
দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী নয়নতারা। অভিনয়গুণ ও জনপ্রিয়তার কারণে তাকে দক্ষিণী চলচ্চিত্রের ‘লেডি সুপারস্টার’ও বলা হয়। বর্তমানে প্রতি ছবিতে কোটি কোটি রুপি পারিশ্রমিক নেন এই অভিনেত্রী। তবে ক্যারিয়ারের শুরুটা ছিল একেবারেই ভিন্ন। মাত্র ২ থেকে ৩ হাজার রুপি পারিশ্রমিকের কাজ দিয়ে শুরু হয়েছিল তার পথচলা।
বর্তমানে আসন্ন ছবি ‘হাই’র মুক্তি নিয়ে ব্যস্ত নয়নতারা। এরই মধ্যে এক সাক্ষাৎকারে নিজের ক্যারিয়ারের শুরুর দিনের কথা স্মরণ করেছেন তিনি। জানিয়েছেন, অভিনয়ে আসার আগে মডেলিং করতেন। আর সেই সময়ের একটি ছোট কাজই শেষ পর্যন্ত তাকে নিয়ে যায় চলচ্চিত্রের জগতে।
সাক্ষাৎকারে নয়নতারাকে তার প্রথম কাজ ও প্রথম পারিশ্রমিক সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়। অভিনেত্রী জানান, তার প্রথম কাজ ছিল একটি পত্রিকার প্রচ্ছদের জন্য ফটোশুট। ওই কাজের জন্য তিনি আনুমানিক ২ থেকে ৩ হাজার টাকা পারিশ্রমিক পেয়েছিলেন।
তখন হয়তো নয়নতারা নিজেও ভাবতে পারেননি, সামান্য পারিশ্রমিকের সেই কাজই একদিন তার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেবে। পত্রিকায় প্রকাশিত তার ছবি নজরে পড়ে পরিচালক সত্যন অন্তিক্কাড়ের। ছবিটি দেখেই তিনি নয়নতারাকে অভিনয়ের প্রস্তাব দেন।
অভিনয়কে তখন পেশা হিসেবে নেওয়ার কোনো পরিকল্পনাই ছিল না নয়নতারার। কিন্তু পরিচালকের সেই প্রস্তাব গ্রহণ করেন তিনি। এরপর ২০০৩ সালে মালয়ালাম সিনেমার মাধ্যমে বড়পর্দায় অভিষেক হয় তার। প্রথম ছবিটিও বক্স অফিসে সাফল্য পায়।
এরপর আরও দুটি উল্লেখযোগ্য মালয়ালম ছবিতে অভিনয় করেন নয়নতারা। পরে ২০০৫ সালে ‘আইয়া’ ছবির মাধ্যমে তামিল চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় তার। একই বছর রজনীকান্তের বিপরীতে ‘চন্দ্রমুখী’ ছবিতে অভিনয়ের সুযোগ পান অভিনেত্রী। ছবিটি ব্যাপক সাফল্য পাওয়ার পর নয়নতারার ক্যারিয়ারও নতুন গতি পায়।
এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। তামিল, তেলুগু ও মালয়ালাম-দক্ষিণ ভারতের একাধিক ভাষার ছবিতে একের পর এক সফল সিনেমায় অভিনয় করে নিজের অবস্থান শক্ত করেছেন নয়নতারা। পরবর্তী সময়ে বলিউডেও পা রাখেন তিনি।
ক্যারিয়ারের শুরুতে যেখানে ২-৩ হাজার রুপির পারিশ্রমিক পেয়েছিলেন, সেখানে বর্তমানে নয়নতারা প্রতি ছবির জন্য আনুমানিক ১০ থেকে ১৮ কোটি রুপি পারিশ্রমিক নেন বলে জানা যায়।
