পত্রিকা: 'ওসমান হাদি হত্যার চাঞ্চল্যকর তথ্য'

পত্রিকা: 'ওসমান হাদি হত্যার চাঞ্চল্যকর তথ্য'

Published ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৪০ +০৬

পড়ার সময়: ৮ মিনিট

'ওসমান হাদি হত্যার চাঞ্চল্যকর তথ্য' মানজমিনের শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, ইনকিলাব মঞ্চের সমন্বয়ক শরীফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।

হত্যাকাণ্ডের আগে থেকে পরিকল্পনা, হাদিকে অনুসরণ, হত্যাকাণ্ডের পর খুনিদের দেশত্যাগের কৌশল, খুনিদের ভারত থেকে প্রত্যর্পণের প্রক্রিয়ার বিস্তারিত এসেছে একাধিক তদন্ত প্রতিবেদনে।

এতে হাদি হত্যাকাণ্ডের বিচারিক প্রক্রিয়া ও এই বিচারের দাবিতে সংশ্লিষ্ট পক্ষের সম্ভাব্য আন্দোলন কর্মসূচি নিয়েও বার্তা দেয়া হয়েছে। মামলাটির দ্রুত বিচার শেষ করা ও খুনিদের প্রত্যর্পণে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়ার তাগিদ দেয়া হয়েছে এসব প্রতিবেদনে।

বিচারে বিলম্ব হলে এটি বিরোধী দলগুলোর জন্য রাজনৈতিক হাতিয়ার হতে পারে যা সরকার বিরোধী বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তুলতে পারে এমন পূর্বাভাসও দেয়া হয়েছে।

তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী ঘটনার আগে প্রধান শুটার ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ এবং মোটরসাইকেল চালক মোহাম্মদ আলমগীর শেখ কয়েকদিন ধরে তার চলাচল, নিরাপত্তাবলয় ও নিয়মিত কর্মসূচি পর্যবেক্ষণ করে।

ঘটনার দিন তারা মতিঝিল ওয়াপদা মসজিদের কাছে অবস্থান নিয়ে জুমার নামাজ শেষে হাদিকে অনুসরণ করে এবং দুপুর আনুমানিক ২টা ২৪ মিনিটে ডিআর টাওয়ারের সামনে পৌঁছালে মোটরসাইকেলের পেছনে থাকা ফয়সাল খুব কাছ থেকে ৭.২ বোরের রিভলবার দিয়ে তাকে গুলি করে।

'রোহিঙ্গাদের ফেরা অনিশ্চিত' নয়াদিগন্তের শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের আশ্রয়শিবিরে ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গা নিরাপদে নিজভূমিতে ফেরার আশায় থাকলেও দীর্ঘ ৯ বছরে তাদের অপেক্ষার প্রহর কাটেনি। রোহিঙ্গাদের নিজভূমিতে ফেরার প্রত্যাশা এখনো অধরাই।

Skip সর্বাধিক পঠিত and continue reading

সর্বাধিক পঠিত

End of সর্বাধিক পঠিত

একদিকে মিয়ানমারের চলমান সঙ্ঘাত ও অস্থিতিশীলতা, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক সহায়তা কমে আসার কারণে রোহিঙ্গা সঙ্কট নতুন করে জটিল হয়ে উঠছে।

এমন বাস্তবতায় দিন যতই যাচ্ছে দেশে ফেরার অনিশ্চতায় হতাশায় ভূগছেন রোহিঙ্গারা। তবে দেশে ফেরা না হলেও এর নেপথ্যে আছে এক ভয়ঙ্কর তৎপরতা।

ক্যাম্পে আধিপত্য, মাদক কারবার পরিচালনা, অপহরণ, অস্ত্র ব্যবসা থেকে শুরু করে সব ধরনের অপরাধ বেড়েই চলছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী গত ৯ বছরে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রায় ৩০০ জনের মতো খুন হয়েছেন।

ক্যাম্পে প্রায় ১০টির বেশি সশস্ত্র ও অপরাধী চক্র সক্রিয় রয়েছে। যারা বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কার্যকলাপে জড়িত।

