
টেনিস অঙ্গনে নতুন ইতিহাস গড়ে অর্থ পুরস্কারের এক অনন্য রেকর্ড গড়ল ইউএস ওপেন। বিশ্ব টেনিসের ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো কোনো একক টুর্নামেন্টে প্রাইজমানির পরিমাণ ১০ কোটি মার্কিন ডলারের গণ্ডি অতিক্রম করল। ২০২৬ সালের ইউএস ওপেন আসরে খেলোয়াড়দের মোট প্রাইজমানি হিসেবে দেওয়া হবে ১০ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৩ হাজার ২৫০ কোটি টাকা। কেবল গ্র্যান্ড স্লাম টুর্নামেন্ট নয়, পুরো টেনিস ইতিহাসেই এক আসরে দেওয়া এটি সর্বোচ্চ পুরস্কারমূল্য।
এর আগে প্রাইজমানির সর্বমোট রেকর্ডটি ছিল ইউএস ওপেনেরই দখলে। ২০২৫ সালের আসরে যেখানে মোট ৯ কোটি ডলার প্রাইজমানি দেওয়া হয়েছিল, সেখানে এক বছরের ব্যবধানে এবার প্রাইজমানির পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে প্রায় ২০ শতাংশ। অন্য তিন গ্র্যান্ড স্লাম—অস্ট্রেলিয়ান ওপেন, ফরাসি ওপেন (রোলাঁ গারো) এবং উইম্বলডনের সাম্প্রতিক আসরগুলোর প্রাইজমানিও নিজ নিজ দেশের মুদ্রায় রেকর্ড গড়েছে। তবে মার্কিন ডলারে রূপান্তর করলে ইউএস ওপেনের এই বিশাল অংকের ধারেকাছেও কেউ নেই।
নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, এবারের ইউএস ওপেনে পুরুষ ও নারী এককের দুই চ্যাম্পিয়ন খেলোয়াড় পাবেন ৫৫ লাখ মার্কিন ডলার করে। গত বছরের ৫০ লাখ ডলারের তুলনায় এটি ১০ শতাংশ বেশি। তবে কেবল বিজয়ী তারকাদেরই নয়, টুর্নামেন্টের শুরুর দিকে বাদ পড়া খেলোয়াড়দের আর্থিক নিরাপত্তাকেও এবার প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। এবার প্রথম রাউন্ডে হেরে যাওয়া খেলোয়াড়েরাও পাবেন ১ লাখ ৪০ হাজার ডলার করে, যা গতবারের ১ লাখ ১০ হাজার ডলারের চেয়ে প্রায় ২৭ শতাংশ বেশি।
প্রাইজমানির এই বিশাল বৃদ্ধিতে পেশাদার টেনিস খেলোয়াড়দের দীর্ঘদিনের দাবির স্পষ্ট প্রতিফলন দেখা গেছে। বেশ কিছুদিন ধরেই শীর্ষ সারির টেনিস তারকারা দাবি জানিয়ে আসছিলেন যেন প্রতিটি গ্র্যান্ড স্লাম থেকে অর্জিত আয়ের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ খেলোয়াড়দের দেওয়া হয়। তাঁদের দাবি ছিল, টুর্নামেন্টের মোট আয়ের অন্তত ১৬ শতাংশ প্রাইজমানি হিসেবে দেওয়া উচিত এবং ২০৩০ সালের মধ্যে তা ২২ শতাংশে উন্নীত করা প্রয়োজন।
খেলোয়াড়দের কল্যাণ নিশ্চিত করতে ইউএস টেনিস অ্যাসোসিয়েশন (ইউএসটিএ) আরও ২০ লাখ ডলারের একটি ‘প্লেয়ার সাপোর্ট প্রোগ্রাম’ চালুর ঘোষণা দিয়েছে। এর পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়ান ওপেন, ফ্রেঞ্চ ওপেন, উইম্বলডন ও ইউএস ওপেন যৌথভাবে ‘গ্র্যান্ড স্লাম প্লেয়ার অ্যাডভাইজরি কাউন্সিল’ গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা সিদ্ধান্ত গ্রহণে খেলোয়াড়দের প্রতিনিধিত্ব বাড়াবে। আগামী ৩০ আগস্ট থেকে কোর্টে গড়াচ্ছে রোমাঞ্চকর ও ঐতিহাসিক এই ইউএস ওপেন।
