
ইতালির রোমে কনসার্ট করতে গিয়ে হোটেলকক্ষ কেন্দ্রিক সৃষ্ট বিতর্ক নিয়ে অবশেষে সরাসরি মুখ খুললেন ব্যান্ড সংগীতের কিংবদন্তি তারকা নগরবাউল জেমস। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলা নানা আলোচনা-সমালোচনার জবাব দিয়ে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, এটি অত্যন্ত তুচ্ছ একটি ঘটনা এবং এটি নিয়ে অনর্থক জলঘোলা করা হচ্ছে।
সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে জেমস জানান, মূল অভিযোগটি হোটেলের ৫৪৯ নম্বর কক্ষকে কেন্দ্র করে। সেই কক্ষে দলের এক তরুণ গিটারিস্ট অবস্থান করছিলেন। বিষয়টি ব্যাখ্যা করে জেমস বলেন, 'ছেলেটি বয়সে তরুণ, হয়তো তারা রুম পরিষ্কার রাখেনি। কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী হোটেলেরই প্রতিদিন ঘর পরিষ্কার করার কথা, তারা হয়তো তা করেনি। হোটেলে এমন ঘটনা আকছার ঘটে থাকে। যদি হোটেল কর্তৃপক্ষ ২০০ ইউরো জরিমানা করেও থাকে, তবে সেটি এমন কী বড় বিষয়? অনেক সময় রুমে ধূমপান করলেও তো ১০০-২০০ ইউরো ফাইন দিতে হয়। একেক দেশের নিয়ম একেক রকম, তাই এটি নিয়ে এত বড় ইস্যু বানানোর কোনো প্রয়োজনই নেই।'
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ঘটনা নিয়ে চলা সমালোচনা প্রসঙ্গে স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে নগরবাউল বলেন, 'মানুষ যা ইচ্ছা লিখছে, লিখুক না! এখন সবার হাতেই স্মার্টফোন আছে, তারা দুই-চারটা কথা লিখতেই পারে। এতে বাধা দেওয়ার তো কিছু নেই। তাদের মন খুলে লেখার পূর্ণ স্বাধীনতা রয়েছে।'
এর আগে জেমসের মুখপাত্র রুবাইয়াত ঠাকুর রবিন বিষয়টির বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন। তিনি জানান, যে ঘর নিয়ে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, সেখানে জেমস ছিলেন না। জেমস অবস্থান করছিলেন ৩৪৫ নম্বর কক্ষে এবং রবিন নিজে ছিলেন ২৪৬ নম্বরে। বিতর্কিত ৫৪৯ নম্বর কক্ষে ছিলেন ব্যান্ডের অন্য এক মিউজিশিয়ান। ফলে অন্য একজনের কক্ষের অব্যবস্থাপনার দায় দেশের শীর্ষ তারকার ওপর চাপানো সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মিথ্যাচার।
হোটেলের নিয়ম না মেনে বা রিসেপশনে না জানিয়ে পালিয়ে আসার যে খবর চটেছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেন রবিন। তিনি বলেন, 'এতজন মানুষ এবং এত ভারি গানের সরঞ্জাম নিয়ে কি হুট করে পালিয়ে যাওয়া সম্ভব? আয়োজকদের নিজেদের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ঢাকা দিতেই আমাদের নামে এসব অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। আমরা সব নিয়ম মেনেই বর্তমানে ভেনিসে অবস্থান করছি।'
উল্লেখ্য, কনসার্টের ইতালীয় আয়োজক হোসাইন আহমেদ ব্যান্ডটির বিরুদ্ধে হিসাবের গরমিল ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলে পুলিশ ডাকার দাবি করেছিলেন। এর জবাবে রবিন বলেন, লিখিত চুক্তি অনুযায়ী সব কাজ হয়েছে। কোনো নিয়ম ভাঙা হলে ইতালির পুলিশ অবশ্যই জেমস বা তাঁদের দলের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিত। অসত্য অভিযোগ তুলে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন না করার জন্য তিনি আয়োজকদের প্রতি অনুরোধ জানান।
সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে জেমস জানান, মূল অভিযোগটি হোটেলের ৫৪৯ নম্বর কক্ষকে কেন্দ্র করে। সেই কক্ষে দলের এক তরুণ গিটারিস্ট অবস্থান করছিলেন। বিষয়টি ব্যাখ্যা করে জেমস বলেন, 'ছেলেটি বয়সে তরুণ, হয়তো তারা রুম পরিষ্কার রাখেনি। কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী হোটেলেরই প্রতিদিন ঘর পরিষ্কার করার কথা, তারা হয়তো তা করেনি। হোটেলে এমন ঘটনা আকছার ঘটে থাকে। যদি হোটেল কর্তৃপক্ষ ২০০ ইউরো জরিমানা করেও থাকে, তবে সেটি এমন কী বড় বিষয়? অনেক সময় রুমে ধূমপান করলেও তো ১০০-২০০ ইউরো ফাইন দিতে হয়। একেক দেশের নিয়ম একেক রকম, তাই এটি নিয়ে এত বড় ইস্যু বানানোর কোনো প্রয়োজনই নেই।'
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ঘটনা নিয়ে চলা সমালোচনা প্রসঙ্গে স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে নগরবাউল বলেন, 'মানুষ যা ইচ্ছা লিখছে, লিখুক না! এখন সবার হাতেই স্মার্টফোন আছে, তারা দুই-চারটা কথা লিখতেই পারে। এতে বাধা দেওয়ার তো কিছু নেই। তাদের মন খুলে লেখার পূর্ণ স্বাধীনতা রয়েছে।'
এর আগে জেমসের মুখপাত্র রুবাইয়াত ঠাকুর রবিন বিষয়টির বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন। তিনি জানান, যে ঘর নিয়ে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, সেখানে জেমস ছিলেন না। জেমস অবস্থান করছিলেন ৩৪৫ নম্বর কক্ষে এবং রবিন নিজে ছিলেন ২৪৬ নম্বরে। বিতর্কিত ৫৪৯ নম্বর কক্ষে ছিলেন ব্যান্ডের অন্য এক মিউজিশিয়ান। ফলে অন্য একজনের কক্ষের অব্যবস্থাপনার দায় দেশের শীর্ষ তারকার ওপর চাপানো সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মিথ্যাচার।
হোটেলের নিয়ম না মেনে বা রিসেপশনে না জানিয়ে পালিয়ে আসার যে খবর চটেছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেন রবিন। তিনি বলেন, 'এতজন মানুষ এবং এত ভারি গানের সরঞ্জাম নিয়ে কি হুট করে পালিয়ে যাওয়া সম্ভব? আয়োজকদের নিজেদের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ঢাকা দিতেই আমাদের নামে এসব অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। আমরা সব নিয়ম মেনেই বর্তমানে ভেনিসে অবস্থান করছি।'
উল্লেখ্য, কনসার্টের ইতালীয় আয়োজক হোসাইন আহমেদ ব্যান্ডটির বিরুদ্ধে হিসাবের গরমিল ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলে পুলিশ ডাকার দাবি করেছিলেন। এর জবাবে রবিন বলেন, লিখিত চুক্তি অনুযায়ী সব কাজ হয়েছে। কোনো নিয়ম ভাঙা হলে ইতালির পুলিশ অবশ্যই জেমস বা তাঁদের দলের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিত। অসত্য অভিযোগ তুলে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন না করার জন্য তিনি আয়োজকদের প্রতি অনুরোধ জানান।

0 Comments