সিডনিতে এবিবিএফের গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত: নভেম্বরে এজিএম আয়োজনের সিদ্ধান্ত

অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করা এবং প্রবাসে অবস্থানরত বাংলাদেশি ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সিডনিতে অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ বিজনেস ফোরামের (এবিবিএফ) নির্বাহী কমিটি ও উপদেষ্টা পরিষদের একটি গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় সিডনির মিন্টোস্থ এবিবিএফ কার্যালয়ে এই যৌথ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এবিবিএফ-এর সভাপতি আবদুল রতন খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় সঞ্চালকের ভূমিকা পালন করেন সংগঠনের নির্বাহী সদস্য হোসেন কবির। সভার শুরুতে ফোরামের চলমান বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ, ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা, আসন্ন নানাবিধ কর্মসূচি এবং অভ্যন্তরীণ সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালী করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও পর্যালোচনা করা হয়। বৈঠকে ফোরামের বহুল প্রতীক্ষিত বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আয়োজনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয় এবং দীর্ঘ আলোচনার পর সর্বসম্মতিক্রমে আগামী ২০ অথবা ২৭ নভেম্বর এই বার্ষিক সাধারণ সভা আয়োজনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সভায় ফোরামের গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হাসান, নির্বাহী কমিটির সদস্য মোজাম্মেল হোসেন বাবু, মো. সাইফুল ইসলাম, সৈয়দ রহমান মিঠু, মো. লুৎফর রহমান টিপু এবং মো. মাইদুর রহমান তরুণ। এছাড়া উপদেষ্টা পরিষদের প্রতিনিধি হিসেবে নেসার খান, নাইম আবদুল্লাহসহ আরও অনেকে অংশ নিয়ে দিকনির্দেশনামূলক মতামত প্রদান করেন।

বৈঠকে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশি ব্যবসায়ী ও পেশাজীবীদের বাণিজ্যিক প্ল্যাটফর্মে ঐক্যবদ্ধ করা এবং পারস্পরিক মেলবন্ধন আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেন। আগামী দিনের কর্মসূচিগুলো যেন আরও সুসংগঠিত, কার্যকর ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়, সে লক্ষ্যে উপদেষ্টা পরিষদ ও নির্বাহী কমিটির পারস্পরিক সমন্বয় বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

সমাপনী বক্তব্যে সভাপতি আবদুল রতন খান মূল্যবান পরামর্শ ও সহযোগিতার জন্য উপস্থিত সকল সদস্যকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। তিনি এবিবিএফ-এর মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে সকলকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। ফোরামের প্রতিনিধিরা আশা প্রকাশ করেন, এই ধরনের যৌথ প্রয়াস বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার বাণিজ্য সম্প্রসারণে এবং প্রবাসী উদ্যোক্তাদের নতুন নতুন সম্ভাবনা তৈরিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

Post a Comment

0 Comments