'খুন বাড়ছে, জনমনে উদ্বেগ' সমকালের শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, সারাদেশে গত জুলাই মাসে খুনের মামলা হয়েছে ২৯৮টি।

জুনে এ সংখ্যা ছিল ৩২৬, মে মাসে ৩১০। এ হিসাব অনুযায়ী, গেল তিন মাসে খুনের নথিভুক্ত মামলা ৯৩৪টি।

গড়ে প্রতি মাসে খুনের মামলার সংখ্যা ৩১১। পুলিশ সদরদপ্তরের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত সাত মাসে খুনের ঘটনায় মামলা হয়েছে ২ হাজার ৭৬টি। এর মধ্যে জানুয়ারিতে ২৮৭, ফেব্রুয়ারি ২৫০, মার্চে ৩১৭ ও এপ্রিলে ২৮৮টি।

গতকাল রোববার বাগেরহাট, ফরিদপুর, পাবনার ঈশ্বরদী, জামালপুর ও ঝিনাইদহে পাঁচজন নিহত হয়েছেন।

আগের দিন শনিবার রাতে রংপুর নগরের কামালকাছনা এলাকার মাছুয়াপাড়ায় একটি বাড়ির দ্বিতীয়তলা থেকে একই পরিবারের চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের ভাষ্য, ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়ায় রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী ও দুই সন্তানকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় স্বজনরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন

আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

'ভিসি নিয়োগে তেলেসমাতি' যুগান্তরের শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এই পদে নিয়োগ ঘিরে বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না।

নিয়োগের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে প্রজ্ঞাপন বাতিল, মাসের মধ্যে ভিসিকে সরিয়ে দেওয়ার মতো ঘটনাও ঘটেছ।

বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন লঙ্ঘন করে পছন্দের প্রার্থীকে ভিসি পদে বসানো হয়েছে।

এ ছাড়াও বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি নিয়োগে ক্ষেত্রে মেধা, যোগ্যতা, দক্ষতা, গবেষণা ও একাডেমিক ডিগ্রিকে খুব বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়নি। নিয়োগ পাওয়া এসব ভিসির অনেককে ঘিরে রয়েছে নানা বিতর্ক।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, দেশে ৫৭টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রায় ৩০টি পদে ভিসি নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

এসব নিয়োগের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক পরিচয়, ব্যক্তিগত পছন্দ, দলীয় ঘনিষ্ঠতা, সুপারিশ ও তদবিরের অভিযোগ রয়েছে।

কোনো কোনো নিয়োগের ক্ষেত্রে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগও রয়েছে, যা টাকার অঙ্কে ৫ কোটি পর্যন্ত। দেশের একটি বড় বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনৈতিক দলের শিক্ষক সিন্ডিকেট এসব নিয়োগে সক্রিয় ছিল বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

'বছরে ১৫ হাজারের বেশি আত্মহত্যা' প্রথম আলোর শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, আত্মহত্যা দেশে বড় ধরনের জনস্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে।

পুলিশের নথি অনুযায়ী, ২০২০ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছরে আত্মহত্যা করেছেন ৭৬ হাজার ৩৬১ জন।

অর্থাৎ বছরে গড়ে ১৫ হাজারের বেশি মানুষ আত্মহত্যা করছেন। এ সংখ্যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২০২১ সালের অনুমিত হিসাবের তিন গুণের বেশি।

আত্মহত্যার ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বেশি তরুণদের মধ্যে। পারিবারিক ও সম্পর্কের দ্বন্দ্ব, মানসিক চাপ, বিষন্নতা, বেকারত্ব, পড়াশোনা, পরীক্ষার চাপসহ বিভিন্ন সামাজিক, অর্থনৈতিক ও মানসিক স্বাস্থ্যগত বিষয় এ ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আত্মহত্যা প্রতিরোধে নির্ভরযোগ্য তথ্য সংগ্রহ, মানসিক স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করা ও কীটনাশকের মতো প্রাণঘাতী উপকরণের সহজলভ্যতা নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি।

