
পশ্চিম আফ্রিকার দেশ নাইজেরিয়ার সেন্ট্রাল নাইজার রাজ্যে জুমার নামাজ চলাকালীন একটি মসজিদে সশস্ত্র হামলা চালিয়ে অন্তত ৬০ জনেরও বেশি মানুষকে অপহরণ করেছে বন্দুকধারীরা। স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে, শুধু মসজিদই নয়, আশপাশের একাধিক গ্রামেও ভয়াবহ তাণ্ডব চালিয়েছে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীটি। এ ঘটনায় একাধিক ব্যক্তির মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
নাইজার রাজ্য পুলিশের মুখপাত্র ওয়াসিউ আবিওদুন শনিবার এক বিবৃতিতে জানান, শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে (১৩:০০ জিএমটি) নাইজেরিয়ার বরগু স্থানীয় সরকার এলাকার অন্তর্গত ডেকোরা জেলার কেনিয়া মসজিদে হামলা চালায় ভারী অস্ত্রে সজ্জিত একদল সন্ত্রাসী। তার আগে হামলাকারীরা গিদান-জিকরা ও কেনিয়া নামের দুটি নিকটবর্তী গ্রামেও আক্রমণ চালায়। পুলিশ মুখপাত্র জানান, অপহৃতদের উদ্ধার এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতি মূল্যায়নের জন্য এলাকায় একটি যৌথ নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। তবে অপহৃতদের সঠিক সংখ্যা পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্সকে স্থানীয় অধিবাসীরা জানিয়েছেন, মসজিদ থেকে অন্তত ৬০ জন পুণ্যার্থীকে অপহরণ করে নিয়ে গেছে বন্দুকধারীরা। অন্যদিকে এএফপিকে কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, সন্ত্রাসীদের হামলায় বেশ কয়েকজন প্রাণ হারিয়েছেন এবং অনেককে নৃশংসভাবে জবাই করা হয়েছে। জিবরিল আহমেদ নামে ঘটনার এক প্রত্যক্ষদর্শী এই হামলার জন্য ‘লাকুরাওয়া’ নামের একটি চরমপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠীকে দায়ী করেছেন। তিনি বলেন, “জুমার নামাজ শেষ হওয়ার পরপরই শত শত লাকুরাওয়া সদস্য বন্দুক, ছুরি ও চাপাতি নিয়ে আমাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে।”
ঘটনার আকস্মিকতায় সেখানে এক নজিরবিহীন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। তবে হামলার খবর পেয়ে ‘মাহমুদা’ নামের আরেকটি স্থানীয় সশস্ত্র গোষ্ঠী ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাকুরাওয়াদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। দুই গোষ্ঠীর গোলাগুলির সুযোগে অপহৃতদের অনেকেই প্রাণ বাঁচিয়ে পালিয়ে আসতে সক্ষম হন। স্থানীয় ফেডারেল আইনপ্রণেতা জাফরু মোহাম্মদও দুই সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যকার এই সংঘর্ষের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সহিংসতার রেশ কেবল শুক্রবারেই থেমে থাকেনি; শনিবারও ওই এলাকায় তাণ্ডব চালায় সন্ত্রাসীরা। সম্ভাব্য সামরিক অভিযান এড়াতে এবং সরকারি বাহিনীর সঙ্গে দরকষাকষির জন্য বন্দুকধারীরা শনিবার পুনরায় ফিরে এসে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করার চেষ্টা করে। পালানোর পথ বন্ধ করতে সন্ত্রাসীরা ডেকোরা শহরের মূল সড়কে ল্যান্ডমাইন পুঁতে রাখে। স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল্লাহি আহমেদ জানান, শনিবার সকালে প্রাণভয়ে গাড়ি নিয়ে পালানোর সময় এক ব্যক্তি ও তার পরিবারের সদস্যরা সন্ত্রাসীদে পুঁতে রাখা ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণে ঘটনাস্থলেই নিহত হন। বর্তমানে গোটা অঞ্চলজুড়ে এক চরম আতঙ্ক ও বিশৃঙ্খলা বিরাজ করছে।
নাইজেরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলে গত ১৭ বছর ধরে চলা সশস্ত্র বিদ্রোহের পাশাপাশি এখন দেশটির উত্তর-পশ্চিম ও মধ্য অঞ্চলেও ব্যাপক হারে গণ- অপহরণ ছড়িয়ে পড়েছে। কোনো কোনো গোষ্ঠীর কাছে এই কিডন্যাপিং এখন কোটি কোটি ডলারের লাভজনক ব্যবসায় পরিণত হয়েছে। মুক্তিপণ আদায় এবং নিজেদের প্রভাব জাহির করতে তারা নিয়মিতভাবে সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী ও পুণ্যার্থীদের টার্গেট করছে।
