
রাজশাহীতে চলতি আমন ধানের ভরা মৌসুমে সারের তীব্র সংকটে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকেরা। চাহিদামতো সার না পেয়ে এক বিক্রয়কেন্দ্র থেকে অন্য বিক্রয়কেন্দ্রে ধরণা দিতে হচ্ছে তাঁদের। ডিলারদের দোকান বন্ধ রাখা, সময়মতো সার না দেওয়া এবং অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগ কৃষকদের প্রতিদিনের নিত্যসঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই চরম অব্যবস্থাপনা ও সারের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির খবর প্রকাশ্যে আসার পর অবশেষে নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন।
সার নিয়ে নানামুখী অনিয়মের সংবাদ গণমাধ্যমে উঠে আসার পর রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক (ডিডি) মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনকে তাৎক্ষণিকভাবে সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরের উদ্ভিদ সঙ্গনিরোধ কেন্দ্রে বদলি করা হয়েছে। তাঁর জায়গায় নতুন উপপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে শরীয়তপুরের কৃষি কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল হোসেনকে।
এদিকে রাজশাহীর বিভিন্ন উপজেলায় সার সংগ্রহে কৃষকদের ভোগান্তি এখন চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। পবা উপজেলার আলীমগঞ্জ এলাকার বিসিআইসি ডিলার আবদুল গাফফারের বিক্রয়কেন্দ্রে সার নিতে এসে খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে বহু কৃষককে। দোকান বন্ধ পেয়ে ডিলারের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান বাইরে আছেন, আর তাঁর ম্যানেজার নাকি বাজারে গেছেন। পবার নতুন কসবা গ্রামের কৃষক গোলাম পাঞ্জাতন আক্ষেপ করে জানান, ১১ বিঘা জমিতে আমন ধান আবাদ করলেও এখনো এক ছটাক সার দিতে পারেননি। টানা তিন দিন ঘুরেও ডিলারের দেখা পাননি তিনি। একই দুর্ভোগের কথা জানান গোদাগাড়ীর কৃষক আতাউল হোসেনও।
কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির পাশাপাশি রাজশাহীতে অসাধু সারের মজুতদারদের দৌরাত্ম্যও আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। সম্প্রতি গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পরপরই মাঠে নামে প্রশাসন এবং পরিচালিত হয় ঝটিকা অভিযান। এসব অভিযানে পবার এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকেই জব্দ করা হয় প্রায় ১০ লাখ টাকা মূল্যের অবৈধ সার। অসাধু চক্রের এসব কারসাজির বিরুদ্ধে চাঁপাইনবাবগঞ্জ হর্টিকালচার সেন্টারের উপপরিচালক মো. খালেদুর রহমানকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটি ইতিমধ্যেই তাদের প্রতিবেদন কর্তৃপক্ষের কাছে দাখিল করেছে।
এ বিষয়ে রাজশাহী জেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভাপতি এবং জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম জানান, অসাধু ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন খুচরা বিক্রেতা ও ডিলারের যোগসাজশে অবৈধভাবে সার সংগ্রহ করছিলেন। অভিযুক্তদের জরিমানা করা হয়েছে এবং তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি জেলায় সারের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত সারের চাহিদা পাঠানো হয়েছে বলেও তিনি নিশ্চিত করেন।
সার নিয়ে নানামুখী অনিয়মের সংবাদ গণমাধ্যমে উঠে আসার পর রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক (ডিডি) মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনকে তাৎক্ষণিকভাবে সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরের উদ্ভিদ সঙ্গনিরোধ কেন্দ্রে বদলি করা হয়েছে। তাঁর জায়গায় নতুন উপপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে শরীয়তপুরের কৃষি কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল হোসেনকে।
এদিকে রাজশাহীর বিভিন্ন উপজেলায় সার সংগ্রহে কৃষকদের ভোগান্তি এখন চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। পবা উপজেলার আলীমগঞ্জ এলাকার বিসিআইসি ডিলার আবদুল গাফফারের বিক্রয়কেন্দ্রে সার নিতে এসে খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে বহু কৃষককে। দোকান বন্ধ পেয়ে ডিলারের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান বাইরে আছেন, আর তাঁর ম্যানেজার নাকি বাজারে গেছেন। পবার নতুন কসবা গ্রামের কৃষক গোলাম পাঞ্জাতন আক্ষেপ করে জানান, ১১ বিঘা জমিতে আমন ধান আবাদ করলেও এখনো এক ছটাক সার দিতে পারেননি। টানা তিন দিন ঘুরেও ডিলারের দেখা পাননি তিনি। একই দুর্ভোগের কথা জানান গোদাগাড়ীর কৃষক আতাউল হোসেনও।
কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির পাশাপাশি রাজশাহীতে অসাধু সারের মজুতদারদের দৌরাত্ম্যও আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। সম্প্রতি গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পরপরই মাঠে নামে প্রশাসন এবং পরিচালিত হয় ঝটিকা অভিযান। এসব অভিযানে পবার এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকেই জব্দ করা হয় প্রায় ১০ লাখ টাকা মূল্যের অবৈধ সার। অসাধু চক্রের এসব কারসাজির বিরুদ্ধে চাঁপাইনবাবগঞ্জ হর্টিকালচার সেন্টারের উপপরিচালক মো. খালেদুর রহমানকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটি ইতিমধ্যেই তাদের প্রতিবেদন কর্তৃপক্ষের কাছে দাখিল করেছে।
এ বিষয়ে রাজশাহী জেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভাপতি এবং জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম জানান, অসাধু ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন খুচরা বিক্রেতা ও ডিলারের যোগসাজশে অবৈধভাবে সার সংগ্রহ করছিলেন। অভিযুক্তদের জরিমানা করা হয়েছে এবং তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি জেলায় সারের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত সারের চাহিদা পাঠানো হয়েছে বলেও তিনি নিশ্চিত করেন।

0 Comments