
নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানায় ইসলামী যুব আন্দোলনের স্থানীয় নেতা মুজাহিদুল ইসলাম বুলবুলকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (চরমোনাই পীর)। তিনি দাবি করেছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চরম অবহেলা ও উদাসীনতার কারণেই এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। একইসঙ্গে তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, আসামিদের বিচারে কোনো ধরনের শিথিলতা দেখা গেলে বা আইনের ফাঁক গলিয়ে অপরাধীরা পার পেয়ে গেলে সারা দেশে ক্ষোভের দাবানল ছড়িয়ে পড়বে।
শুক্রবার রাজধানীর পুরানা পল্টনে ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত দলের নিয়মিত সভায় সভাপতির বক্তব্যে চরমোনাই পীর এ হুঁশিয়ারি দেন।
ঘটনার বিবরণ দিয়ে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ১০টার দিকে বন্দর এলাকার সালেহনগরে মুজাহিদুল ইসলামকে একা পেয়ে দুর্বৃত্তরা ঘেরাও করে। একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে রাস্তায় ফেলে রেখে হামলাকারীরা দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করলেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
চরমোনাই পীর অভিযোগ করেন, স্থানীয় চিহ্নিত সন্ত্রাসী শেখ সিফাত ও তার ক্যাডার বাহিনী সরাসরি এই হত্যাকাণ্ডে অংশ নিয়েছে। সিফাতের বিরুদ্ধে পূর্বেও সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজির একাধিক মামলা ও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলেও প্রশাসন তার বিরুদ্ধে কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেয়নি। প্রশাসনের এই দীর্ঘদিনের নিষ্ক্রিয়তা ও অবহেলার কারণেই মুজাহিদুলকে এভাবে জীবন দিতে হলো। সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করা হলেও বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে তিনি বলেন, দেশে আইনের শাসন পুনপ্রতিষ্ঠা করতে হলে সরকারকে অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে।
সভায় দলের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান এক চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করে বলেন, নিহত মুজাহিদুল ইসলাম গত ২০২৪ সালের ২০ আগস্ট দায়ের করা একটি মামলার প্রধান বাদী ছিলেন। সেই মামলায় এজাহারনামীয় ৬ নম্বর আসামি ছিল অভিযুক্ত শেখ সিফাত। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের একজন রাজসাক্ষী ও মামলার বাদীকে হত্যা করা অত্যন্ত গুরুতর অপরাধ। এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক বিচার না হলে জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধারা আবারও রাজপথে নেমে আসতে বাধ্য হবে।
অপরাধীদের রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনায় না নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে মহাসচিব আরও বলেন, যেকোনো মূল্যে সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য বন্ধ করতে হবে। নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে এই হত্যাকাণ্ডের পেছনের মূল কুশীলবদের চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।
উক্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দলের যুগ্ম মহাসচিব মুহাম্মদ আশরাফুল আলম, শেখ ফজলে বারী মাসউদ, শাহ ইফতেখার তারিক, মুহাম্মদ নেছার উদ্দিন, সহকারী মহাসচিব আহমদ আবদুল কাইয়ুম, কে এম আতিকুর রহমান, শেখ ফজলুল করীম মারুফ এবং যুব আন্দোলনের সেক্রেটারি জেনারেল মানসুর আহমদ সাকীসহ অন্য নেতৃবৃন্দ।
শুক্রবার রাজধানীর পুরানা পল্টনে ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত দলের নিয়মিত সভায় সভাপতির বক্তব্যে চরমোনাই পীর এ হুঁশিয়ারি দেন।
ঘটনার বিবরণ দিয়ে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ১০টার দিকে বন্দর এলাকার সালেহনগরে মুজাহিদুল ইসলামকে একা পেয়ে দুর্বৃত্তরা ঘেরাও করে। একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে রাস্তায় ফেলে রেখে হামলাকারীরা দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করলেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
চরমোনাই পীর অভিযোগ করেন, স্থানীয় চিহ্নিত সন্ত্রাসী শেখ সিফাত ও তার ক্যাডার বাহিনী সরাসরি এই হত্যাকাণ্ডে অংশ নিয়েছে। সিফাতের বিরুদ্ধে পূর্বেও সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজির একাধিক মামলা ও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলেও প্রশাসন তার বিরুদ্ধে কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেয়নি। প্রশাসনের এই দীর্ঘদিনের নিষ্ক্রিয়তা ও অবহেলার কারণেই মুজাহিদুলকে এভাবে জীবন দিতে হলো। সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করা হলেও বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে তিনি বলেন, দেশে আইনের শাসন পুনপ্রতিষ্ঠা করতে হলে সরকারকে অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে।
সভায় দলের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান এক চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করে বলেন, নিহত মুজাহিদুল ইসলাম গত ২০২৪ সালের ২০ আগস্ট দায়ের করা একটি মামলার প্রধান বাদী ছিলেন। সেই মামলায় এজাহারনামীয় ৬ নম্বর আসামি ছিল অভিযুক্ত শেখ সিফাত। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের একজন রাজসাক্ষী ও মামলার বাদীকে হত্যা করা অত্যন্ত গুরুতর অপরাধ। এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক বিচার না হলে জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধারা আবারও রাজপথে নেমে আসতে বাধ্য হবে।
অপরাধীদের রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনায় না নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে মহাসচিব আরও বলেন, যেকোনো মূল্যে সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য বন্ধ করতে হবে। নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে এই হত্যাকাণ্ডের পেছনের মূল কুশীলবদের চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।
উক্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দলের যুগ্ম মহাসচিব মুহাম্মদ আশরাফুল আলম, শেখ ফজলে বারী মাসউদ, শাহ ইফতেখার তারিক, মুহাম্মদ নেছার উদ্দিন, সহকারী মহাসচিব আহমদ আবদুল কাইয়ুম, কে এম আতিকুর রহমান, শেখ ফজলুল করীম মারুফ এবং যুব আন্দোলনের সেক্রেটারি জেনারেল মানসুর আহমদ সাকীসহ অন্য নেতৃবৃন্দ।

0 Comments