
ভারতের কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার মীর্জা গালিব স্ট্রিটের ‘হোটেল শিখা-ইন’-এ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের চার দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো ধরা ছোঁয়ার বাইরেই থেকে গেছেন এর মালিক বীরেশ্বর মিত্র। পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তারে জোর তৎপরতা চালালেও তাঁর কোনো সন্ধান মেলেনি। পরিস্থিতি বিবেচনায় কলকাতার গণ্ডি পেরিয়ে এবার পূর্ব মেদিনীপুরের জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র দিঘা ও মন্দারমণিতে তল্লাশি অভিযান জোরদার করা হয়েছে।
কলকাতা পুলিশের সদর দপ্তর লালবাজার সূত্রে জানা গেছে, পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার অংশুমান সাহাকে চিঠি পাঠিয়ে দিঘা ও মন্দারমণিসহ জেলার বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রের হোটেল ও গেস্টহাউসগুলোতে সরকারি নিয়মকানুন ঠিকঠাক মানা হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুলিশের জোর সন্দেহ, তদন্ত এড়াতে অভিযুক্ত হোটেলমালিক বীরেশ্বর মিত্র দিঘা বা মন্দারমণিতে থাকা তাঁর নিজস্ব কোনো গেস্টহাউসে আত্মগোপন করে থাকতে পারেন।
এদিকে ভয়াবহ এই দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ছয়জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। জানা গেছে, ভবনটির তৃতীয় তলায় ছিল ‘শিখা-ইন’ এবং পঞ্চম তলায় ছিল আরেকটি আবাসিক হোটেল। বীরেশ্বর মিত্র ‘শিখা-ইন’ হোটেলটি ১১ মাসের চুক্তিতে আবু জাফর নামের এক ব্যবসায়ীর কাছে ইজারা দিয়েছিলেন। আর পঞ্চম তলার হোটেলটি দেওয়া হয়েছিল উমেশ সিং ও জিতেন সিং নামের দুই ব্যক্তির কাছে। ইতিমধ্যে উমেশ ও জিতেনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।
স্মরণকালের এই মর্মান্তিক অগ্নিকাণ্ডে ৯ জন পর্যটক প্রাণ হারিয়েছেন, যাদের মধ্যে ৭ জনই ছিলেন বাংলাদেশি নাগরিক। নিহতদের মধ্যে বাংলাদেশের কুষ্টিয়ার এক সাংবাদিক ও তাঁর পরিবারের তিন সদস্য রয়েছেন। প্রাথমিক ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে জানা গেছে, মূলত বিষাক্ত ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়েই তাঁদের মৃত্যু হয়েছে, তবে শরীরে আগুনের দগ্ধ ক্ষতও রয়েছে।
ঘটনার পরপরই নড়েচড়ে বসেছে স্থানীয় প্রশাসন। কলকাতা পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও কলকাতা পৌর করপোরেশনের যৌথ দল নিউমার্কেট, মীর্জা গালিব স্ট্রিট, মারকুইস স্ট্রিটসহ বিভিন্ন এলাকার অন্তত ৫০টি হোটেল ও রেস্তোরাঁয় অভিযান চালিয়েছে। ফায়ার সেফটি বা অগ্নিনির্বাপণ বিধি অমান্য করায় এসব প্রতিষ্ঠানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়ে ২৪ ঘণ্টার সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উপযুক্ত ব্যাখ্যা না দিলে হোটেলগুলোর লাইসেন্স বাতিলের হুমকি দেওয়া হয়েছে। অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, দুর্ঘটনাকবলিত ‘হোটেল শিখা-ইন’-এর ফায়ার সার্ভিসের কোনো বৈধ ছাড়পত্রই ছিল না। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর নিউমার্কেট এলাকার অন্যান্য হোটেলগুলোতে তড়িঘড়ি করে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র বসানো ও জরুরি নির্গমনের পথ প্রস্তুত করার হিড়িক পড়েছে।
কলকাতা পুলিশের সদর দপ্তর লালবাজার সূত্রে জানা গেছে, পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার অংশুমান সাহাকে চিঠি পাঠিয়ে দিঘা ও মন্দারমণিসহ জেলার বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রের হোটেল ও গেস্টহাউসগুলোতে সরকারি নিয়মকানুন ঠিকঠাক মানা হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুলিশের জোর সন্দেহ, তদন্ত এড়াতে অভিযুক্ত হোটেলমালিক বীরেশ্বর মিত্র দিঘা বা মন্দারমণিতে থাকা তাঁর নিজস্ব কোনো গেস্টহাউসে আত্মগোপন করে থাকতে পারেন।
এদিকে ভয়াবহ এই দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ছয়জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। জানা গেছে, ভবনটির তৃতীয় তলায় ছিল ‘শিখা-ইন’ এবং পঞ্চম তলায় ছিল আরেকটি আবাসিক হোটেল। বীরেশ্বর মিত্র ‘শিখা-ইন’ হোটেলটি ১১ মাসের চুক্তিতে আবু জাফর নামের এক ব্যবসায়ীর কাছে ইজারা দিয়েছিলেন। আর পঞ্চম তলার হোটেলটি দেওয়া হয়েছিল উমেশ সিং ও জিতেন সিং নামের দুই ব্যক্তির কাছে। ইতিমধ্যে উমেশ ও জিতেনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।
স্মরণকালের এই মর্মান্তিক অগ্নিকাণ্ডে ৯ জন পর্যটক প্রাণ হারিয়েছেন, যাদের মধ্যে ৭ জনই ছিলেন বাংলাদেশি নাগরিক। নিহতদের মধ্যে বাংলাদেশের কুষ্টিয়ার এক সাংবাদিক ও তাঁর পরিবারের তিন সদস্য রয়েছেন। প্রাথমিক ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে জানা গেছে, মূলত বিষাক্ত ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়েই তাঁদের মৃত্যু হয়েছে, তবে শরীরে আগুনের দগ্ধ ক্ষতও রয়েছে।
ঘটনার পরপরই নড়েচড়ে বসেছে স্থানীয় প্রশাসন। কলকাতা পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও কলকাতা পৌর করপোরেশনের যৌথ দল নিউমার্কেট, মীর্জা গালিব স্ট্রিট, মারকুইস স্ট্রিটসহ বিভিন্ন এলাকার অন্তত ৫০টি হোটেল ও রেস্তোরাঁয় অভিযান চালিয়েছে। ফায়ার সেফটি বা অগ্নিনির্বাপণ বিধি অমান্য করায় এসব প্রতিষ্ঠানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়ে ২৪ ঘণ্টার সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উপযুক্ত ব্যাখ্যা না দিলে হোটেলগুলোর লাইসেন্স বাতিলের হুমকি দেওয়া হয়েছে। অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, দুর্ঘটনাকবলিত ‘হোটেল শিখা-ইন’-এর ফায়ার সার্ভিসের কোনো বৈধ ছাড়পত্রই ছিল না। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর নিউমার্কেট এলাকার অন্যান্য হোটেলগুলোতে তড়িঘড়ি করে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র বসানো ও জরুরি নির্গমনের পথ প্রস্তুত করার হিড়িক পড়েছে।

0 Comments