এর আগে প্রাইজমানির সর্বমোট রেকর্ডটি ছিল ইউএস ওপেনেরই দখলে। ২০২৫ সালের আসরে যেখানে মোট ৯ কোটি ডলার প্রাইজমানি দেওয়া হয়েছিল, সেখানে এক বছরের ব্যবধানে এবার প্রাইজমানির পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে প্রায় ২০ শতাংশ। অন্য তিন গ্র্যান্ড স্লাম—অস্ট্রেলিয়ান ওপেন, ফরাসি ওপেন (রোলাঁ গারো) এবং উইম্বলডনের সাম্প্রতিক আসরগুলোর প্রাইজমানিও নিজ নিজ দেশের মুদ্রায় রেকর্ড গড়েছে। তবে মার্কিন ডলারে রূপান্তর করলে ইউএস ওপেনের এই বিশাল অংকের ধারেকাছেও কেউ নেই।
নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, এবারের ইউএস ওপেনে পুরুষ ও নারী এককের দুই চ্যাম্পিয়ন খেলোয়াড় পাবেন ৫৫ লাখ মার্কিন ডলার করে। গত বছরের ৫০ লাখ ডলারের তুলনায় এটি ১০ শতাংশ বেশি। তবে কেবল বিজয়ী তারকাদেরই নয়, টুর্নামেন্টের শুরুর দিকে বাদ পড়া খেলোয়াড়দের আর্থিক নিরাপত্তাকেও এবার প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। এবার প্রথম রাউন্ডে হেরে যাওয়া খেলোয়াড়েরাও পাবেন ১ লাখ ৪০ হাজার ডলার করে, যা গতবারের ১ লাখ ১০ হাজার ডলারের চেয়ে প্রায় ২৭ শতাংশ বেশি।
প্রাইজমানির এই বিশাল বৃদ্ধিতে পেশাদার টেনিস খেলোয়াড়দের দীর্ঘদিনের দাবির স্পষ্ট প্রতিফলন দেখা গেছে। বেশ কিছুদিন ধরেই শীর্ষ সারির টেনিস তারকারা দাবি জানিয়ে আসছিলেন যেন প্রতিটি গ্র্যান্ড স্লাম থেকে অর্জিত আয়ের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ খেলোয়াড়দের দেওয়া হয়। তাঁদের দাবি ছিল, টুর্নামেন্টের মোট আয়ের অন্তত ১৬ শতাংশ প্রাইজমানি হিসেবে দেওয়া উচিত এবং ২০৩০ সালের মধ্যে তা ২২ শতাংশে উন্নীত করা প্রয়োজন।
খেলোয়াড়দের কল্যাণ নিশ্চিত করতে ইউএস টেনিস অ্যাসোসিয়েশন (ইউএসটিএ) আরও ২০ লাখ ডলারের একটি ‘প্লেয়ার সাপোর্ট প্রোগ্রাম’ চালুর ঘোষণা দিয়েছে। এর পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়ান ওপেন, ফ্রেঞ্চ ওপেন, উইম্বলডন ও ইউএস ওপেন যৌথভাবে ‘গ্র্যান্ড স্লাম প্লেয়ার অ্যাডভাইজরি কাউন্সিল’ গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা সিদ্ধান্ত গ্রহণে খেলোয়াড়দের প্রতিনিধিত্ব বাড়াবে। আগামী ৩০ আগস্ট থেকে কোর্টে গড়াচ্ছে রোমাঞ্চকর ও ঐতিহাসিক এই ইউএস ওপেন।

0 Comments