
শর্ত অমান্য করে রাস্তায় চাঁদা তোলা এবং নির্যাতনের অভিযোগে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রীর কড়া নির্দেশে দুটি হাতিকে পুনরায় গাজীপুরের শ্রীপুরে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া হাতি দুটির নাম ‘সম্রাট বাহাদুর’ (পুরুষ) এবং ‘নিহারকলি’ (মাদি)।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) ভোর ও সকালে পৃথক দুটি খোলা ট্রাকে করে হাতি দুটিকে পার্কে ফিরিয়ে আনা হয়। সাফারি পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তারেক রহমান তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। পার্কে পৌঁছানোর পরপরই বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞ ও চিকিৎসকরা হাতি দুটির প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করেন। পার্কের ভেটেরিনারি সার্জন ড. হাতেম সাজ্জাত মো. জুলকার নাইন জানান, হাতি দুটির সার্বিক স্বাস্থ্যের বিস্তারিত তথ্য জানতে গঠিত বিশেষ মেডিকেল বোর্ডের সহায়তা চাওয়া হয়েছে। বোর্ডের চিকিৎসকদের মূল্যায়নের পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এর আগে লোকালয়ে তাণ্ডব ও মানুষের ওপর আক্রমণের কারণে হাতি দুটিকে উদ্ধার করা হয়েছিল। ২০২৪ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় মাহুত নজরুল ইসলামকে পিষে হত্যার পর ‘সম্রাট বাহাদুর’কে এবং একই বছরের ৩১ আগস্ট নারায়ণগঞ্জের ভুলতা এলাকা থেকে ‘নিহারকলি’কে উদ্ধার করে প্রথম দফায় সাফারি পার্কে আনা হয়।
পরবর্তীতে পার্কের নিজস্ব দুটি হাতির আকস্মিক মৃত্যুর পর একটি বিশেষ ব্যবস্থায় হাতি দুটিকে তাদের মালিকপক্ষের জিম্মায় ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তবে জিম্মায় দেওয়ার সময় প্রধান শর্ত ছিল—হাতি দুটিকে দিয়ে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি করানো যাবে না এবং কোনোভাবেই তাদের ওপর অবহেলা বা নির্যাতন চালানো যাবে না। কিন্তু মালিকপক্ষ জিম্মার শর্ত তোয়াক্কা না করে পুনরায় হাতি দুটি দিয়ে লোকালয়ে চাঁদাবাজি শুরু করে।
বিষয়টি নজরে আসার পর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর নির্দেশে সোমবার (২৪ আগস্ট) মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ থেকে ‘নিহারকলি’ এবং জুড়ী উপজেলার শিলুয়া চা বাগান সংলগ্ন এলাকা থেকে ‘সম্রাট বাহাদুর’কে বন বিভাগের হেফাজতে নেওয়া হয়। সেখান থেকেই মঙ্গলবার ভোরে ও সকালে তাদের নিরাপত্তার সঙ্গে গাজীপুরের সাফারি পার্কে নিয়ে আসা হয়। বর্তমানে বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা দল হাতি দুটিকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখেছে।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) ভোর ও সকালে পৃথক দুটি খোলা ট্রাকে করে হাতি দুটিকে পার্কে ফিরিয়ে আনা হয়। সাফারি পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তারেক রহমান তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। পার্কে পৌঁছানোর পরপরই বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞ ও চিকিৎসকরা হাতি দুটির প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করেন। পার্কের ভেটেরিনারি সার্জন ড. হাতেম সাজ্জাত মো. জুলকার নাইন জানান, হাতি দুটির সার্বিক স্বাস্থ্যের বিস্তারিত তথ্য জানতে গঠিত বিশেষ মেডিকেল বোর্ডের সহায়তা চাওয়া হয়েছে। বোর্ডের চিকিৎসকদের মূল্যায়নের পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এর আগে লোকালয়ে তাণ্ডব ও মানুষের ওপর আক্রমণের কারণে হাতি দুটিকে উদ্ধার করা হয়েছিল। ২০২৪ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় মাহুত নজরুল ইসলামকে পিষে হত্যার পর ‘সম্রাট বাহাদুর’কে এবং একই বছরের ৩১ আগস্ট নারায়ণগঞ্জের ভুলতা এলাকা থেকে ‘নিহারকলি’কে উদ্ধার করে প্রথম দফায় সাফারি পার্কে আনা হয়।
পরবর্তীতে পার্কের নিজস্ব দুটি হাতির আকস্মিক মৃত্যুর পর একটি বিশেষ ব্যবস্থায় হাতি দুটিকে তাদের মালিকপক্ষের জিম্মায় ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তবে জিম্মায় দেওয়ার সময় প্রধান শর্ত ছিল—হাতি দুটিকে দিয়ে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি করানো যাবে না এবং কোনোভাবেই তাদের ওপর অবহেলা বা নির্যাতন চালানো যাবে না। কিন্তু মালিকপক্ষ জিম্মার শর্ত তোয়াক্কা না করে পুনরায় হাতি দুটি দিয়ে লোকালয়ে চাঁদাবাজি শুরু করে।
বিষয়টি নজরে আসার পর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর নির্দেশে সোমবার (২৪ আগস্ট) মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ থেকে ‘নিহারকলি’ এবং জুড়ী উপজেলার শিলুয়া চা বাগান সংলগ্ন এলাকা থেকে ‘সম্রাট বাহাদুর’কে বন বিভাগের হেফাজতে নেওয়া হয়। সেখান থেকেই মঙ্গলবার ভোরে ও সকালে তাদের নিরাপত্তার সঙ্গে গাজীপুরের সাফারি পার্কে নিয়ে আসা হয়। বর্তমানে বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা দল হাতি দুটিকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখেছে।

0 Comments