অর্থাৎ, কয়েক হাজার রুপি দিয়ে শুরু করা সেই পথচলা এখন কোটি রুপির পারিশ্রমিকের জায়গায় পৌঁছেছে। মডেলিংয়ের একটি ছোট কাজ যে তাকে একদিন দক্ষিণী সিনেমার ‘লেডি সুপারস্টার’ করে তুলবে, সেটি নিশ্চয়ই তার শুরুর দিনের কল্পনাতেও ছিল না।
এমএমএফ
বর্তমানে আসন্ন ছবি ‘হাই’র মুক্তি নিয়ে ব্যস্ত নয়নতারা। এরই মধ্যে এক সাক্ষাৎকারে নিজের ক্যারিয়ারের শুরুর দিনের কথা স্মরণ করেছেন তিনি। জানিয়েছেন, অভিনয়ে আসার আগে মডেলিং করতেন। আর সেই সময়ের একটি ছোট কাজই শেষ পর্যন্ত তাকে নিয়ে যায় চলচ্চিত্রের জগতে।
সাক্ষাৎকারে নয়নতারাকে তার প্রথম কাজ ও প্রথম পারিশ্রমিক সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়। অভিনেত্রী জানান, তার প্রথম কাজ ছিল একটি পত্রিকার প্রচ্ছদের জন্য ফটোশুট। ওই কাজের জন্য তিনি আনুমানিক ২ থেকে ৩ হাজার টাকা পারিশ্রমিক পেয়েছিলেন।
তখন হয়তো নয়নতারা নিজেও ভাবতে পারেননি, সামান্য পারিশ্রমিকের সেই কাজই একদিন তার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেবে। পত্রিকায় প্রকাশিত তার ছবি নজরে পড়ে পরিচালক সত্যন অন্তিক্কাড়ের। ছবিটি দেখেই তিনি নয়নতারাকে অভিনয়ের প্রস্তাব দেন।
অভিনয়কে তখন পেশা হিসেবে নেওয়ার কোনো পরিকল্পনাই ছিল না নয়নতারার। কিন্তু পরিচালকের সেই প্রস্তাব গ্রহণ করেন তিনি। এরপর ২০০৩ সালে মালয়ালাম সিনেমার মাধ্যমে বড়পর্দায় অভিষেক হয় তার। প্রথম ছবিটিও বক্স অফিসে সাফল্য পায়।
এরপর আরও দুটি উল্লেখযোগ্য মালয়ালম ছবিতে অভিনয় করেন নয়নতারা। পরে ২০০৫ সালে ‘আইয়া’ ছবির মাধ্যমে তামিল চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় তার। একই বছর রজনীকান্তের বিপরীতে ‘চন্দ্রমুখী’ ছবিতে অভিনয়ের সুযোগ পান অভিনেত্রী। ছবিটি ব্যাপক সাফল্য পাওয়ার পর নয়নতারার ক্যারিয়ারও নতুন গতি পায়।
এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। তামিল, তেলুগু ও মালয়ালাম-দক্ষিণ ভারতের একাধিক ভাষার ছবিতে একের পর এক সফল সিনেমায় অভিনয় করে নিজের অবস্থান শক্ত করেছেন নয়নতারা। পরবর্তী সময়ে বলিউডেও পা রাখেন তিনি।
ক্যারিয়ারের শুরুতে যেখানে ২-৩ হাজার রুপির পারিশ্রমিক পেয়েছিলেন, সেখানে বর্তমানে নয়নতারা প্রতি ছবির জন্য আনুমানিক ১০ থেকে ১৮ কোটি রুপি পারিশ্রমিক নেন বলে জানা যায়।
অর্থাৎ, কয়েক হাজার রুপি দিয়ে শুরু করা সেই পথচলা এখন কোটি রুপির পারিশ্রমিকের জায়গায় পৌঁছেছে। মডেলিংয়ের একটি ছোট কাজ যে তাকে একদিন দক্ষিণী সিনেমার ‘লেডি সুপারস্টার’ করে তুলবে, সেটি নিশ্চয়ই তার শুরুর দিনের কল্পনাতেও ছিল না।
এমএমএফ

0 Comments