
রাজধানীর বনানীতে অবস্থিত ‘বাতিঘর আর্ট স্পেস’-এ এশিয়াটিক থ্রি-সিক্সটির নারী কর্মীদের জন্য আয়োজিত হলো মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক এক বিশেষ গ্রুপ সেশন। নারী সহকর্মীদের মানসিক প্রশান্তি ও সার্বিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে 'হার এশিয়াটিক সার্কেল'-এর উদ্যোগ এবং গ্রামীণ হেলথটেক লিমিটেডের ই-হেলথকেয়ার প্ল্যাটফর্ম ‘সুখী’র যৌথ সহযোগিতায় এই কর্মশালাটি সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়। সেশনে প্রতিষ্ঠানটির প্রায় ৩০ জন নারী কর্মী অংশ নেন।
আধুনিক কর্পোরেট পরিমণ্ডলে কাজের মানসিক চাপ সামলে নারী কর্মীদের সৃজনশীল, পেশাগত ও ব্যক্তিগত দক্ষতার সমন্বিত বিকাশ ঘটাতে কাজ করে যাচ্ছে ‘হার এশিয়াটিক সার্কেল’। এশিয়াটিক থ্রি-সিক্সটির বর্তমান ও সাবেক নারী কর্মীদের একত্রিত করে অভিজ্ঞতা বিনিময়, দক্ষতা উন্নয়ন ও মেন্টরশিপের মাধ্যমে নারীদের স্বাবলম্বী করে তোলাই এই প্ল্যাটফর্মের মূল লক্ষ্য।
কর্মশালায় মানসিক সুস্থতা ধরে রাখার নানাবিধ কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন ‘সুখী’র মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। দৈনন্দিন জীবনে ইতিবাচক আচরণগত পরিবর্তনের মাধ্যমে কীভাবে কাজের স্ট্রেস বা অতিরিক্ত মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করা যায়, সে বিষয়ে বাস্তবসম্মত দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। এর পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রে ও পারিবারিক জীবনে সুস্থতা বজায় রাখতে কিছু হালকা শারীরিক ব্যায়াম ও শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়ামের কৌশল শেখানো হয়, যা দৈনন্দিন মানসিক ক্লান্তি দূর করতে অত্যন্ত কার্যকরী।
মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতার গুরুত্ব তুলে ধরে ‘সুখী’র ক্লিনিক্যাল ম্যানেজার ডা. সাদিয়া ইফফাত আনাম বলেন, "বর্তমান সময়ে আধুনিক নারীদের একই সঙ্গে পেশাগত দায়িত্ব ও পারিবারিক জীবন—দুই দিকেই সমান ভারসাম্য রক্ষা করে চলতে হয়। এই বহুমুখী দায়িত্ব পালনের ভিড়ে নিজেদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি মনোযোগ দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। মানসিক দিক থেকে সুস্থ না থাকলে জীবনযাত্রার মান ও কাজের দক্ষতা—দুটোই ব্যাহত হয়।"
অনুষ্ঠানের শেষভাগে একটি উন্মুক্ত আলোচনা পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে অংশগ্রহণকারীরা পারস্পরিক অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন এবং নিজেদের যত্ন নেওয়ার নানা কৌশল নিয়ে মতামত বিনিময় করেন। হালকা আপ্যায়নের মাধ্যমে শেষ হওয়া এই আয়োজনটি নারী কর্মীদের মধ্যে পারস্পরিক আন্তরিকতা ও মেলবন্ধন আরও দৃঢ় করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন আয়োজকরা।
আধুনিক কর্পোরেট পরিমণ্ডলে কাজের মানসিক চাপ সামলে নারী কর্মীদের সৃজনশীল, পেশাগত ও ব্যক্তিগত দক্ষতার সমন্বিত বিকাশ ঘটাতে কাজ করে যাচ্ছে ‘হার এশিয়াটিক সার্কেল’। এশিয়াটিক থ্রি-সিক্সটির বর্তমান ও সাবেক নারী কর্মীদের একত্রিত করে অভিজ্ঞতা বিনিময়, দক্ষতা উন্নয়ন ও মেন্টরশিপের মাধ্যমে নারীদের স্বাবলম্বী করে তোলাই এই প্ল্যাটফর্মের মূল লক্ষ্য।
কর্মশালায় মানসিক সুস্থতা ধরে রাখার নানাবিধ কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন ‘সুখী’র মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। দৈনন্দিন জীবনে ইতিবাচক আচরণগত পরিবর্তনের মাধ্যমে কীভাবে কাজের স্ট্রেস বা অতিরিক্ত মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করা যায়, সে বিষয়ে বাস্তবসম্মত দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। এর পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রে ও পারিবারিক জীবনে সুস্থতা বজায় রাখতে কিছু হালকা শারীরিক ব্যায়াম ও শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়ামের কৌশল শেখানো হয়, যা দৈনন্দিন মানসিক ক্লান্তি দূর করতে অত্যন্ত কার্যকরী।
মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতার গুরুত্ব তুলে ধরে ‘সুখী’র ক্লিনিক্যাল ম্যানেজার ডা. সাদিয়া ইফফাত আনাম বলেন, "বর্তমান সময়ে আধুনিক নারীদের একই সঙ্গে পেশাগত দায়িত্ব ও পারিবারিক জীবন—দুই দিকেই সমান ভারসাম্য রক্ষা করে চলতে হয়। এই বহুমুখী দায়িত্ব পালনের ভিড়ে নিজেদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি মনোযোগ দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। মানসিক দিক থেকে সুস্থ না থাকলে জীবনযাত্রার মান ও কাজের দক্ষতা—দুটোই ব্যাহত হয়।"
অনুষ্ঠানের শেষভাগে একটি উন্মুক্ত আলোচনা পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে অংশগ্রহণকারীরা পারস্পরিক অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন এবং নিজেদের যত্ন নেওয়ার নানা কৌশল নিয়ে মতামত বিনিময় করেন। হালকা আপ্যায়নের মাধ্যমে শেষ হওয়া এই আয়োজনটি নারী কর্মীদের মধ্যে পারস্পরিক আন্তরিকতা ও মেলবন্ধন আরও দৃঢ় করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন আয়োজকরা।

0 Comments