নাইজার রাজ্য পুলিশের মুখপাত্র ওয়াসিউ আবিওদুন শনিবার এক বিবৃতিতে জানান, শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে (১৩:০০ জিএমটি) নাইজেরিয়ার বরগু স্থানীয় সরকার এলাকার অন্তর্গত ডেকোরা জেলার কেনিয়া মসজিদে হামলা চালায় ভারী অস্ত্রে সজ্জিত একদল সন্ত্রাসী। তার আগে হামলাকারীরা গিদান-জিকরা ও কেনিয়া নামের দুটি নিকটবর্তী গ্রামেও আক্রমণ চালায়। পুলিশ মুখপাত্র জানান, অপহৃতদের উদ্ধার এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতি মূল্যায়নের জন্য এলাকায় একটি যৌথ নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। তবে অপহৃতদের সঠিক সংখ্যা পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্সকে স্থানীয় অধিবাসীরা জানিয়েছেন, মসজিদ থেকে অন্তত ৬০ জন পুণ্যার্থীকে অপহরণ করে নিয়ে গেছে বন্দুকধারীরা। অন্যদিকে এএফপিকে কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, সন্ত্রাসীদের হামলায় বেশ কয়েকজন প্রাণ হারিয়েছেন এবং অনেককে নৃশংসভাবে জবাই করা হয়েছে। জিবরিল আহমেদ নামে ঘটনার এক প্রত্যক্ষদর্শী এই হামলার জন্য ‘লাকুরাওয়া’ নামের একটি চরমপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠীকে দায়ী করেছেন। তিনি বলেন, “জুমার নামাজ শেষ হওয়ার পরপরই শত শত লাকুরাওয়া সদস্য বন্দুক, ছুরি ও চাপাতি নিয়ে আমাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে।”
ঘটনার আকস্মিকতায় সেখানে এক নজিরবিহীন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। তবে হামলার খবর পেয়ে ‘মাহমুদা’ নামের আরেকটি স্থানীয় সশস্ত্র গোষ্ঠী ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাকুরাওয়াদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। দুই গোষ্ঠীর গোলাগুলির সুযোগে অপহৃতদের অনেকেই প্রাণ বাঁচিয়ে পালিয়ে আসতে সক্ষম হন। স্থানীয় ফেডারেল আইনপ্রণেতা জাফরু মোহাম্মদও দুই সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যকার এই সংঘর্ষের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সহিংসতার রেশ কেবল শুক্রবারেই থেমে থাকেনি; শনিবারও ওই এলাকায় তাণ্ডব চালায় সন্ত্রাসীরা। সম্ভাব্য সামরিক অভিযান এড়াতে এবং সরকারি বাহিনীর সঙ্গে দরকষাকষির জন্য বন্দুকধারীরা শনিবার পুনরায় ফিরে এসে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করার চেষ্টা করে। পালানোর পথ বন্ধ করতে সন্ত্রাসীরা ডেকোরা শহরের মূল সড়কে ল্যান্ডমাইন পুঁতে রাখে। স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল্লাহি আহমেদ জানান, শনিবার সকালে প্রাণভয়ে গাড়ি নিয়ে পালানোর সময় এক ব্যক্তি ও তার পরিবারের সদস্যরা সন্ত্রাসীদে পুঁতে রাখা ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণে ঘটনাস্থলেই নিহত হন। বর্তমানে গোটা অঞ্চলজুড়ে এক চরম আতঙ্ক ও বিশৃঙ্খলা বিরাজ করছে।
নাইজেরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলে গত ১৭ বছর ধরে চলা সশস্ত্র বিদ্রোহের পাশাপাশি এখন দেশটির উত্তর-পশ্চিম ও মধ্য অঞ্চলেও ব্যাপক হারে গণ- অপহরণ ছড়িয়ে পড়েছে। কোনো কোনো গোষ্ঠীর কাছে এই কিডন্যাপিং এখন কোটি কোটি ডলারের লাভজনক ব্যবসায় পরিণত হয়েছে। মুক্তিপণ আদায় এবং নিজেদের প্রভাব জাহির করতে তারা নিয়মিতভাবে সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী ও পুণ্যার্থীদের টার্গেট করছে।

0 Comments