
আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন রান্নার রূপালী মঞ্চ ‘মাস্টারশেফ ইউকে’–এর সেমিফাইনালে পৌঁছে নজর কেড়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সবিনা খান। ৫০ বছর বয়সে এসে জীবনের গতিপথ বদলে নিজের অনুরাগকে প্রধান পেশায় রূপ দেওয়ার এক অবিশ্বাস্য ও অনুপ্রেরণাদায়ক গল্প তৈরি করেছেন তিনি। তাঁর মতে, রান্না কেবল কিছু উপাদানের মিশ্রণ নয়; এটি ভালোবাসা, যত্ন এবং বিশ্বমঞ্চে নিজের দেশ ও সংস্কৃতিকে তুলে ধরার একটি শক্তিশালী মাধ্যম।
মায়ের অসাধারণ রন্ধনশৈলী আর শৈশবের স্মৃতি থেকেই খাবারের প্রতি সবিনার অনুরাগের জন্ম। দীর্ঘ দিন কনসালট্যান্ট, গবেষক এবং সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করার পর জীবনের মাঝপথে এসে তিনি উপলব্ধি করেন, তাঁর প্রকৃত ভালোবাসা লুকিয়ে রয়েছে রন্ধনশিল্পেই। প্রায় দুই দশকের ঘরোয়া রান্নার অভিজ্ঞতা আর পূর্বের পেশাগত দক্ষতাকে সম্বল করে তিনি মাস্টারশেফ-এর কঠিন মঞ্চে পা রাখেন। সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করা, চাপের মুখে ধৈর্য ধরে রাখা এবং গবেষণার অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তিনি প্রতিযোগিতাটির সেমিফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছান।
বাংলাদেশি রন্ধনশৈলীকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখেন সবিনা। তাঁর মতে, পাঁচফোড়ন, সরিষার তেল ও রকমারি মাছের স্বাদ নিয়ে বিশ্বমঞ্চে আমাদের খাবারের নিজস্ব পরিচয় তৈরির বিশাল সুযোগ রয়েছে। তিনি চিরাচরিত রান্নার বাইরে গিয়ে আধুনিক পরিবেশনায় বিদেশি সংস্কৃতির সঙ্গে বাংলাদেশি স্বাদের মেলবন্ধন ঘটাতে চান—যেমন ইতালীয় পাস্তার ধারণায় ‘মুড়িঘণ্ট’ উপস্থাপন। বর্তমানে তিনি লন্ডন ও জেনেভায় ‘সাপার ক্লাব’ পরিচালনার মাধ্যমে বিদেশিদের কাছে বাংলাদেশি খাবারের খাঁটি অভিজ্ঞতা পৌঁছে দিচ্ছেন।
শুধু রান্নাতেই সীমাবদ্ধ না থেকে খাদ্য ইতিহাস নিয়ে লেখালেখি করছেন সবিনা। পাশাপাশি বাংলাদেশের নারীদের রান্নার দক্ষতাকে ব্যবসায়িক সফলতায় রূপ দেওয়ার প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে তাঁর। শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা বজায় রাখতে ৫০ বছর বয়সেও নিয়মিত ব্যায়াম করেন তিনি। জীবনের শেষ পর্বেও নিজের ওপর বিশ্বাস রেখে সাহসী পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে সবিনা প্রমাণ করেছেন, স্বপ্নের পেছনে ছোটার কোনো নির্দিষ্ট বয়স থাকে না।
মায়ের অসাধারণ রন্ধনশৈলী আর শৈশবের স্মৃতি থেকেই খাবারের প্রতি সবিনার অনুরাগের জন্ম। দীর্ঘ দিন কনসালট্যান্ট, গবেষক এবং সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করার পর জীবনের মাঝপথে এসে তিনি উপলব্ধি করেন, তাঁর প্রকৃত ভালোবাসা লুকিয়ে রয়েছে রন্ধনশিল্পেই। প্রায় দুই দশকের ঘরোয়া রান্নার অভিজ্ঞতা আর পূর্বের পেশাগত দক্ষতাকে সম্বল করে তিনি মাস্টারশেফ-এর কঠিন মঞ্চে পা রাখেন। সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করা, চাপের মুখে ধৈর্য ধরে রাখা এবং গবেষণার অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তিনি প্রতিযোগিতাটির সেমিফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছান।
বাংলাদেশি রন্ধনশৈলীকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখেন সবিনা। তাঁর মতে, পাঁচফোড়ন, সরিষার তেল ও রকমারি মাছের স্বাদ নিয়ে বিশ্বমঞ্চে আমাদের খাবারের নিজস্ব পরিচয় তৈরির বিশাল সুযোগ রয়েছে। তিনি চিরাচরিত রান্নার বাইরে গিয়ে আধুনিক পরিবেশনায় বিদেশি সংস্কৃতির সঙ্গে বাংলাদেশি স্বাদের মেলবন্ধন ঘটাতে চান—যেমন ইতালীয় পাস্তার ধারণায় ‘মুড়িঘণ্ট’ উপস্থাপন। বর্তমানে তিনি লন্ডন ও জেনেভায় ‘সাপার ক্লাব’ পরিচালনার মাধ্যমে বিদেশিদের কাছে বাংলাদেশি খাবারের খাঁটি অভিজ্ঞতা পৌঁছে দিচ্ছেন।
শুধু রান্নাতেই সীমাবদ্ধ না থেকে খাদ্য ইতিহাস নিয়ে লেখালেখি করছেন সবিনা। পাশাপাশি বাংলাদেশের নারীদের রান্নার দক্ষতাকে ব্যবসায়িক সফলতায় রূপ দেওয়ার প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে তাঁর। শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা বজায় রাখতে ৫০ বছর বয়সেও নিয়মিত ব্যায়াম করেন তিনি। জীবনের শেষ পর্বেও নিজের ওপর বিশ্বাস রেখে সাহসী পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে সবিনা প্রমাণ করেছেন, স্বপ্নের পেছনে ছোটার কোনো নির্দিষ্ট বয়স থাকে না।

0 Comments