গতকাল রোববার রাজধানীর আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশের (আইসিডিডিআরবি) আত্মহত্যা প্রতিরোধবিষয়ক এক সভায় এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আত্মহত্যা প্রতিরোধবিষয়ক প্রকল্প 'লাইভলাইফ: সুইসাইড প্রিভেনশন ইন বাংলাদেশ'-এর আওতায় জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও আইসিডিডিআরবি যৌথভাবে সভাটি আয়োজন করে।

'দুই কোটি শিশুর ভঙ্গুর ও দুর্বল প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা বাংলাদেশে' বণিক বার্তার শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, দেশের প্রাথমিক শিক্ষাস্তরে প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত অধ্যয়নরত মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২ কোটি ১ লাখ ৮৩ হাজার ৪৮।

বিশ্বব্যাংকের মতে, বর্তমানে বাংলাদেশে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু রয়েছে।

তবে সংস্থাটির বিশ্লেষণ এবং বিভিন্ন শিক্ষা মূল্যায়ন প্রতিবেদনে দেখা যায়, এ ব্যবস্থার ভঙ্গুরতাও তীব্র। দেশের প্রাথমিক শিক্ষা বড় ধরনের লার্নিং ক্রাইসিসে (শিখন ঘাটতি) রয়েছে।

১০ বছর বয়সী শিশু শিক্ষার্থীদের ৫১ শতাংশই তাদের বয়স উপযোগী সাধারণ বাংলা-ইংরেজি লেখা পড়তে ও বুঝতে পারে না। পাশাপাশি তারা শ্রেণী উপযোগী গাণিতিক দক্ষতাও অর্জন করতে পারছে না।

দেশের প্রাথমিক শিক্ষাস্তরে প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত অধ্যয়নরত মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২ কোটি ১ লাখ ৮৩ হাজার ৪৮।

বিশ্বব্যাংকের মতে, বর্তমানে বাংলাদেশে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু রয়েছে। তবে সংস্থাটির বিশ্লেষণ এবং বিভিন্ন শিক্ষা মূল্যায়ন প্রতিবেদনে দেখা যায়, এ ব্যবস্থার ভঙ্গুরতাও তীব্র। দেশের প্রাথমিক শিক্ষা বড় ধরনের লার্নিং ক্রাইসিসে (শিখন ঘাটতি) রয়েছে।

১০ বছর বয়সী শিশু শিক্ষার্থীদের ৫১ শতাংশই তাদের বয়স উপযোগী সাধারণ বাংলা-ইংরেজি লেখা পড়তে ও বুঝতে পারে না। পাশাপাশি তারা শ্রেণী উপযোগী গাণিতিক দক্ষতাও অর্জন করতে পারছে না।

'মাঝবয়সী মৃত্যু বেশি ডেঙ্গুতে' আজকের পত্রিকার শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, চলতি বছরের মধ্যে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগী এবং এতে মৃত্যুর সংখ্যা গত জুলাই থেকে বাড়তে শুরু করেছে।

আক্রান্তদের মধ্যে পুরুষের সংখ্যা বেশি হলেও মৃত্যু বেশি হচ্ছে নারীদের।

চলতি বছরে এই রোগে মোট মৃত্যুর ৫৯ শতাংশই নারী। অন্যদিকে আক্রান্তদের মধ্যে নারীর হার ৩৮ শতাংশ। এ প্রেক্ষাপটে হাসপাতালে ডেঙ্গুতে মারা যাওয়া নারীদের মৃত্যুর কারণ পর্যালোচনার কাজ শুরু করেছে রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের চলতি বছরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রজননক্ষম ও কর্মক্ষম বয়সের (২০ থেকে ৫০ বছর) নারীরাই ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছেন সবচেয়ে বেশি। ২১ থেকে ৫০ বছর বয়সী নারীদের মধ্যেই ডেঙ্গুজনিত মোট মৃত্যুর একটি বড় অংশ ঘটেছে।

চলতি বছরের শুরু থেকে গতকাল রোববার পর্যন্ত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক হালনাগাদ তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এ বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মোট ৮২ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে নারী ৪৮ জন, যা মোট মৃত্যুর ৫৯ শতাংশের বেশি। অন্যদিকে ডেঙ্গুতে মারা যাওয়া পুরুষের হার ৪১ শতাংশ।

