
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের শতাধিক সাবেক কূটনীতিক। বিশ্বের সবার সামনে ফিলিস্তিনকে মুছে ফেলার চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তারা। এ সময় ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা রক্ষায় ইসরায়েলের ওপর বাণিজ্য ও অস্ত্র নিষেধাজ্ঞাসহ কঠোর চাপ প্রয়োগের দাবি জানানো হয়।
গত শনিবার (২২ আগস্ট) প্রকাশিত এক যৌথ চিঠিতে ফ্রান্সের ৫২ জন সাবেক কূটনীতিক এবং যুক্তরাজ্যের ৫০ জন সাবেক রাষ্ট্রদূত সই করেন। পরে, চিঠিটি ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমান্যুয়েল ম্যাক্রোঁ এবং যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহামের কাছে পাঠানো হয়।
এতে বলা হয়, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স আধুনিক মধ্যপ্রাচ্য গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। ২০২৫ সালে দুই দেশই ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। এখন ফিলিস্তিনি ও ইসরায়েলিদের সমান অধিকারের প্রশ্নে দু’পক্ষের একসঙ্গে কাজ করার দায়িত্ব রয়েছে বলে মনে করেন তারা।
তাই ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েলি বসতিতে সম্পত্তি কেনাকে ব্রিটিশ ও ফরাসি নাগরিকদের জন্য অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করার আহ্বান জানিয়েছেন সাবেক কূটনীতিকরা।
চিঠিতে ইসরায়েলের সঙ্গে অস্ত্র হস্তান্তর ও সামরিক সহযোগিতা স্থগিতের আহ্বানও জানানো হয়েছে। পাশাপাশি, ইসরায়েলের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহযোগিতা চুক্তি এবং যুক্তরাজ্য-ইসরায়েল বাণিজ্য ও অংশীদারত্ব চুক্তি স্থগিত করার দাবি জানিয়েছেন সাবেক কূটনীতিকরা।
তাদের এই চিঠি প্রকাশের মাত্র দুইদিন আগে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্সসহ ১১টি দেশ পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের নতুন বসতি নির্মাণ পরিকল্পনার নিন্দা জানিয়েছিল। ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড এই পরিকল্পনাকে দ্বিরাষ্ট্র সমাধানের জন্য ‘ধ্বংসাত্মক হুমকি’ হিসেবে মন্তব্য করেছেন।
এছাড়া, তিনি যুক্তরাজ্যে ইসরায়েলের জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক ড্যানিয়েলা গ্রুডস্কি একস্টেইনকে তলবও করেন। জবাবে, ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিডিয়ন সা’আর ইসরায়েল এ বিষয়ে নিষ্ক্রিয় থাকবে না বলে হুমকি দেন।
চিঠিতে গাজা যুদ্ধেরও তীব্র সমালোচনা করেছেন সাবেক কূটনীতিকেরা। বলা হয়েছে, গাজায় প্রায় ২০ লাখ ফিলিস্তিনি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া ভূখণ্ডের মাত্র ৩০ শতাংশ এলাকায় আটকে আছেন। খাদ্য, ওষুধ ও বাসস্থানের সংকটে থাকা ফিলিস্তিনিদের ওপর ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তারা।
গত শনিবার (২২ আগস্ট) প্রকাশিত এক যৌথ চিঠিতে ফ্রান্সের ৫২ জন সাবেক কূটনীতিক এবং যুক্তরাজ্যের ৫০ জন সাবেক রাষ্ট্রদূত সই করেন। পরে, চিঠিটি ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমান্যুয়েল ম্যাক্রোঁ এবং যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহামের কাছে পাঠানো হয়।
এতে বলা হয়, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স আধুনিক মধ্যপ্রাচ্য গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। ২০২৫ সালে দুই দেশই ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। এখন ফিলিস্তিনি ও ইসরায়েলিদের সমান অধিকারের প্রশ্নে দু’পক্ষের একসঙ্গে কাজ করার দায়িত্ব রয়েছে বলে মনে করেন তারা।
তাই ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েলি বসতিতে সম্পত্তি কেনাকে ব্রিটিশ ও ফরাসি নাগরিকদের জন্য অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করার আহ্বান জানিয়েছেন সাবেক কূটনীতিকরা।
চিঠিতে ইসরায়েলের সঙ্গে অস্ত্র হস্তান্তর ও সামরিক সহযোগিতা স্থগিতের আহ্বানও জানানো হয়েছে। পাশাপাশি, ইসরায়েলের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহযোগিতা চুক্তি এবং যুক্তরাজ্য-ইসরায়েল বাণিজ্য ও অংশীদারত্ব চুক্তি স্থগিত করার দাবি জানিয়েছেন সাবেক কূটনীতিকরা।
তাদের এই চিঠি প্রকাশের মাত্র দুইদিন আগে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্সসহ ১১টি দেশ পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের নতুন বসতি নির্মাণ পরিকল্পনার নিন্দা জানিয়েছিল। ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড এই পরিকল্পনাকে দ্বিরাষ্ট্র সমাধানের জন্য ‘ধ্বংসাত্মক হুমকি’ হিসেবে মন্তব্য করেছেন।
এছাড়া, তিনি যুক্তরাজ্যে ইসরায়েলের জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক ড্যানিয়েলা গ্রুডস্কি একস্টেইনকে তলবও করেন। জবাবে, ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিডিয়ন সা’আর ইসরায়েল এ বিষয়ে নিষ্ক্রিয় থাকবে না বলে হুমকি দেন।
চিঠিতে গাজা যুদ্ধেরও তীব্র সমালোচনা করেছেন সাবেক কূটনীতিকেরা। বলা হয়েছে, গাজায় প্রায় ২০ লাখ ফিলিস্তিনি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া ভূখণ্ডের মাত্র ৩০ শতাংশ এলাকায় আটকে আছেন। খাদ্য, ওষুধ ও বাসস্থানের সংকটে থাকা ফিলিস্তিনিদের ওপর ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তারা।

0 Comments