
তীব্র গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের অজুহাতে কোনোভাবেই যাতে পোশাক শ্রমিকদের ছাঁটাই না করা হয়, সে বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে দ্রুত স্পষ্ট নির্দেশনা জারির আহ্বান জানিয়েছেন শ্রমিক নেতারা। একই সঙ্গে দেশের প্রধান রপ্তানিমুখী পোশাক খাতকে বাঁচাতে কারখানাগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিতকরণ, সংশোধিত শ্রম আইনের কার্যকর বাস্তবায়ন এবং দ্রুত নতুন মজুরি বোর্ড গঠনের জোরালো দাবি জানানো হয়েছে।
শুক্রবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ‘বাংলাদেশ গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতির’ উদ্যোগে আয়োজিত এক বিশাল সমাবেশে এসব দাবি তুলে ধরেন সংগঠনটির শীর্ষ নেতারা। সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়, যা পল্টন মোড় ও সংলগ্ন এলাকা প্রদক্ষিণ করে। পরে সংগঠনের পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কর্মসূচির বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়।
সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতির সভাপ্রধান তাসলিমা আখতার বলেন, "জ্বালানি সংকট বা কারখানার অব্যবস্থাপনার দায় কোনোভাবেই সাধারণ শ্রমিকের ঘাড়ে চাপানো যাবে না। সংকটের কথা বলে ঢালাওভাবে শ্রমিক ছাঁটাই অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। মনে রাখতে হবে, শ্রমিকের সুরক্ষা ও জীবনমান নিশ্চিত না করে শিল্পকে দীর্ঘমেয়াদে বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব নয়।"
তিনি আরও উল্লেখ করেন, চলতি বছরে শ্রম আইনে কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন আনা হলেও বাস্তবায়নের অভাবে তা কেবল কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ হয়ে আছে। ট্রেড ইউনিয়ন বা সংগঠন করার অধিকার, নিরাপদ কর্মপরিবেশ, কর্মক্ষেত্রে হয়রানি বন্ধ ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে এই আইনের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন জরুরি।
সমাবেশে বক্তারা চরম উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও অর্থনৈতিক মন্দার কারণে গত দুই বছরে শতাধিক পোশাক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। এতে প্রায় ৪০ হাজার শ্রমিক চাকরি হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। বর্তমানে গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের কারণে কারখানাগুলোর উৎপাদন সক্ষমতা মারাত্মকভাবে হ্রাস পেয়েছে, যার প্রভাব পড়ছে শ্রমিকের প্রাত্যহিক জীবনে। কর্মহীন শ্রমিকদের দ্রুত পুনর্বাসন ও সামাজিক সুরক্ষার ব্যবস্থা করা না হলে পুরো শ্রম খাত বড় ধরনের অনিশ্চয়তায় পড়বে।
সংগঠনটির সহসভাপ্রধান নুরুল ইসলামের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন শ্রমিকনেতা মিজানুর রহিম চৌধুরী, হযরত বিল্লাল, সাবিনা আক্তার, মামুন ইসলামসহ অনেকে। এছাড়া আউটসোর্সিং কর্মচারী কল্যাণ পরিষদ, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশন এবং বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের প্রতিনিধিরা সমাবেশে একাত্মতা প্রকাশ করেন।
শুক্রবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ‘বাংলাদেশ গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতির’ উদ্যোগে আয়োজিত এক বিশাল সমাবেশে এসব দাবি তুলে ধরেন সংগঠনটির শীর্ষ নেতারা। সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়, যা পল্টন মোড় ও সংলগ্ন এলাকা প্রদক্ষিণ করে। পরে সংগঠনের পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কর্মসূচির বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়।
সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতির সভাপ্রধান তাসলিমা আখতার বলেন, "জ্বালানি সংকট বা কারখানার অব্যবস্থাপনার দায় কোনোভাবেই সাধারণ শ্রমিকের ঘাড়ে চাপানো যাবে না। সংকটের কথা বলে ঢালাওভাবে শ্রমিক ছাঁটাই অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। মনে রাখতে হবে, শ্রমিকের সুরক্ষা ও জীবনমান নিশ্চিত না করে শিল্পকে দীর্ঘমেয়াদে বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব নয়।"
তিনি আরও উল্লেখ করেন, চলতি বছরে শ্রম আইনে কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন আনা হলেও বাস্তবায়নের অভাবে তা কেবল কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ হয়ে আছে। ট্রেড ইউনিয়ন বা সংগঠন করার অধিকার, নিরাপদ কর্মপরিবেশ, কর্মক্ষেত্রে হয়রানি বন্ধ ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে এই আইনের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন জরুরি।
সমাবেশে বক্তারা চরম উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও অর্থনৈতিক মন্দার কারণে গত দুই বছরে শতাধিক পোশাক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। এতে প্রায় ৪০ হাজার শ্রমিক চাকরি হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। বর্তমানে গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের কারণে কারখানাগুলোর উৎপাদন সক্ষমতা মারাত্মকভাবে হ্রাস পেয়েছে, যার প্রভাব পড়ছে শ্রমিকের প্রাত্যহিক জীবনে। কর্মহীন শ্রমিকদের দ্রুত পুনর্বাসন ও সামাজিক সুরক্ষার ব্যবস্থা করা না হলে পুরো শ্রম খাত বড় ধরনের অনিশ্চয়তায় পড়বে।
সংগঠনটির সহসভাপ্রধান নুরুল ইসলামের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন শ্রমিকনেতা মিজানুর রহিম চৌধুরী, হযরত বিল্লাল, সাবিনা আক্তার, মামুন ইসলামসহ অনেকে। এছাড়া আউটসোর্সিং কর্মচারী কল্যাণ পরিষদ, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশন এবং বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের প্রতিনিধিরা সমাবেশে একাত্মতা প্রকাশ করেন।

0 Comments