'অত্যাবশ্যকীয় ১১৭ ওষুধের ৫৭টির সরবরাহ বন্ধ' কালের কণ্ঠের শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, তিন দশক আগের অত্যাবশ্যকীয় ওষুধনীতিতে ফিরেছে সরকার। কিন্তু ওই তালিকায় থাকা ১১৭টি ওষুধের মধ্যে বর্তমানে বাজারে সরবরাহ আছে মাত্র ৬০টি।

সরবরাহ বন্ধ ৫৭টির। এতে নিম্ন আয়ের মানুষ ও দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা ব্যয় আরো বেড়েছে।

গত ১০ থেকে ২০ আগস্ট পর্যন্ত রাজধানীর মিডফোর্ট, কলাবাগান, গুলশান ও শাহবাগ এলাকার মোট আটটি ফার্মেসির কাছে এই ১১৭টি ওষুধের তথ্য চাওয়া হয়।

ফার্মেসির কাছ থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এসব ওষুধের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে ৫৭টি ওষুধ বাজারে সরবরাহ নেই। অর্থাৎ সরকার যেসব ওষুধকে মানুষের জন্য 'অত্যাবশ্যকীয়' বলছে, তার প্রায় অর্ধেক রোগীর নাগালের বাইরে।

উদ্বেগের বিষয়, অনুপস্থিত এসব ওষুধের মধ্যে রয়েছে তীব্র ব্যথা নিয়ন্ত্রণের পেথিডিন, ম্যালেরিয়ার ক্লোরোকুইন ও কুইনাইন, যক্ষ্মার ইথামবিউটল ও আইসোনিয়াজিড, ডায়াবেটিসের গ্লিবেনক্লামাইড, উচ্চ রক্তচাপের নিফেডিপিন ও মেথাইলডোপা, একাধিক অ্যান্টিবায়োটিক, প্রসবকালীন জরুরি ওষুধ, সাপের কামড়ের অ্যান্টিভেনম এবং কয়েক ধরনের টিকা।

ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম 'Trapped in the dark' রূপক এই শিরোনাম দিয়ে মূলত চোখের ছানির কারণে সমস্যায় ভোগা মানুষের কথা বলা হয়েছে।

খবরে বলা হচ্ছে, 'বাংলাদেশ সোসাইটি অফ ক্যাটারাক্ট অ্যান্ড রিফ্র্যাক্টিভ সার্জনস'-এর তথ্য অনুযায়ী, দেশে প্রায় ১০ লাখের মত মানুষ ক্যাটারাক্ট মানে চোখের ছানির অপারেশনের জন্য অপেক্ষমান রয়েছেন।

খবরে বলা হয়েছে, রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার বাসিন্দা ৬৫ বছর বয়সী বিধবা সালেমা বেওয়া চোখের ছানির কারণে চারপাশের জগৎ ধীরে ধীরে ঝাপসা ও অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে পড়ছে।

নিউ এইজের শিরোনাম 'Measles cases spike again amid unchecked spread' অর্থাৎ 'অনিয়ন্ত্রিত বিস্তারের মধ্যে হামের প্রকোপ আবারও বেড়েছে'। খবরে বলা হচ্ছে, হামের প্রাদুর্ভাব শুরুর কয়েক মাস পরও ভাইরাসটির অবাধ বিস্তার অব্যাহত আছে।

ফলে আবারও রোগটিতে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বাড়ছ।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা এ জন্য সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে গাফলতিকে দায়ী করছেন।

স্বাস্থ্যসেবা অধিদপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, সংক্রমণের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে ব্যাপক টিকাদান কর্মসূচি ও দেশব্যাপী ভিটামিন 'এ' ক্যাম্পেইন চালানো সত্ত্বেও হামের প্রকোপ আবারও বাড়ছে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ভাইরাসটি কমিউনিটি ট্রান্সমিশন পর্যায়ে ছড়িয়ে পড়া ঠেকানো সম্ভব হয়নি এমন ইঙ্গিত দিচ্ছে। ফলে অনেক শিশু এখনও অরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে।

তারা বলছেন, সংক্রমণের মোট সংখ্যা হিসাব রাখার মতো কোনো ব্যবস্থা এখনো গড়ে তোলা হয়নি।

Post a Comment

0 Comments