
ইসলামাবাদ: পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)-এর প্রধান ইমরান খানকে হাসপাতালে শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে পুনরায় কারাগারে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। দেশটির সুপ্রিম কোর্টের সুনির্দিষ্ট নির্দেশে সাবেক এই ক্রিকেট তারকা ও রাজনীতিককে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। তবে পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে, মেডিকেল টেস্টের ফলাফলে এমন কোনো জটিলতা দেখা যায়নি যার জন্য তাকে হাসপাতালে ভর্তি রাখা বা জরুরি কোনো চিকিৎসার প্রয়োজন রয়েছে।
পাকিস্তানের সরকারি সূত্রের খবরে বলা হয়েছে, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের একটি মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে ইমরান খানের প্রয়োজনীয় সব পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষা শেষে চিকিৎসকরা জানান, বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা পুরোপুরি স্থিতিশীল এবং চিন্তার মতো কোনো কারণ নেই। মেডিকেল বোর্ডের সুপারিশের ভিত্তিতেই প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়ে তাকে রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে ফেরত পাঠানো হয়।
উল্লেখ্য, বেশ কিছুদিন ধরে কারাবন্দী সাবেক এই রাষ্ট্রপ্রধানের শারীরিক অবস্থা নিয়ে পিটিআই নেতা-কর্মী এবং তার পরিবারের মধ্যে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। ইমরান খানের আইনি দলের অভিযোগ ছিল, কারাগারে তাকে উপযুক্ত চিকিৎসা সেবা এবং নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। এই বিষয়ে আদালতে আবেদনের পর পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট তার নিরপেক্ষ স্বাস্থ্য পরীক্ষার নির্দেশ দিয়েছিলেন।
২০২৩ সালের আগস্ট মাস থেকে একাধিক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কারাবন্দী রয়েছেন ৭২ বছর বয়সী ইমরান খান। তার বিরুদ্ধে তোশাখানা মামলাসহ একাধিক অভিযোগে বিচার চলছে। তবে ইমরান খান ও তার দল শুরু থেকেই এসব মামলাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে প্রণোদিত বলে দাবি করে আসছে। হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে তাকে ফের কারাগারে পাঠানো হলেও চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার শারীরিক অবস্থার ওপর নজরদারি অব্যাহত রাখা হবে।
পাকিস্তানের সরকারি সূত্রের খবরে বলা হয়েছে, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের একটি মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে ইমরান খানের প্রয়োজনীয় সব পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষা শেষে চিকিৎসকরা জানান, বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা পুরোপুরি স্থিতিশীল এবং চিন্তার মতো কোনো কারণ নেই। মেডিকেল বোর্ডের সুপারিশের ভিত্তিতেই প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়ে তাকে রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে ফেরত পাঠানো হয়।
উল্লেখ্য, বেশ কিছুদিন ধরে কারাবন্দী সাবেক এই রাষ্ট্রপ্রধানের শারীরিক অবস্থা নিয়ে পিটিআই নেতা-কর্মী এবং তার পরিবারের মধ্যে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। ইমরান খানের আইনি দলের অভিযোগ ছিল, কারাগারে তাকে উপযুক্ত চিকিৎসা সেবা এবং নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। এই বিষয়ে আদালতে আবেদনের পর পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট তার নিরপেক্ষ স্বাস্থ্য পরীক্ষার নির্দেশ দিয়েছিলেন।
২০২৩ সালের আগস্ট মাস থেকে একাধিক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কারাবন্দী রয়েছেন ৭২ বছর বয়সী ইমরান খান। তার বিরুদ্ধে তোশাখানা মামলাসহ একাধিক অভিযোগে বিচার চলছে। তবে ইমরান খান ও তার দল শুরু থেকেই এসব মামলাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে প্রণোদিত বলে দাবি করে আসছে। হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে তাকে ফের কারাগারে পাঠানো হলেও চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার শারীরিক অবস্থার ওপর নজরদারি অব্যাহত রাখা হবে।

0 Comments