
বর্তমান বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভায় প্রথমবারের মতো রদবদল ও সম্প্রসারণ সম্পন্ন হয়েছে। দেশের প্রশাসনিক কাজে গতিশীলতা আনতে এবং রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সরকারের এই নতুন পদক্ষপ বলে জানা গেছে। আজ বঙ্গভবনের ঐতিহ্যবাহী দরবার হলে আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত অথচ জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে নতুনদের শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সঙ্গে সরকারের অন্যান্য জ্যেষ্ঠ মন্ত্রী, সামরিক ও বেসামরিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
সাম্প্রতিক এই রদবদলে চারজন পূর্ণ মন্ত্রী এবং দুজন প্রতিমন্ত্রী নতুন করে শপথ নিয়েছেন। এ খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই কে কোন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে যে কৌতুহল ছিল তার অবসান ঘটেছে। বঙ্গভবন ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্ভরযোগ্য একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, ইতোমধ্যেই দায়িত্ব বণ্টন চূড়ান্ত করা হয়েছে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম নেতা সাচিং প্রু জেরীকে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। পাহাড়ি অঞ্চলের আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং সার্বিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে তাঁর ওপর এই গুরুদায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। অন্যদিকে, তরুণ ও সংগঠক নেতা শামীম কায়সার লিংকন পেতে যাচ্ছেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব।
এছাড়া আজ বঙ্গভবনে পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়া অভিজ্ঞ নেতা রশিদুজ্জামান মিল্লাতকে দেওয়া হচ্ছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর। দেশের পর্যটন শিল্পকে বিশ্ব দরবারে নতুন করে তুলে ধরা এবং আন্তর্জাতিক বিমান যোগাযোগব্যবস্থায় আধুনিকায়ন আনাই হবে তাঁর প্রধান চ্যালেঞ্জ।
প্রশাসনিক সূত্রগুলো ইঙ্গিত দিয়েছে যে, বঙ্গভবনে শপথ নেওয়ার মাধ্যমে মন্ত্রিসভার এই নতুন সদস্যরা দ্রুতই নিজ নিজ দপ্তরে যোগ দেবেন এবং দাপ্তরিক কাজ শুরু করবেন। সরকারের শীর্ষ নেতৃত্বের বিশ্বাস, নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের অন্তর্ভুক্তিতে প্রশাসনে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং সরকারের পরিকল্পনাগুলো আরও দক্ষতার সাথে বাস্তবায়িত হবে।
সাম্প্রতিক এই রদবদলে চারজন পূর্ণ মন্ত্রী এবং দুজন প্রতিমন্ত্রী নতুন করে শপথ নিয়েছেন। এ খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই কে কোন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে যে কৌতুহল ছিল তার অবসান ঘটেছে। বঙ্গভবন ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্ভরযোগ্য একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, ইতোমধ্যেই দায়িত্ব বণ্টন চূড়ান্ত করা হয়েছে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম নেতা সাচিং প্রু জেরীকে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। পাহাড়ি অঞ্চলের আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং সার্বিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে তাঁর ওপর এই গুরুদায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। অন্যদিকে, তরুণ ও সংগঠক নেতা শামীম কায়সার লিংকন পেতে যাচ্ছেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব।
এছাড়া আজ বঙ্গভবনে পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়া অভিজ্ঞ নেতা রশিদুজ্জামান মিল্লাতকে দেওয়া হচ্ছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর। দেশের পর্যটন শিল্পকে বিশ্ব দরবারে নতুন করে তুলে ধরা এবং আন্তর্জাতিক বিমান যোগাযোগব্যবস্থায় আধুনিকায়ন আনাই হবে তাঁর প্রধান চ্যালেঞ্জ।
প্রশাসনিক সূত্রগুলো ইঙ্গিত দিয়েছে যে, বঙ্গভবনে শপথ নেওয়ার মাধ্যমে মন্ত্রিসভার এই নতুন সদস্যরা দ্রুতই নিজ নিজ দপ্তরে যোগ দেবেন এবং দাপ্তরিক কাজ শুরু করবেন। সরকারের শীর্ষ নেতৃত্বের বিশ্বাস, নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের অন্তর্ভুক্তিতে প্রশাসনে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং সরকারের পরিকল্পনাগুলো আরও দক্ষতার সাথে বাস্তবায়িত হবে।

0 Comments