
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে বিয়ের প্রলোভনে এক গৃহবধূকে (২৩) ছয় মাস ধরে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে মাসুদ আলী (২৬) নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে। বর্তমানে ওই গৃহবধূ পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা।
এ ঘটনায় রোববার (২৩ আগস্ট) ওই নারীর মা বাদী হয়ে মির্জাপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযুক্ত মাসুদ আলী উপজেলার আনাইতারা গ্রামের আলী হোসেনের ছেলে।
অভিযোগ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, প্রায় পাঁচ বছর আগে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার এক ব্যক্তির সঙ্গে ওই নারীর পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। তার স্বামী গোড়াই এলাকার একটি শিল্পকারখানায় চাকরি করেন। এ সুবাদে গৃহবধূ বাবার বাড়িতেই অবস্থান করতেন। এসময় অভিযুক্ত মাসুদ তাকে প্রেমের প্রস্তাব দিতেন। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
বিয়ের প্রলোভনে ওই নারীর সঙ্গে বিভিন্ন সময় শারীরিক সম্পর্ক করেন মাসুদ। এতে ওই গৃহবধূ অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে তিনি যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। বিষয়টি মাসুদের পরিবারকে জানানো হলে তারা গর্ভের সন্তান নষ্ট করার জন্য চক্রান্ত করছেন।
ভুক্তভোগী গৃহবধূ বলেন, ‘মাসুদ আমার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছে। আমাকে বিয়ে না করলে আত্মহত্যা ছাড়া উপায় থাকবে না। বিচার চাইতে তাদের বাড়িতে গেলে তার মা আমাকে মারতে আসে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।’
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত মাসুদের ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আব্দুল্লাহ আল নোমান/এসআর/এএসএম
এ ঘটনায় রোববার (২৩ আগস্ট) ওই নারীর মা বাদী হয়ে মির্জাপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযুক্ত মাসুদ আলী উপজেলার আনাইতারা গ্রামের আলী হোসেনের ছেলে।
অভিযোগ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, প্রায় পাঁচ বছর আগে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার এক ব্যক্তির সঙ্গে ওই নারীর পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। তার স্বামী গোড়াই এলাকার একটি শিল্পকারখানায় চাকরি করেন। এ সুবাদে গৃহবধূ বাবার বাড়িতেই অবস্থান করতেন। এসময় অভিযুক্ত মাসুদ তাকে প্রেমের প্রস্তাব দিতেন। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
বিয়ের প্রলোভনে ওই নারীর সঙ্গে বিভিন্ন সময় শারীরিক সম্পর্ক করেন মাসুদ। এতে ওই গৃহবধূ অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে তিনি যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। বিষয়টি মাসুদের পরিবারকে জানানো হলে তারা গর্ভের সন্তান নষ্ট করার জন্য চক্রান্ত করছেন।
ভুক্তভোগী গৃহবধূ বলেন, ‘মাসুদ আমার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছে। আমাকে বিয়ে না করলে আত্মহত্যা ছাড়া উপায় থাকবে না। বিচার চাইতে তাদের বাড়িতে গেলে তার মা আমাকে মারতে আসে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।’
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত মাসুদের ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আব্দুল্লাহ আল নোমান/এসআর/এএসএম

0 Comments