
দেশের পর্যটন রাজধানী হিসেবে খ্যাত কক্সবাজারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড বাধাগ্রস্ত করার পাঁয়তারা ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে উঠেছে স্থানীয় সর্বস্তরের জনগণ। পর্যটন নগরীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়ক—সুগন্ধা থেকে কলাতলী পর্যন্ত সৈকত তীরের চলমান পাকা করার কাজ বন্ধে কতিপয় স্বার্থান্বেষী মহলের অপপ্রচার ও চক্রান্তের প্রতিবাদে এক বিশাল মানববন্ধন এবং প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার দুপুরে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক কার্যালয় চত্বরে এই বিক্ষোভ কর্মসূচি আয়োজিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন কক্সবাজার প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মমতাজ উদ্দীন বাহারী। সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজারের সহ-সভাপতি ও পর্যটন উদ্যোক্তা এম আর মাহবুবের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে সংবাদকর্মী, পর্যটন উদ্যোক্তা, আইনজীবী, সুশীল সমাজ ও সাধারণ ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
সমাবেশে বক্তারা চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, কক্সবাজারের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হলো এর পর্যটন শিল্প। অথচ দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও কাঙ্ক্ষিত মানের উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত থেকেছে এই আন্তর্জাতিক সম্ভাবনাময় নগরী। সঠিক নেতৃত্বের অভাব এবং একটি চিহ্নিত কুচক্রী মহলের ক্রমাগত বাধার কারণেই শহরটির বিপুল সম্ভাবনা পূর্ণতা পায়নি। বর্তমানে সুগন্ধা থেকে কলাতলী পর্যন্ত আধুনিক সৈকত সড়ক নির্মাণের কাজ শুরু হলে, তথাকথিত 'পরিবেশবাদী'র মুখোশ পরা কতিপয় চাঁদাবাজ ও স্বার্থান্বেষী ব্যক্তি এর বিরুদ্ধে নানা বিভ্রান্তিকর অপপ্রচার চালাচ্ছে।
বক্তারা আরও জোর দিয়ে বলেন, কক্সবাজারের সৌন্দর্যবর্ধন ও যাতায়াত ব্যবস্থার মানোন্নয়নে এই সড়কের গুরুত্ব অপরিসীম। সুগন্ধা-কলাতলী সড়কটি সঠিকভাবে নির্মিত হলে পর্যটন এলাকার দীর্ঘদিনের তীব্র যানজট নিরসন হবে এবং দেশি-বিদেশি পর্যটকদের যাতায়াত বহুগুণে স্বস্তিদায়ক হবে। তাই পর্যটন শিল্পের স্বার্থে এবং কক্সবাজারবাসীর সুবিধার্থে এই সড়ক নির্মাণের বিরোধিতাকারীদের কঠোর হস্তে দমন করতে হবে। এই উন্নয়ন প্রকল্পের প্রশ্নে সাধারণ জনগণ কোনো প্রকার আপস করবে না।
প্রতিবাদ সমাবেশ শেষে পর্যটন নগরীর উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ত্বরান্বিত করা এবং চক্রান্তকারীদের দ্রুত চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন নেতৃবৃন্দ।
সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ইতিহাস গবেষক মুহম্মদ নুরুল ইসলাম, পর্যটন উদ্যোক্তা সিআইপি আব্দু শুক্কুর, কক্সবাজার আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আকতার উদ্দিন হেলালী, প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি কামাল হোসেন আযাদ, সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজারের সভাপতি নুরুল ইসলাম হেলালী, টিভি জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এম আর খোকন, মেরিন ড্রাইভ সড়ক হোটেল-মোটেল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুকিম খান, রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির সভাপতি মুহাম্মদ আলীসহ স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
সোমবার দুপুরে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক কার্যালয় চত্বরে এই বিক্ষোভ কর্মসূচি আয়োজিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন কক্সবাজার প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মমতাজ উদ্দীন বাহারী। সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজারের সহ-সভাপতি ও পর্যটন উদ্যোক্তা এম আর মাহবুবের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে সংবাদকর্মী, পর্যটন উদ্যোক্তা, আইনজীবী, সুশীল সমাজ ও সাধারণ ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
সমাবেশে বক্তারা চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, কক্সবাজারের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হলো এর পর্যটন শিল্প। অথচ দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও কাঙ্ক্ষিত মানের উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত থেকেছে এই আন্তর্জাতিক সম্ভাবনাময় নগরী। সঠিক নেতৃত্বের অভাব এবং একটি চিহ্নিত কুচক্রী মহলের ক্রমাগত বাধার কারণেই শহরটির বিপুল সম্ভাবনা পূর্ণতা পায়নি। বর্তমানে সুগন্ধা থেকে কলাতলী পর্যন্ত আধুনিক সৈকত সড়ক নির্মাণের কাজ শুরু হলে, তথাকথিত 'পরিবেশবাদী'র মুখোশ পরা কতিপয় চাঁদাবাজ ও স্বার্থান্বেষী ব্যক্তি এর বিরুদ্ধে নানা বিভ্রান্তিকর অপপ্রচার চালাচ্ছে।
বক্তারা আরও জোর দিয়ে বলেন, কক্সবাজারের সৌন্দর্যবর্ধন ও যাতায়াত ব্যবস্থার মানোন্নয়নে এই সড়কের গুরুত্ব অপরিসীম। সুগন্ধা-কলাতলী সড়কটি সঠিকভাবে নির্মিত হলে পর্যটন এলাকার দীর্ঘদিনের তীব্র যানজট নিরসন হবে এবং দেশি-বিদেশি পর্যটকদের যাতায়াত বহুগুণে স্বস্তিদায়ক হবে। তাই পর্যটন শিল্পের স্বার্থে এবং কক্সবাজারবাসীর সুবিধার্থে এই সড়ক নির্মাণের বিরোধিতাকারীদের কঠোর হস্তে দমন করতে হবে। এই উন্নয়ন প্রকল্পের প্রশ্নে সাধারণ জনগণ কোনো প্রকার আপস করবে না।
প্রতিবাদ সমাবেশ শেষে পর্যটন নগরীর উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ত্বরান্বিত করা এবং চক্রান্তকারীদের দ্রুত চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন নেতৃবৃন্দ।
সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ইতিহাস গবেষক মুহম্মদ নুরুল ইসলাম, পর্যটন উদ্যোক্তা সিআইপি আব্দু শুক্কুর, কক্সবাজার আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আকতার উদ্দিন হেলালী, প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি কামাল হোসেন আযাদ, সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজারের সভাপতি নুরুল ইসলাম হেলালী, টিভি জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এম আর খোকন, মেরিন ড্রাইভ সড়ক হোটেল-মোটেল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুকিম খান, রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির সভাপতি মুহাম্মদ আলীসহ স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

0 Comments