশে তীব্র জ্বালানি সংকট ও অস্বাভাবিক হারে বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে বিকল্প পথ খুঁজছেন শিল্পউদ্যোক্তারা। বিশ্ববাজারের তীব্র প্রতিযোগিতা এবং বিদেশি ক্রেতাদের কার্বন নিঃসরণ কমানোর শর্ত পূরণ করতে এখন ব্যাপকভাবে সৌরবিদ্যুতের দিকে ঝুঁকছে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠীগুলো। ইতিমধ্যে কারখানাগুলোর ছাদে বসানো সৌরবিদ্যুৎ ইউনিট থেকে ৬০০ মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে, যা জাতীয় গ্রিডের ওপর চাপ কমানোর পাশাপাশি কারখানাগুলোর উৎপাদন খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনছে।
ডিবিএল, প্রাণ-আরএফএল, আকিজ বশির, মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ (এমজিআই), ওয়ালটন, হা-মীম, বিএসআরএম, প্যাসিফিক জিনস ও রাইজিং গ্রুপের মতো বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো ইতিমধ্যে তাদের কারখানার ছাদে বিশাল ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ প্ল্যান্ট স্থাপন করেছে। উদাহরণস্বরূপ, আকিজ বশির গ্রুপ বর্তমানে ৭৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ নিজেদের ছাদভিত্তিক প্ল্যান্ট থেকে পাচ্ছে এবং আরও ২৮ মেগাওয়াট উৎপাদনের কাজ চালাচ্ছে। একইভাবে প্রাণ-আরএফএল ১০০ মেগাওয়াট এবং এমজিআই প্রায় ১১৫ মেগাওয়াটের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে সৌরপ্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।
শিল্পোদ্যোক্তারা জানান, জাতীয় গ্রিড থেকে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ কিনতে খরচ পড়ে ১২ থেকে ১৬ টাকা। বিপরীতে কারখানার ছাদে উৎপাদিত সৌরবিদ্যুতের প্রতি ইউনিটের খরচ পড়ছে মাত্র ৪ থেকে ৮ টাকা। অর্থাৎ, প্রাথমিক বিনিয়োগের পর সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে বিদ্যুতের খরচ অর্ধেকেরও নিচে নামিয়ে আনা সম্ভব হচ্ছে। দিনের বেলায় সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের ফলে কারখানার মোট চাহিদার ৫ থেকে ১৫ শতাংশ (কোনো কোনো কারখানায় শতভাগ পর্যন্ত) অভ্যন্তরীণভাবে মেটানো সম্ভব হচ্ছে, যা বৈশ্বিক মন্দার মধ্যেও ব্যবসাকে প্রতিযোগিতামূলক রাখতে সহায়তা করছে।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংস্থা আইইইএফএ-এর সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশের বড় শিল্পকারখানাগুলোর ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতের প্রকৃত সক্ষমতা ইতিমধ্যে ৬৬৭ মেগাওয়াটে পৌঁছেছে। ছোট-বড় সব স্থাপনা হিসাব করলে এই উৎপাদন ১ হাজার মেগাওয়াট স্পর্শ করতে পারে। বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিপিডির জরিপ বলছে, কেবল তৈরি পোশাক খাতেই প্রায় ১,৭৬৮ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে।
তবে সৌরবিদ্যুৎ বিস্তারে অর্থায়নের জটিলতা ও ঋণের কঠোর শর্তকে বড় বাধা হিসেবে দেখছেন উদ্যোক্তারা। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ২০৩০ সালের মধ্যে কার্বন নিঃসরণ ৩০ শতাংশ কমানোর বাধ্যবাধকতা দেওয়ায় রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক খাতের ওপর সবুজ শক্তিতে রূপান্তরের তীব্র চাপ রয়েছে। খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, স্বল্প সুদে ঋণ সুবিধা বৃদ্ধি, ব্যাংক গ্যারান্টির শর্ত শিথিল করা এবং সরকারের পক্ষ থেকে নীতিগত সহায়তা জোরালো করা হলে দেশের শিল্পখাত সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন এক যুগান্তকারী বিপ্লব ঘটাবে।
ডিবিএল, প্রাণ-আরএফএল, আকিজ বশির, মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ (এমজিআই), ওয়ালটন, হা-মীম, বিএসআরএম, প্যাসিফিক জিনস ও রাইজিং গ্রুপের মতো বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো ইতিমধ্যে তাদের কারখানার ছাদে বিশাল ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ প্ল্যান্ট স্থাপন করেছে। উদাহরণস্বরূপ, আকিজ বশির গ্রুপ বর্তমানে ৭৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ নিজেদের ছাদভিত্তিক প্ল্যান্ট থেকে পাচ্ছে এবং আরও ২৮ মেগাওয়াট উৎপাদনের কাজ চালাচ্ছে। একইভাবে প্রাণ-আরএফএল ১০০ মেগাওয়াট এবং এমজিআই প্রায় ১১৫ মেগাওয়াটের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে সৌরপ্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।
শিল্পোদ্যোক্তারা জানান, জাতীয় গ্রিড থেকে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ কিনতে খরচ পড়ে ১২ থেকে ১৬ টাকা। বিপরীতে কারখানার ছাদে উৎপাদিত সৌরবিদ্যুতের প্রতি ইউনিটের খরচ পড়ছে মাত্র ৪ থেকে ৮ টাকা। অর্থাৎ, প্রাথমিক বিনিয়োগের পর সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে বিদ্যুতের খরচ অর্ধেকেরও নিচে নামিয়ে আনা সম্ভব হচ্ছে। দিনের বেলায় সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের ফলে কারখানার মোট চাহিদার ৫ থেকে ১৫ শতাংশ (কোনো কোনো কারখানায় শতভাগ পর্যন্ত) অভ্যন্তরীণভাবে মেটানো সম্ভব হচ্ছে, যা বৈশ্বিক মন্দার মধ্যেও ব্যবসাকে প্রতিযোগিতামূলক রাখতে সহায়তা করছে।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংস্থা আইইইএফএ-এর সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশের বড় শিল্পকারখানাগুলোর ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতের প্রকৃত সক্ষমতা ইতিমধ্যে ৬৬৭ মেগাওয়াটে পৌঁছেছে। ছোট-বড় সব স্থাপনা হিসাব করলে এই উৎপাদন ১ হাজার মেগাওয়াট স্পর্শ করতে পারে। বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিপিডির জরিপ বলছে, কেবল তৈরি পোশাক খাতেই প্রায় ১,৭৬৮ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে।
তবে সৌরবিদ্যুৎ বিস্তারে অর্থায়নের জটিলতা ও ঋণের কঠোর শর্তকে বড় বাধা হিসেবে দেখছেন উদ্যোক্তারা। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ২০৩০ সালের মধ্যে কার্বন নিঃসরণ ৩০ শতাংশ কমানোর বাধ্যবাধকতা দেওয়ায় রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক খাতের ওপর সবুজ শক্তিতে রূপান্তরের তীব্র চাপ রয়েছে। খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, স্বল্প সুদে ঋণ সুবিধা বৃদ্ধি, ব্যাংক গ্যারান্টির শর্ত শিথিল করা এবং সরকারের পক্ষ থেকে নীতিগত সহায়তা জোরালো করা হলে দেশের শিল্পখাত সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন এক যুগান্তকারী বিপ্লব ঘটাবে।

0 Comments