
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিতর্কিত অভিবাসন নীতির অধীনে যুক্তরাষ্ট্র থেকে নির্বাসিত (ডিপোর্ট) হওয়া অভিবাসীদের প্রথম দলটি পশ্চিম আফ্রিকার দেশ লাইবেরিয়ায় পৌঁছেছে। মোট ১,২০০ জন অভিবাসীকে স্থানান্তরের একটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তির অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। প্রথম দফায় পাঠানো ২০ জন অভিবাসীকে বহনকারী একটি বিমান লাইবেরিয়ার রাজধানী মোনরোভিয়ার রবার্টস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বিমানটি অবতরণের পরপরই অভিবাসীদের কড়া নিরাপত্তায় একটি বাসে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে তাদের কোনো কথা বলতে দেওয়া হয়নি।
প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, এই অভিবাসীদের অধিকাংশই লাতিন আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলা ও কিউবার নাগরিক। ডোনাল্ড ট্রাম্পের 'তৃতীয় দেশে ডিপোর্টেশন' নীতি অনুযায়ী, কোনো অভিবাসীকে তার নিজ দেশে না পাঠিয়ে চুক্তিভুক্ত অন্য কোনো তৃতীয় দেশে পাঠাতে পারবে মার্কিন প্রশাসন। অলাভজনক সংস্থা 'হিউম্যান রাইটস ফার্স্ট'-এর প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালে দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অন্তত ৩৫টি দেশের সঙ্গে এ ধরনের চুক্তি সই করেছে। এসব চুক্তির বিনিময়ে কিছু দেশকে আর্থিক সহায়তা ও বাণিজ্যিক সুবিধার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হচ্ছে।
মার্কিন হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরে লাইবেরিয়াকে "অভিবাসন ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম" পরিচালনার জন্য ৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রদান করেছে ওয়াশিংটন। তবে লাইবেরিয়ার তথ্য মন্ত্রণালয় কোনো আর্থিক লেনদেনের বিনিময়ে অভিবাসীদের গ্রহণ করার অভিযোগ কঠোরভাবে অস্বীকার করেছে। এক বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, এটি কোনো আর্থিক লেনদেনের বিষয় নয় এবং আফ্রিকার প্রথম স্বাধীন কৃষ্ণাঙ্গ দেশ হিসেবে লাইবেরিয়ার আশ্রয়নীতি ও মানবিক ইতিহাস দীর্ঘদিনের।
লাইবেরিয়ার তথ্যমন্ত্রী জেরোলিনমেক পিয়া জানিয়েছেন, জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (UNHCR) এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (IOM) নির্বাসিত এই ব্যক্তিদের খাদ্য, বাসস্থানসহ বিভিন্ন পরিষেবা দিতে সহায়তা করবে। লাইবেরিয়া প্রশাসন স্পষ্ট করেছে যে, এখানে আসা ব্যক্তিরা কোনো অপরাধী নন এবং তারা চাইলে দেশে আশ্রয়ের আবেদন করতে পারবেন কিংবা অন্য যেকোনো দেশে চলেও যেতে পারবেন।
তবে এই নীতি নিয়ে বিশ্বজুড়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে, আফ্রিকা ও অন্যান্য অঞ্চলের ছোট ছোট ও অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল দেশগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রের 'ডিপোর্টেশন জোন' বা বর্জ্য ফেলার স্থান হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। সম্পূর্ণ অচেনা সংস্কৃতি ও ভাষার দেশে অভিবাসীদের জোরপূর্বক পাঠানো তাদের মারাত্মক মানসিক ও মানবিক ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, এই অভিবাসীদের অধিকাংশই লাতিন আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলা ও কিউবার নাগরিক। ডোনাল্ড ট্রাম্পের 'তৃতীয় দেশে ডিপোর্টেশন' নীতি অনুযায়ী, কোনো অভিবাসীকে তার নিজ দেশে না পাঠিয়ে চুক্তিভুক্ত অন্য কোনো তৃতীয় দেশে পাঠাতে পারবে মার্কিন প্রশাসন। অলাভজনক সংস্থা 'হিউম্যান রাইটস ফার্স্ট'-এর প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালে দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অন্তত ৩৫টি দেশের সঙ্গে এ ধরনের চুক্তি সই করেছে। এসব চুক্তির বিনিময়ে কিছু দেশকে আর্থিক সহায়তা ও বাণিজ্যিক সুবিধার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হচ্ছে।
মার্কিন হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরে লাইবেরিয়াকে "অভিবাসন ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম" পরিচালনার জন্য ৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রদান করেছে ওয়াশিংটন। তবে লাইবেরিয়ার তথ্য মন্ত্রণালয় কোনো আর্থিক লেনদেনের বিনিময়ে অভিবাসীদের গ্রহণ করার অভিযোগ কঠোরভাবে অস্বীকার করেছে। এক বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, এটি কোনো আর্থিক লেনদেনের বিষয় নয় এবং আফ্রিকার প্রথম স্বাধীন কৃষ্ণাঙ্গ দেশ হিসেবে লাইবেরিয়ার আশ্রয়নীতি ও মানবিক ইতিহাস দীর্ঘদিনের।
লাইবেরিয়ার তথ্যমন্ত্রী জেরোলিনমেক পিয়া জানিয়েছেন, জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (UNHCR) এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (IOM) নির্বাসিত এই ব্যক্তিদের খাদ্য, বাসস্থানসহ বিভিন্ন পরিষেবা দিতে সহায়তা করবে। লাইবেরিয়া প্রশাসন স্পষ্ট করেছে যে, এখানে আসা ব্যক্তিরা কোনো অপরাধী নন এবং তারা চাইলে দেশে আশ্রয়ের আবেদন করতে পারবেন কিংবা অন্য যেকোনো দেশে চলেও যেতে পারবেন।
তবে এই নীতি নিয়ে বিশ্বজুড়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে, আফ্রিকা ও অন্যান্য অঞ্চলের ছোট ছোট ও অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল দেশগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রের 'ডিপোর্টেশন জোন' বা বর্জ্য ফেলার স্থান হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। সম্পূর্ণ অচেনা সংস্কৃতি ও ভাষার দেশে অভিবাসীদের জোরপূর্বক পাঠানো তাদের মারাত্মক মানসিক ও মানবিক ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

0 Comments