
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর ব্যক্তির পরিবর্তন হলেও রাষ্ট্রের গুণগত পরিবর্তন হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান।
ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব বলেন, রাষ্ট্রের কাছে জনগণের যা চাওয়া, তা নিয়ে কোনো মাত্রাতেই স্বস্তিজনক খবর নেই। দ্রব্যমূল্য মানুষের নাগালের বাইরে, জ্বালানি খাতে দফায় দফায় হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে, জননিরাপত্তায় তেমন কোনো উন্নতি নেই। বিনিয়োগ পরিস্থিতি ভয়াবহ। সরকারের ছয় মাস অতিক্রান্ত হলেও দেশের সার্বিক পরিস্থিতির তেমন কোনো উন্নতি হয়নি। এর কারণ হলো, রাষ্ট্রের কাঠামোতে কোনো পরিবর্তন আসেনি, নীতিগত সংস্কার হয়নি।
সভায় গাজী আতাউর রহমান বলেন, জনপ্রত্যাশা পূরণে সংস্কার করতেই হবে। বিশেষ করে সাধারণ ভোটের আনুপাতিক হারের ভিত্তিতে উচ্চকক্ষ গঠন করতে হবে। তিনি বলেছেন, সংস্কার না হলে আগামী পাঁচ বছরেও কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জিত হবে না বলে তিনি মনে করেন।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলনের যুগ্ম মহাসচিব আশরাফুল আলম, নেছার উদ্দিন, সহকারী মহাসচিব আহমদ আবদুল কাইয়ুম, শেখ ফজলুল করীম মারুফ, দপ্তর সম্পাদক লোকমান হোসাইন জাফরী, কে এম শরীয়াতুল্লাহ প্রমুখ।
ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব বলেন, রাষ্ট্রের কাছে জনগণের যা চাওয়া, তা নিয়ে কোনো মাত্রাতেই স্বস্তিজনক খবর নেই। দ্রব্যমূল্য মানুষের নাগালের বাইরে, জ্বালানি খাতে দফায় দফায় হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে, জননিরাপত্তায় তেমন কোনো উন্নতি নেই। বিনিয়োগ পরিস্থিতি ভয়াবহ। সরকারের ছয় মাস অতিক্রান্ত হলেও দেশের সার্বিক পরিস্থিতির তেমন কোনো উন্নতি হয়নি। এর কারণ হলো, রাষ্ট্রের কাঠামোতে কোনো পরিবর্তন আসেনি, নীতিগত সংস্কার হয়নি।
সভায় গাজী আতাউর রহমান বলেন, জনপ্রত্যাশা পূরণে সংস্কার করতেই হবে। বিশেষ করে সাধারণ ভোটের আনুপাতিক হারের ভিত্তিতে উচ্চকক্ষ গঠন করতে হবে। তিনি বলেছেন, সংস্কার না হলে আগামী পাঁচ বছরেও কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জিত হবে না বলে তিনি মনে করেন।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলনের যুগ্ম মহাসচিব আশরাফুল আলম, নেছার উদ্দিন, সহকারী মহাসচিব আহমদ আবদুল কাইয়ুম, শেখ ফজলুল করীম মারুফ, দপ্তর সম্পাদক লোকমান হোসাইন জাফরী, কে এম শরীয়াতুল্লাহ প্রমুখ।

0 Comments